০৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

রাজাপুরে নির্মাণকালে মডেল মসজিদে ফাটল

Exif_JPEG_420

ঝালকাঠির রাজাপুরে নির্মাণকালে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ফাটল ধরেছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। উপজেলা সদরের খাদ্যগুদাম সংলগ্নে নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের কাজ শেষ হওয়ার আগেই এ ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, ২০১৮ সালের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধিন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে মসসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আর এ ভবনের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ১৩ কোটি টাকা। নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় বরিশালের মেসার্স খান বিল্ডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।

স্থানীয় মনির হোসেন, কামরুল ইসলাম দুলাল, খোকন তালুকদার জানায়, কাজ শুরুর কিছুদিন পরে নি¤œমানের কাজের অভিযোগে স্থানীয়দের প্রতিরোধে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সঠিক ভাবে কাজ করার শর্তে পুনরায় কাজ শুরু করেন ঐ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে মসজিদের কাজ প্রায় শেষ। এর মধ্যে মসজিদের উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালের ভিতর ও বাহিরের অংশে দেখা দিয়েছে ফাটল। দেয়ালের ঐ ফাটল মেরামতের চেষ্টা চলছে। তারা আরো জানায়, মসজিদের মূল অংশের পাইলিং ঠিক থাকলেও পেছনের অংশে ঠিক ভাবে পাইলিং না করার কারনে দেওয়াল ডেবে গিয়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ারের অবহেলার কারনেই মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হতে নাে হতেই ফাটল দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে মসজিদের সাইট ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার লিটন বলেন, এ্যাংকর সিমেন্ট একটু বেশি করা। তাই পর্যপ্ত পানির অভাবে দেয়ালের প্লাষ্টারে ফাটল দেখা দিয়েছিল তা ইতোমধ্যে ঠিক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রেকৌশলী বাদল কুমার মÐল বলেন, দুই দিন আগেও কাজের সাইট থেকে ঘুরে এসেছি মসজিদের দেয়ালে ফাটলের কোন ঘটনা চোখে পড়েনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজাপুরে নির্মাণকালে মডেল মসজিদে ফাটল

প্রকাশিত : ০৮:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

ঝালকাঠির রাজাপুরে নির্মাণকালে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ফাটল ধরেছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। উপজেলা সদরের খাদ্যগুদাম সংলগ্নে নির্মাণাধীন মডেল মসজিদের কাজ শেষ হওয়ার আগেই এ ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, ২০১৮ সালের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধিন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে মসসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আর এ ভবনের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ১৩ কোটি টাকা। নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায় বরিশালের মেসার্স খান বিল্ডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।

স্থানীয় মনির হোসেন, কামরুল ইসলাম দুলাল, খোকন তালুকদার জানায়, কাজ শুরুর কিছুদিন পরে নি¤œমানের কাজের অভিযোগে স্থানীয়দের প্রতিরোধে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সঠিক ভাবে কাজ করার শর্তে পুনরায় কাজ শুরু করেন ঐ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে মসজিদের কাজ প্রায় শেষ। এর মধ্যে মসজিদের উত্তর ও দক্ষিন দেয়ালের ভিতর ও বাহিরের অংশে দেখা দিয়েছে ফাটল। দেয়ালের ঐ ফাটল মেরামতের চেষ্টা চলছে। তারা আরো জানায়, মসজিদের মূল অংশের পাইলিং ঠিক থাকলেও পেছনের অংশে ঠিক ভাবে পাইলিং না করার কারনে দেওয়াল ডেবে গিয়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ারের অবহেলার কারনেই মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হতে নাে হতেই ফাটল দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে মসজিদের সাইট ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার লিটন বলেন, এ্যাংকর সিমেন্ট একটু বেশি করা। তাই পর্যপ্ত পানির অভাবে দেয়ালের প্লাষ্টারে ফাটল দেখা দিয়েছিল তা ইতোমধ্যে ঠিক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রেকৌশলী বাদল কুমার মÐল বলেন, দুই দিন আগেও কাজের সাইট থেকে ঘুরে এসেছি মসজিদের দেয়ালে ফাটলের কোন ঘটনা চোখে পড়েনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ