করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ংকর পরিস্থিতিতে পটুয়াখালীর জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলায় সরকারি নির্দেশনা মানছেনা সাধারন মানুষ। স্বাভাবিক ভাবেই চলছে শুটকি পল্লীর কাজ।
এমন চিত্র দেখা গেছে উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বিপ চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বউ বাজার এলাকায়। সেখানে দেখা যায় মানুষ মুখে মাক্স ছাড়াই লক ডাউনের মধ্যেও জীবিকা নির্বাহে এক মাত্র মাধ্যম শুটকি পল্লীতে শুটকি তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে স্থানীয় শুটকি পল্লীর সাথে সংশ্লিষ্ট মৎস শ্রমিকরা। সাগর থেকে মাছধরা ট্রলার গুলো শুটকি পল্লীতে এসে নোঙর কওে, সেখান থেকে মাছ শুটকি পল্লীতে নিয়ে আসা হচ্ছে । এ কাজের সাথে যুক্ত আছে স্থানীয় শত শত লোক। কারো মুখেই নেই কোন মাক্স, নেই সামাজিক দূরত্ব মানার প্রবনতা।
স্থানীয়রা জানান পুলিশ আমাদেরকে কিছুই বলেনা। এছাড়াও হাট বাজারে প্রতিদিনের ন্যায় দেকা যায় মানুষের উপচে পড়া ভিড় । স্বাভাবিক ভাবেই চর মোন্তাজ থেকে ছেড়ে যেতে দেখা যায় মানুষ ও মালবাহী ট্রলার। এখনই লাগাম টেনে না ধরতে পারলে উপকূলে করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশংকা করছেন সচেতন মহলের। এ বিষয় নিরব ভূমিকা পালন করছেন স্থানীয় চর মোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ।এতে করোনা সংক্রমণ ঐ অঞ্চলের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে ।
এই ব্যাপারে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সমাজ সেবক ও ব্যবসায়ী এম আজাদ খান সাথী বলেন, লকডাউনে সামাজিক দূরত্ব সহ মাক্স না পড়ে সবাই যেভাবে বাজারে আসছে এতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। এখনই প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে তানাহলে পরে করোনা সংক্রমণের বৃদ্ধি ঠেকানো যাবেনা। এই ব্যাপারে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাশফাকুর রহমান জানান, লকডাউন সফল করার লক্ষে নদীপথে যাত্রীবাহি সকল নৌযান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মানতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















