০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

‘ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের দায় হেফাজতকেই নিতে হবে’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যে সকল সরকারি, বেসরকারি স্থাপনা, আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়ি ও হিন্দুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে তার সকল দায়-দায়িত্ব হরতাল আহ্বানকারী হেফাজতে ইসলামকেই নিতে হবে।

তিনি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। এ সময় র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের দিন বিকেল ৩টার পর থেকেই হেফাজতিরা শহরে তাণ্ডব শুরু করে। তারা রেলস্টেশন ভাংচুর করে কন্ট্রোল প্যানেল জ্বালিয়ে দিয়েছে। এর পর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এই প্রথম রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মোকতাদির চৌধুরী বলেন, হামলা-তাণ্ডবের সময় প্রশাসন নিরব ছিলো, ফায়ার সার্ভিসের কোন ভূমিকা ছিলো না। প্রশাসন একটু সক্রিয় হলে ক্ষয়-ক্ষতি অনেকটাই কম হতো। তিনি বলেন, হামলার সময় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর থানার ওসি, পুলিশের আইজিপি, কেবিনেট সেক্রেটারীসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও প্রভাবশালী অনেক আমলার সাথে কথা বলেছেন কিন্তু কোনো সাহায্য পাননি।

মোকতাদির চৌধুরী বলেন, আমরা যদি দলীয়ভাবে প্রতিরোধের চেষ্টা করতাম তাহলে অনেক রক্তপাত হতো। আমরা রক্তপাত এড়াতে চেয়েছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

‘ভাংচুর-অগ্নিসংযোগের দায় হেফাজতকেই নিতে হবে’

প্রকাশিত : ০৩:৫৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মার্চ ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, গত শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যে সকল সরকারি, বেসরকারি স্থাপনা, আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়ি ও হিন্দুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে তার সকল দায়-দায়িত্ব হরতাল আহ্বানকারী হেফাজতে ইসলামকেই নিতে হবে।

তিনি সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। এ সময় র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস ও স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানের দিন বিকেল ৩টার পর থেকেই হেফাজতিরা শহরে তাণ্ডব শুরু করে। তারা রেলস্টেশন ভাংচুর করে কন্ট্রোল প্যানেল জ্বালিয়ে দিয়েছে। এর পর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সকল ট্রেনের যাত্রাবিরতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এই প্রথম রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মোকতাদির চৌধুরী বলেন, হামলা-তাণ্ডবের সময় প্রশাসন নিরব ছিলো, ফায়ার সার্ভিসের কোন ভূমিকা ছিলো না। প্রশাসন একটু সক্রিয় হলে ক্ষয়-ক্ষতি অনেকটাই কম হতো। তিনি বলেন, হামলার সময় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর থানার ওসি, পুলিশের আইজিপি, কেবিনেট সেক্রেটারীসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও প্রভাবশালী অনেক আমলার সাথে কথা বলেছেন কিন্তু কোনো সাহায্য পাননি।

মোকতাদির চৌধুরী বলেন, আমরা যদি দলীয়ভাবে প্রতিরোধের চেষ্টা করতাম তাহলে অনেক রক্তপাত হতো। আমরা রক্তপাত এড়াতে চেয়েছি।