কক্সবাজারের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির উখিয়ার কুতুপালংয়ের বালুখালীতে ভয়াবহ আগুনে মারা যাওয়া ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৫৫ জন আহত হয়েছে বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পুড়ে ছাই হয়ে গেছে প্রায় ১০ হাজার ঘর। এ ঘটনায় দেড় শ’ শিশুসহ অন্তত ৪০০ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। প্রিয়জনকে হারিয়ে পরিবারগুলো পাগলপ্রায়। নিখোঁজদের সন্ধান চলছে। তবে আগুনে সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব বেশির ভাগ রোহিঙ্গা পরিবার।
আগুনের বিভীষিকার মধ্যে নতুন প্রাণের আগমনও চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে রোহিঙ্গা শিবিরে। ক্যাম্পের ছেনুয়ারা জানান, আমি পালিয়ে যাওয়ার সময় দেখি, এক গর্ভবতী মা প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছেন। একদিকে আগুনের লেলিহান শিখা, অন্যদিকে আগুন দেখে পালানোর সময়ে পথেই এক রোহিঙ্গা নারী সন্তান প্রসব করেন। এমন দৃশ্য বিবেকবান যে কাউকেই নাড়া দেবেন। তবে তিনি জানান, নবজাতককে বাঁচানো যায়নি। জন্মের কিছু সময় পরই সে মারা যায়।




















