১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬

আচমকা ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বইমেলা

সন্ধ্যার সময় হঠাৎ করে ঝড় শুরু হয় রাজধানীতে। বইমেলায় তখনও পাঠক ও প্রকাশকরা ছিলেন।ঝড়ের তীব্রতা দ্রুতই বেড়ে গেলে পাঠকদের অনেককে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান নিতে দেখা যায়। আর স্টলের কর্মীদের ঝড়ের কবল থেকে বই রক্ষার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যেতে দেখা যায়।
রোববার (০৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬টায় পর বইমেলা প্রাঙ্গণের পরিস্থিতি ছিল এমন।

সরজিমনে দেখা যায়, হঠাৎ দমকা হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে যায় বইমেলার চেনার রূপ। এসময় বেশ কয়েকটি স্টল আংশিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব স্টল এর মধ্যে রয়েছে বেহুলা বাংলা, বাবুই প্রকাশনি, আদিত্য অনীক প্রকাশনী। এছাড়াও বেশ কিছু স্টল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু প্যাভিলিয়নের নামফলকও ভেঙে পড়েছে।

ঝড়-বৃষ্টির সময় মেলায় যেসব দর্শনার্থীরা আটকে পড়েছিলেন তাদের অধিকাংশই আশ্রয় নেন ‘লেখক বলছি’ মঞ্চ বা আশ্রয় কেন্দ্রে এবং মেলার স্টলের কর্মীরা এবং প্রকাশকরা আশ্রয় নেন স্টল প্যাভিলিয়নের ভেতরে। বৃষ্টির সময় বেশ কিছুক্ষণ মেলা বিদ্যুৎহীন অবস্থাতেও ছিল। এ সময় পুরো অন্ধকারে ছেয়ে যায় গোটা মেলা অঞ্চল।

টাঙ্গন প্রকাশনীর প্রকাশক অজয় কুমার রায় বলেন, হঠাৎ দমকা হাওয়ায় বিভিন্ন স্টল এর বেশ কিছু ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া রাতে বৃষ্টি হলে বই ভিজে যাওয়াসহ আরও ক্ষতির আশঙ্কা করছি। এমনিতেই করোনার জন্য এবার মেলা ভিন্ন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসলে এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আসলেই প্রকাশকদের বেগ পেতে হবে।

আদিত্য অনীক প্রকাশনীর এক বিক্রয় কর্মী জানান, ঝড়ো হাওয়ায় স্টলের নাম ফলক খসে পড়েছে। বেশ কিছু বই ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছে। বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় এই ক্ষতি আরও বাড়বে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

আচমকা ঝড়ে লণ্ডভণ্ড বইমেলা

প্রকাশিত : ০৮:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১

সন্ধ্যার সময় হঠাৎ করে ঝড় শুরু হয় রাজধানীতে। বইমেলায় তখনও পাঠক ও প্রকাশকরা ছিলেন।ঝড়ের তীব্রতা দ্রুতই বেড়ে গেলে পাঠকদের অনেককে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান নিতে দেখা যায়। আর স্টলের কর্মীদের ঝড়ের কবল থেকে বই রক্ষার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যেতে দেখা যায়।
রোববার (০৪ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৬টায় পর বইমেলা প্রাঙ্গণের পরিস্থিতি ছিল এমন।

সরজিমনে দেখা যায়, হঠাৎ দমকা হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে যায় বইমেলার চেনার রূপ। এসময় বেশ কয়েকটি স্টল আংশিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসব স্টল এর মধ্যে রয়েছে বেহুলা বাংলা, বাবুই প্রকাশনি, আদিত্য অনীক প্রকাশনী। এছাড়াও বেশ কিছু স্টল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু প্যাভিলিয়নের নামফলকও ভেঙে পড়েছে।

ঝড়-বৃষ্টির সময় মেলায় যেসব দর্শনার্থীরা আটকে পড়েছিলেন তাদের অধিকাংশই আশ্রয় নেন ‘লেখক বলছি’ মঞ্চ বা আশ্রয় কেন্দ্রে এবং মেলার স্টলের কর্মীরা এবং প্রকাশকরা আশ্রয় নেন স্টল প্যাভিলিয়নের ভেতরে। বৃষ্টির সময় বেশ কিছুক্ষণ মেলা বিদ্যুৎহীন অবস্থাতেও ছিল। এ সময় পুরো অন্ধকারে ছেয়ে যায় গোটা মেলা অঞ্চল।

টাঙ্গন প্রকাশনীর প্রকাশক অজয় কুমার রায় বলেন, হঠাৎ দমকা হাওয়ায় বিভিন্ন স্টল এর বেশ কিছু ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া রাতে বৃষ্টি হলে বই ভিজে যাওয়াসহ আরও ক্ষতির আশঙ্কা করছি। এমনিতেই করোনার জন্য এবার মেলা ভিন্ন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমন সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসলে এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে আসলেই প্রকাশকদের বেগ পেতে হবে।

আদিত্য অনীক প্রকাশনীর এক বিক্রয় কর্মী জানান, ঝড়ো হাওয়ায় স্টলের নাম ফলক খসে পড়েছে। বেশ কিছু বই ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছে। বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় এই ক্ষতি আরও বাড়বে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ