০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বরুড়ায় মন্দির নির্মানে বাঁধা

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ৩নং উঃ খোশবাস ইউনিয়নের শাহাপুর(ঠাকুর বাড়ি) গ্রামে শতবর্ষীয় পুরোনো দূর্গা মন্দিরটি পুনঃনির্মান করতে গেলে একই বাড়ির কাজল চক্রবর্তী,সন্জয় চক্রবর্তী বাঁধা সৃষ্টি করে।তাতে গত তিন মাস যাবৎ মন্দির নির্মানের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, শাহাপুর (ঠাকুর বাড়ি) গ্রামের দূর্গা মন্দিরটি শত বছরের ঐতিহ্য ধারন করে রেখেছে।এখানে প্রতি বছর জাকজমকপূর্ণভাবে শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়।তাই মন্দিরের সামনে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় মন্দিরের পিছনে মন্দিরের নামে কিছু জায়গা রয়েছে। মন্দির কমিটি চাচ্ছে মন্দিরটি সামান্য পিছিয়ে নিলে মন্দিরটির সামনে পর্যাপ্ত পরিমান জায়গা হবে এবং মন্দিরটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।কিন্তু মন্দিরের পিছন দিয়ে প্রতিবেশি কাজল চক্রবর্তীর বাড়িতে যাবার ছোট একটি পথচলার রাস্তা রয়েছে।যদিও কাজল চক্রবর্তীর বাড়িতে যাবার জন্য বিকল্প বড় রাস্তা রয়েছে।মন্দিরের পিছন দিয়ে যে রাস্তাটি রয়েছে সেটা দিয়ে হাটা চলার জন্য।
মন্দির কর্তৃপক্ষ যখন মন্দির পিছনে নিয়ে আরো সুন্দর ভাবে করতে চেয়েছে।সে বিষয়ে প্রতিবেশি কাজল চক্রবর্তীর মতামত জানতে চাইলে। তিনি এটাকে সমর্থন করেন।তবে তার বাড়িতে যাওয়ার হাটাচলার রাস্তার কথা বলেন।তখন মন্দির কর্তৃপক্ষ মন্দিরের সামনে দিয়ে চলাচলের কথা বলেন। কাজল চক্রবর্তীও রাজি হন।
তার কথার উপর ভিত্তি করে। পুরোনো মন্দিরটি ভেঙ্গে। নতুন মন্দির নির্মানের কাজ শুরু করলে কাজল চক্রবর্তীসহ অন্যানোরা বাঁধা সৃষ্টি করে।তারা মন্দিরের পিছন দিয়ে রাস্তা চায়।এ নিয়ে সামাজিকভাবে বৈঠক বসে।বৈঠকে কাজল চক্রবর্তী মন্দিরের পিছনে দেড় ফুট রাস্তা দাবি করলে সামাজিক কর্তারা দুই ফুট রাস্তা দিতে বললে প্রথমে কাজল চক্রবর্তী রাজি হলেও পরে রাজি হচ্ছে না।এ দিকে মন্দির নির্মানের কাজ বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন মন্দিরে পূজা অর্চনা বন্ধ হয়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে মন্দির কমিটির কার্য নির্বাহী সদস্যে মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চক্রবর্তী বরুড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিযোগকারী সুভাষ চক্রবর্তী বলেন,তারা আমাদের মন্দিরের মালিকানাধীন জায়গার রাস্তা দিয়ে চলাচল করে।তাদের সাথে কথা বলে মন্দিরের কাজ শুরু করছি।তাদের দাবি ছিলো দেড় ফুট রাস্তা আমরা দুই ফুট রাস্তা দিচ্ছি। এখন তারা এটাও মানে না বরং আমাকে হত্যা করে লাঁশ গুম করার হুমকি দিচ্ছে এবং মন্দিরের নির্মানে বাঁধা দিচ্ছে।তারা মূলত বিশৃঙ্খলতা চাচ্ছে। আমি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাজল চক্রবর্তী বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট।আমরা বাড়িতে ঢোকার রাস্তা চেয়েছি। রাস্তা দিলে আমাদের আর কোন সমস্যা নাই।মন্দির হোক এটা আমারাও চাই”।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যে মোসলেম উদ্দিন বলেন,আমরা চেষ্টা করেছি সামাজিকভাবে সমাধান করার।কাজল চক্রবর্তী আমাদের কাছে দেড় ফুট রাস্তা চেয়েছে।আমরা মন্দির কতৃপক্ষকে বলেছি দুই ফুট দেওয়ার জন্য। মন্দির কর্তৃপক্ষ তা রাজি হয়েছে।কিন্তু এখন তারা এটাও মানে না”।
বরুড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) চন্দন ক্লান্তি দাস বলেন,এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।আমাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আমি দু একদিনের মধ্যে ঘটনাস্থলে যাবো।তারপর আমি বিস্তারিত জানাতে পারবো”।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

বরুড়ায় মন্দির নির্মানে বাঁধা

প্রকাশিত : ০৪:২৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ৩নং উঃ খোশবাস ইউনিয়নের শাহাপুর(ঠাকুর বাড়ি) গ্রামে শতবর্ষীয় পুরোনো দূর্গা মন্দিরটি পুনঃনির্মান করতে গেলে একই বাড়ির কাজল চক্রবর্তী,সন্জয় চক্রবর্তী বাঁধা সৃষ্টি করে।তাতে গত তিন মাস যাবৎ মন্দির নির্মানের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, শাহাপুর (ঠাকুর বাড়ি) গ্রামের দূর্গা মন্দিরটি শত বছরের ঐতিহ্য ধারন করে রেখেছে।এখানে প্রতি বছর জাকজমকপূর্ণভাবে শারদীয় দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হয়।তাই মন্দিরের সামনে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় মন্দিরের পিছনে মন্দিরের নামে কিছু জায়গা রয়েছে। মন্দির কমিটি চাচ্ছে মন্দিরটি সামান্য পিছিয়ে নিলে মন্দিরটির সামনে পর্যাপ্ত পরিমান জায়গা হবে এবং মন্দিরটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।কিন্তু মন্দিরের পিছন দিয়ে প্রতিবেশি কাজল চক্রবর্তীর বাড়িতে যাবার ছোট একটি পথচলার রাস্তা রয়েছে।যদিও কাজল চক্রবর্তীর বাড়িতে যাবার জন্য বিকল্প বড় রাস্তা রয়েছে।মন্দিরের পিছন দিয়ে যে রাস্তাটি রয়েছে সেটা দিয়ে হাটা চলার জন্য।
মন্দির কর্তৃপক্ষ যখন মন্দির পিছনে নিয়ে আরো সুন্দর ভাবে করতে চেয়েছে।সে বিষয়ে প্রতিবেশি কাজল চক্রবর্তীর মতামত জানতে চাইলে। তিনি এটাকে সমর্থন করেন।তবে তার বাড়িতে যাওয়ার হাটাচলার রাস্তার কথা বলেন।তখন মন্দির কর্তৃপক্ষ মন্দিরের সামনে দিয়ে চলাচলের কথা বলেন। কাজল চক্রবর্তীও রাজি হন।
তার কথার উপর ভিত্তি করে। পুরোনো মন্দিরটি ভেঙ্গে। নতুন মন্দির নির্মানের কাজ শুরু করলে কাজল চক্রবর্তীসহ অন্যানোরা বাঁধা সৃষ্টি করে।তারা মন্দিরের পিছন দিয়ে রাস্তা চায়।এ নিয়ে সামাজিকভাবে বৈঠক বসে।বৈঠকে কাজল চক্রবর্তী মন্দিরের পিছনে দেড় ফুট রাস্তা দাবি করলে সামাজিক কর্তারা দুই ফুট রাস্তা দিতে বললে প্রথমে কাজল চক্রবর্তী রাজি হলেও পরে রাজি হচ্ছে না।এ দিকে মন্দির নির্মানের কাজ বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন মন্দিরে পূজা অর্চনা বন্ধ হয়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে মন্দির কমিটির কার্য নির্বাহী সদস্যে মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চক্রবর্তী বরুড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অভিযোগকারী সুভাষ চক্রবর্তী বলেন,তারা আমাদের মন্দিরের মালিকানাধীন জায়গার রাস্তা দিয়ে চলাচল করে।তাদের সাথে কথা বলে মন্দিরের কাজ শুরু করছি।তাদের দাবি ছিলো দেড় ফুট রাস্তা আমরা দুই ফুট রাস্তা দিচ্ছি। এখন তারা এটাও মানে না বরং আমাকে হত্যা করে লাঁশ গুম করার হুমকি দিচ্ছে এবং মন্দিরের নির্মানে বাঁধা দিচ্ছে।তারা মূলত বিশৃঙ্খলতা চাচ্ছে। আমি এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাজল চক্রবর্তী বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট।আমরা বাড়িতে ঢোকার রাস্তা চেয়েছি। রাস্তা দিলে আমাদের আর কোন সমস্যা নাই।মন্দির হোক এটা আমারাও চাই”।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যে মোসলেম উদ্দিন বলেন,আমরা চেষ্টা করেছি সামাজিকভাবে সমাধান করার।কাজল চক্রবর্তী আমাদের কাছে দেড় ফুট রাস্তা চেয়েছে।আমরা মন্দির কতৃপক্ষকে বলেছি দুই ফুট দেওয়ার জন্য। মন্দির কর্তৃপক্ষ তা রাজি হয়েছে।কিন্তু এখন তারা এটাও মানে না”।
বরুড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) চন্দন ক্লান্তি দাস বলেন,এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।আমাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।আমি দু একদিনের মধ্যে ঘটনাস্থলে যাবো।তারপর আমি বিস্তারিত জানাতে পারবো”।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান মাসুদ