০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রবল ধূলিঝড়ের কবলে বেইজিং

ভারী বাদামী ধূলোয় ঢেকে গেছে চীনের বেইজিং শহর। অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়া ও চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চল থেকে আসা প্রবল বাতাসে আসা ধূলোর কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে বেইজিংয়ে বায়ূ দূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে অনেকখানি।

চীনের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ বেইজিংয়ে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে। অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়া থেকে আসা ধূলিঝড় বেইজিংকে ঘিরে থাকা গানসু, শানজি ও হেবেই প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে শহরের সকল অধিবাসীদের বাইরে কাজ পরিহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে, সোমবার বেইজিংয়ের বায়ুর মানের সূচক সর্বোচ্চ ৫০০ তে গিয়ে পৌঁছেছে। শহরের ছয়টি স্থানে পিএম১০ নামে পরিচিত উড়ন্ত কণার মাত্রা দাঁড়িয়েছে প্রতি কিউবিক মিটারে ৮ হাজার ১০০ মাইক্রোগামে। এর ফলে দৃষ্টিসীমা দাঁড়িয়েছে ৩শ থেকে ৮শ মিটারের মধ্যে।

ফুসফুসে প্রবেশে সক্ষম আরও ছোট কণা পিএম ২.৫ এর মাত্রাও অনেক বেড়ে গিয়েছে। সোমবার এর মাত্রা পৌঁছেছে প্রতি কিউবিক মিটারে ৩শ মাইক্রোগ্রামে। যা চীনের সাধারণ মাত্রা ৩৫ মাইক্রোমের চেয়ে অনেক বেশি।

গোবি মরুভূমির কাছাকাছি অবস্থানের কারণের বেইজিং মার্চ ও এপ্রিলে নিয়মিতভাবেই ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে। এছাড়া উত্তর চীনে বনভূমি উজাড় হয়ে যাওয়াও এর অন্যতম কারণ।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেইজিংয়ের চারপাশে থাকা অঞ্চলগুলো তুলনামূলকভাবে আরও বেশি দূষণের শিকার হয়েছে। ৫ মার্চ পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরুর সময়ও বেইজিং ধূলোর কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছিল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রবল ধূলিঝড়ের কবলে বেইজিং

প্রকাশিত : ০১:৪০:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মার্চ ২০২১

ভারী বাদামী ধূলোয় ঢেকে গেছে চীনের বেইজিং শহর। অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়া ও চীনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চল থেকে আসা প্রবল বাতাসে আসা ধূলোর কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে বেইজিংয়ে বায়ূ দূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে অনেকখানি।

চীনের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ বেইজিংয়ে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে। অন্তর্দেশীয় মঙ্গোলিয়া থেকে আসা ধূলিঝড় বেইজিংকে ঘিরে থাকা গানসু, শানজি ও হেবেই প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে শহরের সকল অধিবাসীদের বাইরে কাজ পরিহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গ্লোবাল টাইমস পত্রিকা জানিয়েছে, সোমবার বেইজিংয়ের বায়ুর মানের সূচক সর্বোচ্চ ৫০০ তে গিয়ে পৌঁছেছে। শহরের ছয়টি স্থানে পিএম১০ নামে পরিচিত উড়ন্ত কণার মাত্রা দাঁড়িয়েছে প্রতি কিউবিক মিটারে ৮ হাজার ১০০ মাইক্রোগামে। এর ফলে দৃষ্টিসীমা দাঁড়িয়েছে ৩শ থেকে ৮শ মিটারের মধ্যে।

ফুসফুসে প্রবেশে সক্ষম আরও ছোট কণা পিএম ২.৫ এর মাত্রাও অনেক বেড়ে গিয়েছে। সোমবার এর মাত্রা পৌঁছেছে প্রতি কিউবিক মিটারে ৩শ মাইক্রোগ্রামে। যা চীনের সাধারণ মাত্রা ৩৫ মাইক্রোমের চেয়ে অনেক বেশি।

গোবি মরুভূমির কাছাকাছি অবস্থানের কারণের বেইজিং মার্চ ও এপ্রিলে নিয়মিতভাবেই ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে। এছাড়া উত্তর চীনে বনভূমি উজাড় হয়ে যাওয়াও এর অন্যতম কারণ।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বেইজিংয়ের চারপাশে থাকা অঞ্চলগুলো তুলনামূলকভাবে আরও বেশি দূষণের শিকার হয়েছে। ৫ মার্চ পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরুর সময়ও বেইজিং ধূলোর কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছিল।