০১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দর্জির কাজ করে মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করাতে পারছেন না আবদুল মোমিন

শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থের অভাবে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন শামসুন্নাহার শেফা। শেফা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মোঃ আবদুল মোমিনের মেয়ে। দারিদ্র্যতাকে জয় করে শেফা এখন চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। কিন্তু শেফার মেডিকেলে ভর্তিতে বাগড়া দিয়েছে অর্থ। শামসুন্নাহার শেফা বলেন, এবার পরীক্ষায় শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজে তিনি ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তিনি দক্ষ চিকিৎসক হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে চান। জানা গেছে, শামসুন্নাহার শেফার র মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার স্থান ১৮৮২তম। ২০১৮ সালে সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০২০ সালে সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন তিনি। এখন মেডিকেলে ভর্তির বিষয়ে মা-বাবার কোন সামর্থ্য নেই। শেফার পিতা আবদুল মোমিন বলেন, তিনি দর্জির কাজ করেন। সেখান থেকে যা আয় হয় তা দিয়ে মেয়ের পড়াশোনা ও পরিবারের সবার খরচ বহন করেন। মেয়েকে ভর্তির জন্য বেশ টাকার প্রয়োজন। এখন এই টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন বলে তিনি জানান। তিনি মেয়ের ভর্তির জন্য সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। শেফাকে সহযোগিতা করতে চাইলে ০১৭৩৪-৬৩৯৯০৬ (শেফার বাবার) এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় দুই শিশুসহ ‘গর্ভবতী’ মা নিহত

দর্জির কাজ করে মেয়েকে মেডিকেলে ভর্তি করাতে পারছেন না আবদুল মোমিন

প্রকাশিত : ০৪:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১

শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অর্থের অভাবে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন শামসুন্নাহার শেফা। শেফা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আড়পাড়া গ্রামের মোঃ আবদুল মোমিনের মেয়ে। দারিদ্র্যতাকে জয় করে শেফা এখন চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। কিন্তু শেফার মেডিকেলে ভর্তিতে বাগড়া দিয়েছে অর্থ। শামসুন্নাহার শেফা বলেন, এবার পরীক্ষায় শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজে তিনি ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তিনি দক্ষ চিকিৎসক হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে চান। জানা গেছে, শামসুন্নাহার শেফার র মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার স্থান ১৮৮২তম। ২০১৮ সালে সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০২০ সালে সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন তিনি। এখন মেডিকেলে ভর্তির বিষয়ে মা-বাবার কোন সামর্থ্য নেই। শেফার পিতা আবদুল মোমিন বলেন, তিনি দর্জির কাজ করেন। সেখান থেকে যা আয় হয় তা দিয়ে মেয়ের পড়াশোনা ও পরিবারের সবার খরচ বহন করেন। মেয়েকে ভর্তির জন্য বেশ টাকার প্রয়োজন। এখন এই টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন বলে তিনি জানান। তিনি মেয়ের ভর্তির জন্য সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। শেফাকে সহযোগিতা করতে চাইলে ০১৭৩৪-৬৩৯৯০৬ (শেফার বাবার) এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ