১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী’র স্ট্যাটাস দেখে রাস্তায় রাজাকারের নামের সাইনবোর্ড অপসারণ করলেন ইউএনও।

দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসন এবং পরিষদে না জানিয়ে, কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তালিকাভুক্ত রাজাকারের নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাস্তার নামকরণের চেষ্টা করেন ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশিদ। গেলো তিন দিন আগে দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী তার ব্যবহৃত ফেসবুক ওয়ালে” দাউদকান্দিতে রাজাকারের নামে রাস্তার নামকরণ ” শিরোনামে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসটি দেয়ার পরপরই দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহি অফিসার কামরুল ইসলাম খানের নজরে আসলে রাজাকারের নামে নামকরণ সাইনবোর্ডটি অপসারণের ব্যবস্থা করেন।

মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী’র স্ট্যাটাসের পরপরই স্থানীয় আ.লীগ নেতা-কর্মী মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্য ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ক্ষোভের বহি:প্রকাশ ঘটান স্ট্যাটাসটিতে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এতে ঐ স্পর্শকাতর স্ট্যাটাসটি নজরে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের , ইলিয়টগঞ্জ বাজার হতে বীরতলা গ্রাম হয়ে টামটা গ্রাম পর্যন্ত একটি গ্রামীণ সড়কের নামকরণ করা হয় দাউদকান্দি উপজেলার ১৫ নাম্বার তালিকাভুক্ত রাজাকার, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর দোসর, থানা শান্তি কমিটির সদস্য মৃত আব্দুল করিম মাস্টারের নামকরণে, এতে অর্থায়ন করে ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশিদ। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়,” দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জের ঐ রাস্তাটি এখন আর তালিকাভুক্ত রাজাকারের নামে নামকরণ হচ্ছে না, রাস্তাটি এখন স্থানীয় কোনো বীর মু্ক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করা হবে। এমন সঠিক সিদ্ধান্তের পর দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল ইসলাম খান-কে এলাকার আ.লীগ নেতা-কর্মীরা,সুশীল সমাজ ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির অনুসারীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহি অফিসার কামরুল ইসলাম খান বলেন, তালিকাভুক্ত রাজাকারের নামে রাস্তার নামকরণ এর বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না, উপজেলা চেয়ারম্যানের ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে ২০১৬ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রেরিত তালিকা যাচাই বাছাই করে এবং স্থানীয় মু্ক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলে আমি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রাণঘাতী ইবোলার টিকা আসতে সময় লাগতে পারে ৯ মাস : ডব্লিউএইচও

মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী’র স্ট্যাটাস দেখে রাস্তায় রাজাকারের নামের সাইনবোর্ড অপসারণ করলেন ইউএনও।

প্রকাশিত : ১২:০১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ মার্চ ২০২১

দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসন এবং পরিষদে না জানিয়ে, কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তালিকাভুক্ত রাজাকারের নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে রাস্তার নামকরণের চেষ্টা করেন ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশিদ। গেলো তিন দিন আগে দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী তার ব্যবহৃত ফেসবুক ওয়ালে” দাউদকান্দিতে রাজাকারের নামে রাস্তার নামকরণ ” শিরোনামে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসটি দেয়ার পরপরই দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহি অফিসার কামরুল ইসলাম খানের নজরে আসলে রাজাকারের নামে নামকরণ সাইনবোর্ডটি অপসারণের ব্যবস্থা করেন।

মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী’র স্ট্যাটাসের পরপরই স্থানীয় আ.লীগ নেতা-কর্মী মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্য ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ক্ষোভের বহি:প্রকাশ ঘটান স্ট্যাটাসটিতে নেতিবাচক মন্তব্য করে। এতে ঐ স্পর্শকাতর স্ট্যাটাসটি নজরে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের , ইলিয়টগঞ্জ বাজার হতে বীরতলা গ্রাম হয়ে টামটা গ্রাম পর্যন্ত একটি গ্রামীণ সড়কের নামকরণ করা হয় দাউদকান্দি উপজেলার ১৫ নাম্বার তালিকাভুক্ত রাজাকার, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর দোসর, থানা শান্তি কমিটির সদস্য মৃত আব্দুল করিম মাস্টারের নামকরণে, এতে অর্থায়ন করে ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশিদ। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়,” দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জের ঐ রাস্তাটি এখন আর তালিকাভুক্ত রাজাকারের নামে নামকরণ হচ্ছে না, রাস্তাটি এখন স্থানীয় কোনো বীর মু্ক্তিযোদ্ধার নামে নামকরণ করা হবে। এমন সঠিক সিদ্ধান্তের পর দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ এর চেয়ারম্যান মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল ইসলাম খান-কে এলাকার আ.লীগ নেতা-কর্মীরা,সুশীল সমাজ ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির অনুসারীরা সাধুবাদ জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহি অফিসার কামরুল ইসলাম খান বলেন, তালিকাভুক্ত রাজাকারের নামে রাস্তার নামকরণ এর বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না, উপজেলা চেয়ারম্যানের ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে ২০১৬ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রেরিত তালিকা যাচাই বাছাই করে এবং স্থানীয় মু্ক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলে আমি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করি।