০৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বুড়িচংয়ে এতিমখানা নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাধকপুর বাজার সংলগ্নে খাজা আজমিরী (রাঃ) এতিমখানার ভবনের ভিত্তি প্রস্তর নির্মাণে এলাকার দুস্কৃতিকারী কর্তৃক বাঁধার অভিযোগ। এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন এতিমখানার সত্ত¦াধিকারী মোঃ কামরুল ইসলাম শিবলি। অভিযোগ বিবরণে জানা যায়, মোঃ কামরুল ইসলাম শিবলি বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাধকপুর গ্রামের মৃত শব্দর আলীর ছেলে। (১৩ এপ্রিল ২০২১) মঙ্গলবার ভূক্তভোগী কামরুল ইসলাম শিবলি জানান, সরকারী নিয়ম অনুসারে নিজের ক্রয়কৃত জায়গাতে খাজা আজমিরী (রাঃ) নামে চতুর্থ তলা ভবনের কাজ শুরু করেন।

পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওয়াতাধীন ১০২ নং সাধকপুর মৌজার ১০৯৬ খতিয়ান ভূক্ত হাল ৮৩৯, সাবেক ৪১৬, আর এস ৫৯৪, সি এস ৬৭ নং দাগের ভূমির দলিল মূলে মালিক তিনি। উক্ত ১০৯৬ নং খতিয়ানে তার ক্রয়কৃত জায়গার পশ্চিম পাশের ১নং খাস খতিয়ানভূক্ত ৮৪১ নং দাগের খাল চিহ্নিত করে সরকারী সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করেন। ৩ শতাংশ জায়গার মধ্যে উক্ত এতিমখানার ভবনে কাজ শুরু করেন।

কাজ শুরুতে এলাকার কিছু কু-চক্রমহল খাজা আজমিরী (রাঃ) নামে এ এতিমখানাটি যেন না হয় তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিভিন্নভাবে বাঁধা প্রয়োগ করে আসছে। কিছুদিন আগে দুস্কৃতিরা এসে এতিমখানা ভবন নির্মাণে বাঁধা দিয়ে যায়। কামরুল ইসলাম শিবলি আরো জানান, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের ভূমিকর্মকর্তা শায়েস্তা খান আমার জায়গা খাস বলিয়া ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ চার হাজার টাকা নিয়ে যায়। এর কিছুদিন পর আবারও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। এই টাকা না দেওয়াতে এতিমখানার ভবনের কিছু অংশ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়।

এতে আমার ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়। অথচ, এই এলাকার মনির হোসেন, মুজিবুর রহমান সহ আমার আশেপাশে খালের উপর বাড়ি দোকান এবং সরকারী খাস জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করে রেখেছে। কিন্তু তাদেরকে বাঁধা না দিয়ে তাদের সাথে মিল হয়ে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা শায়েস্তা খান আমার ক্ষতি করেছে। আবার ইদানিং পীরযাত্রাপুর বিভিন্ন এলাকায় ফসলী জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন এবং শ্রীপুর ও গোবিন্দপুর গোমতীর চরে মাটি কাটার মহা উৎসব চলছে কিন্তু ঐখানে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা কোন ভূমিকা রাখছেন না। অথচ, আমি ভালো কাজ করছি আমাকে এসে বাঁধা। এ বিষয়ে পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিসের কর্মকর্তা শায়েস্তা খান প্রতিনিধিকে মুঠোফোনে জানান,সরকারী খাস জায়গাতে ভবন নির্মাণ এমন অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এসিল্যান্ড এর অনুমতিক্রমে ভবনের কিছু অংশ ভেঙ্গে লাল নিশান লাগিয়ে দিয়ে এসেছি। ঘুষ দাবী এবং টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

বুড়িচংয়ে এতিমখানা নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ

প্রকাশিত : ০২:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১

কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাধকপুর বাজার সংলগ্নে খাজা আজমিরী (রাঃ) এতিমখানার ভবনের ভিত্তি প্রস্তর নির্মাণে এলাকার দুস্কৃতিকারী কর্তৃক বাঁধার অভিযোগ। এ বিষয়ে বুড়িচং উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন এতিমখানার সত্ত¦াধিকারী মোঃ কামরুল ইসলাম শিবলি। অভিযোগ বিবরণে জানা যায়, মোঃ কামরুল ইসলাম শিবলি বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের সাধকপুর গ্রামের মৃত শব্দর আলীর ছেলে। (১৩ এপ্রিল ২০২১) মঙ্গলবার ভূক্তভোগী কামরুল ইসলাম শিবলি জানান, সরকারী নিয়ম অনুসারে নিজের ক্রয়কৃত জায়গাতে খাজা আজমিরী (রাঃ) নামে চতুর্থ তলা ভবনের কাজ শুরু করেন।

পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আওয়াতাধীন ১০২ নং সাধকপুর মৌজার ১০৯৬ খতিয়ান ভূক্ত হাল ৮৩৯, সাবেক ৪১৬, আর এস ৫৯৪, সি এস ৬৭ নং দাগের ভূমির দলিল মূলে মালিক তিনি। উক্ত ১০৯৬ নং খতিয়ানে তার ক্রয়কৃত জায়গার পশ্চিম পাশের ১নং খাস খতিয়ানভূক্ত ৮৪১ নং দাগের খাল চিহ্নিত করে সরকারী সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করেন। ৩ শতাংশ জায়গার মধ্যে উক্ত এতিমখানার ভবনে কাজ শুরু করেন।

কাজ শুরুতে এলাকার কিছু কু-চক্রমহল খাজা আজমিরী (রাঃ) নামে এ এতিমখানাটি যেন না হয় তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিভিন্নভাবে বাঁধা প্রয়োগ করে আসছে। কিছুদিন আগে দুস্কৃতিরা এসে এতিমখানা ভবন নির্মাণে বাঁধা দিয়ে যায়। কামরুল ইসলাম শিবলি আরো জানান, পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের ভূমিকর্মকর্তা শায়েস্তা খান আমার জায়গা খাস বলিয়া ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ চার হাজার টাকা নিয়ে যায়। এর কিছুদিন পর আবারও ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করে। এই টাকা না দেওয়াতে এতিমখানার ভবনের কিছু অংশ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়।

এতে আমার ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়। অথচ, এই এলাকার মনির হোসেন, মুজিবুর রহমান সহ আমার আশেপাশে খালের উপর বাড়ি দোকান এবং সরকারী খাস জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করে রেখেছে। কিন্তু তাদেরকে বাঁধা না দিয়ে তাদের সাথে মিল হয়ে ভূমি অফিসের কর্মকর্তা শায়েস্তা খান আমার ক্ষতি করেছে। আবার ইদানিং পীরযাত্রাপুর বিভিন্ন এলাকায় ফসলী জমি থেকে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন এবং শ্রীপুর ও গোবিন্দপুর গোমতীর চরে মাটি কাটার মহা উৎসব চলছে কিন্তু ঐখানে ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা কোন ভূমিকা রাখছেন না। অথচ, আমি ভালো কাজ করছি আমাকে এসে বাঁধা। এ বিষয়ে পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের ভূমি অফিসের কর্মকর্তা শায়েস্তা খান প্রতিনিধিকে মুঠোফোনে জানান,সরকারী খাস জায়গাতে ভবন নির্মাণ এমন অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে এসিল্যান্ড এর অনুমতিক্রমে ভবনের কিছু অংশ ভেঙ্গে লাল নিশান লাগিয়ে দিয়ে এসেছি। ঘুষ দাবী এবং টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে।