০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

পেকুয়ায় নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে সড়ক সংস্কার!

ককক্সবাজারের পেকুয়ায় নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগে সড়ক সংস্কারের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিস।
সোমবার (৮ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উজানটিয়া ইউনিয়নের পেকুয়ারচর দারুল উলুম কোরআনিয়া হেফজখানা ও এতিমখানা থেকে কইড়া বাজার পর্যন্ত সড়কের সাব বেইজের কাজ সংস্কারে নিম্নমানের ইটের (ঝামা খোয়া) ব্যবহার সরেজমিনে গিয়ে প্রত্যক্ষ করেন ইউপি চেয়ারম্যান এম. শহিদুল ইসলাম। এসময় তিনি অনিয়মের বিষয়টি তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে পেকুয়া এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তা সাইদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে নি¤œমানের এ সংস্কারকাজ বন্ধ করেন।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরে পেকুয়ারচর দারুল উলুম কোরআনিয়া হেফজখানা ও এতিমখানা হইতে কইড়া বাজার পর্যন্ত ৭২৩ মিটার সড়ক ও ড্রেন সংস্কারের জন্য ৭৯ লাখ ৬৪ হাজার ১২৩.৪৫ টাকা বরাদ্দ দেন। প্রকল্পটির কার্যাদেশ পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচকেসি।
পেকুয়ার চর বাসিন্দা মো. ইয়াসিন বলেন, সড়ক সংস্কারকাজ শুরু থেকে আজ (সোমবার) দুপুর পর্যন্ত নিম্নমানের ইট ও বালুর ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি আমরা দেখতে পেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ও এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তাদের অবহিত করি। কিন্তু এতে তারা কর্ণপাত করেনি। পরে ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামকে বিষয়টি জানানো হয়। তিনি এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তাদের ডেকে এনে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে সংস্কারকাজ বন্ধ করান।
এব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পেকুয়া অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আলিম বলেন, সড়ক সংস্কারকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের বিষয়টি গত রোববার আমার নজরে আসে। তখনি কার্যাদেশ প্রাপ্ত ঠিকাদারকে এসব ইট বালু ব্যবহার করতে নিষেধ করি। কিন্তু তারা নিষেধ অমান্য করে কাজ চালিয়ে যায়। পরে সোমবার দুপুরে কার্য সহকারী সাইদুল হককে পাঠিয়ে নিম্নমানেরএ উপকরণ ব্যবহার বন্ধ করা হয়।
জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচ.কে.সির স্বত্বাধিকারী হুমায়ুন কবির বলেন, আমার অনুপস্থিতিতে সংস্কারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা ভুলবশত এসব ইট ব্যবহার করেছেন। এলজিইডি অফিসের নির্দেশে ইট গুলো সাইট থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে সংস্কারকাজে ব্যবহৃত বালু নিম্নমানের নয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পেকুয়ায় নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে সড়ক সংস্কার!

প্রকাশিত : ০৮:৪১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

ককক্সবাজারের পেকুয়ায় নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগে সড়ক সংস্কারের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিস।
সোমবার (৮ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উজানটিয়া ইউনিয়নের পেকুয়ারচর দারুল উলুম কোরআনিয়া হেফজখানা ও এতিমখানা থেকে কইড়া বাজার পর্যন্ত সড়কের সাব বেইজের কাজ সংস্কারে নিম্নমানের ইটের (ঝামা খোয়া) ব্যবহার সরেজমিনে গিয়ে প্রত্যক্ষ করেন ইউপি চেয়ারম্যান এম. শহিদুল ইসলাম। এসময় তিনি অনিয়মের বিষয়টি তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে পেকুয়া এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তা সাইদুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে নি¤œমানের এ সংস্কারকাজ বন্ধ করেন।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরে পেকুয়ারচর দারুল উলুম কোরআনিয়া হেফজখানা ও এতিমখানা হইতে কইড়া বাজার পর্যন্ত ৭২৩ মিটার সড়ক ও ড্রেন সংস্কারের জন্য ৭৯ লাখ ৬৪ হাজার ১২৩.৪৫ টাকা বরাদ্দ দেন। প্রকল্পটির কার্যাদেশ পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচকেসি।
পেকুয়ার চর বাসিন্দা মো. ইয়াসিন বলেন, সড়ক সংস্কারকাজ শুরু থেকে আজ (সোমবার) দুপুর পর্যন্ত নিম্নমানের ইট ও বালুর ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি আমরা দেখতে পেয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ও এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তাদের অবহিত করি। কিন্তু এতে তারা কর্ণপাত করেনি। পরে ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামকে বিষয়টি জানানো হয়। তিনি এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তাদের ডেকে এনে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে সংস্কারকাজ বন্ধ করান।
এব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পেকুয়া অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আলিম বলেন, সড়ক সংস্কারকাজে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের বিষয়টি গত রোববার আমার নজরে আসে। তখনি কার্যাদেশ প্রাপ্ত ঠিকাদারকে এসব ইট বালু ব্যবহার করতে নিষেধ করি। কিন্তু তারা নিষেধ অমান্য করে কাজ চালিয়ে যায়। পরে সোমবার দুপুরে কার্য সহকারী সাইদুল হককে পাঠিয়ে নিম্নমানেরএ উপকরণ ব্যবহার বন্ধ করা হয়।
জানতে চাইলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচ.কে.সির স্বত্বাধিকারী হুমায়ুন কবির বলেন, আমার অনুপস্থিতিতে সংস্কারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা ভুলবশত এসব ইট ব্যবহার করেছেন। এলজিইডি অফিসের নির্দেশে ইট গুলো সাইট থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। তবে সংস্কারকাজে ব্যবহৃত বালু নিম্নমানের নয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ