০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

কুষ্টিয়ায় ফুড ডেলিভারি গার্লের আত্নহত্যা

কুষ্টিয়া শহরে অনলাইন খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুড পান্ডার একমাত্র নারী সরবরাহকারী রজনী অধিকারী (১৯) আত্মহত্যা করেছে। সোমবার দিনগত রাতে তার বাড়িতে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাস নিয়ে আত্মহত্যা করে। সে কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়ার অশোক অধিকারীর মেয়ে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে কুষ্টিয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শওকত কবির বলেন, রজনী অধিকারী ঐদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে রাত পৌনে ১টার সময় লাশ উদ্ধার করে।

গতকাল সকালে লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে, সে আত্মহত্যা করেছে, সকালে ঘটনাস্থল থেকে তার কিছু আলামতও সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে আসল কারন জানা যাবে।

এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। সে কুষ্টিয়া শহরে অনলাইন খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুড পান্ডার ফুড ডেলিভারিম্যান বা খাবার সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করতেন। রজনী অধিকারীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রজনীরা দুই বোন। বড় বোন অন্তরা অধিকারী বিবাহিত। বাবা অশোক অধিকারী। আর মা অর্চনা অধিকারী। কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়ায় তাঁদের বাড়ি।
রজনী ২০১৮ সালে এসএসসি পাস করেন কুষ্টিয়া হাইস্কুল থেকে। ডিপ্লোমা করেন কুষ্টিয়া আইডিয়াল পলিটেকনিক থেকে। পড়ার পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়ার বাসনা থেকেই এই কাজ করেন রজনী। সে রোদ, বৃষ্টি, ঝড় উপেক্ষা করে বাধাহীনভাবে রোজ কাজে বের হতেন। কখনো বাইসাইকেলে, কখনোবা মোটরবাইকে ছুটে যেতেন কুষ্টিয়া শহরের অলিতে গলিতে। ঘরে বসে মুঠোফোনে খাবার ‘চাহিবামাত্র’ রেস্তোরাঁ থেকে তা-ই গ্রাহকের খাদ্য পৌছে দিতেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় ফুড ডেলিভারি গার্লের আত্নহত্যা

প্রকাশিত : ০৬:১৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১

কুষ্টিয়া শহরে অনলাইন খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুড পান্ডার একমাত্র নারী সরবরাহকারী রজনী অধিকারী (১৯) আত্মহত্যা করেছে। সোমবার দিনগত রাতে তার বাড়িতে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ফাস নিয়ে আত্মহত্যা করে। সে কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়ার অশোক অধিকারীর মেয়ে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে কুষ্টিয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শওকত কবির বলেন, রজনী অধিকারী ঐদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিজ ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে রাত পৌনে ১টার সময় লাশ উদ্ধার করে।

গতকাল সকালে লাশের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে, সে আত্মহত্যা করেছে, সকালে ঘটনাস্থল থেকে তার কিছু আলামতও সংগ্রহ করা হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেলে আসল কারন জানা যাবে।

এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। সে কুষ্টিয়া শহরে অনলাইন খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুড পান্ডার ফুড ডেলিভারিম্যান বা খাবার সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করতেন। রজনী অধিকারীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রজনীরা দুই বোন। বড় বোন অন্তরা অধিকারী বিবাহিত। বাবা অশোক অধিকারী। আর মা অর্চনা অধিকারী। কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়ায় তাঁদের বাড়ি।
রজনী ২০১৮ সালে এসএসসি পাস করেন কুষ্টিয়া হাইস্কুল থেকে। ডিপ্লোমা করেন কুষ্টিয়া আইডিয়াল পলিটেকনিক থেকে। পড়ার পাশাপাশি স্বাবলম্বী হওয়ার বাসনা থেকেই এই কাজ করেন রজনী। সে রোদ, বৃষ্টি, ঝড় উপেক্ষা করে বাধাহীনভাবে রোজ কাজে বের হতেন। কখনো বাইসাইকেলে, কখনোবা মোটরবাইকে ছুটে যেতেন কুষ্টিয়া শহরের অলিতে গলিতে। ঘরে বসে মুঠোফোনে খাবার ‘চাহিবামাত্র’ রেস্তোরাঁ থেকে তা-ই গ্রাহকের খাদ্য পৌছে দিতেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ