বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ শ্রমিক নেতা আব্দুস সবুর খান বীর বিক্রমকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় দাফন করা হয়।
সোমবার (১২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
তার ছেলে বিপ্লব সবুর খান জানান, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত শারিরীক নানা সমস্যা নিয়ে তাকে গত ৮ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নমুনা পরীক্ষা করার পর তার করোনা শনাক্ত হয়। সোমবার (১২ এপ্রিল) রাতেই তার লাশ টাঙ্গাইল শহরের আদালতপাড়ার বাসভবনে আনা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে শহরের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় সন্মাননা জানানো হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, মরহুমের পুত্র মাসুদুর রহমান খান প্রমুখ। পরে সদর উপজেলার করটিয়ায় তার দ্বিতীয় দফা জানাযা শেষে সেখানেই দাফন করা হয়।
প্রসঙ্গত, আব্দুস সবুর খান ১৯৩৪ সালে চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার চররাগোবরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ষাটের দশকে টাঙ্গাইলে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। ১৯৭১ সালে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গড়ে উঠা কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এজন্য তিনি বীরবিক্রম খেতাব প্রাপ্ত হন। তিনি পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















