০৭:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরে যানবাহন ও মানুষের ভিড় ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ

রংপুরে সর্বাত্মক লকডাউনের চতুর্থ দিনে শনিবার সড়ক, হাটবাজারে যানবাহন ও মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। মানুষের উপস্থিতি ঠেকাতে মোড়ে মোড়ে চেক পোস্ট বসিয়েও লোকজনের চলাচল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না পুলিশ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই নগরীতে খাদ্যবাহী ট্রাক ছাড়াও বিপুলসংখ্যক রিকশা, অটোরিকশা, সাইকেল, মোটরসাইকেলে করে মানুষ প্রবেশ করে । এর মধ্যে যারা দিনমজুর তারা সাইকেল নিয়েই কর্মক্ষেত্রে চলে আসে। অনেকেই কাজের সন্ধানে বের হয়। সকাল ৮টার দিকে দেখা যায় মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীর মডার্ন মোড়, লালবাগ, কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল, শাপলা চত্বর, জাহাজ কোম্পানী, কৈলাশ রঞ্জন, কাচারী বাজার, বঙ্গবন্ধু চত্বর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মেডিক্যাল মোড় এলাকায় যানবহান ও পথচারীদের আটকাতে। কিন্তু ততক্ষণে অসংখ্য যানবাহন ও মানুষ ঢুকে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খায় আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী। মাইকিং, হ্যান্ড মাইকিং করে পুলিশ প্রচারণা চালায় পুরো নগরীতে। বেলা যতই বাড়ে, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে ততই কঠোর হতে দেখা যায়। প্রতিটি যানবাহন আটকিয়ে যাত্রীদের বের হওয়ার কারণ জানতে চায় পুলিশ। তবে যে যার মতো করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বের হওয়ার। উত্তর সঠিক না হওয়ায় অনেক যানবাহন ও মানুষকে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এদিকে যানবাহন বের করার অপরাধে অনেক অটো ও রিকশা আটকিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রাখা হয় জিলা স্কুল মোড়ের রাস্তার পাশে। শাপলা চত্বরে আসা দিনমজুর শফিকুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারে সদস্য পাঁচজন । আমি অচল হলে পরিবারের পাঁচজনই অচল হয়ে যাবে। এ কারণে যদি করোনায় মৃত্যু হলেও আমাকে কাজে যেতে হবে। কারণ পাঁচজনকে তো আমার বাঁচাতে হবে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (ট্রাফিক বিভাগ) সার্জন বদরুল আলম জানান, আমরা সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। কারোর উত্তর সন্তোষজনক না হলে সেই যানবাহন ও যাত্রীকে নগরীতে ঢুকতে দিচ্ছি না।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ আবদুল আলীম মাহমুদ জানান, নগরীর প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশ কাজ করছে। বের হওয়া মানুষজনকে বোঝাচ্ছে। তারপরও যদি কেউ না মানে তাহলে পুলিশ আরো কঠোর হবে। তিনি করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সহযোগিতা করার আহবান জানান। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না আসার কথা বলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইসরায়েলি বর্বরোচিত হামলায় দুই শিশুসহ ‘গর্ভবতী’ মা নিহত

রংপুরে যানবাহন ও মানুষের ভিড় ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ

প্রকাশিত : ০৬:০৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১

রংপুরে সর্বাত্মক লকডাউনের চতুর্থ দিনে শনিবার সড়ক, হাটবাজারে যানবাহন ও মানুষের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। মানুষের উপস্থিতি ঠেকাতে মোড়ে মোড়ে চেক পোস্ট বসিয়েও লোকজনের চলাচল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না পুলিশ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই নগরীতে খাদ্যবাহী ট্রাক ছাড়াও বিপুলসংখ্যক রিকশা, অটোরিকশা, সাইকেল, মোটরসাইকেলে করে মানুষ প্রবেশ করে । এর মধ্যে যারা দিনমজুর তারা সাইকেল নিয়েই কর্মক্ষেত্রে চলে আসে। অনেকেই কাজের সন্ধানে বের হয়। সকাল ৮টার দিকে দেখা যায় মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীর মডার্ন মোড়, লালবাগ, কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল, শাপলা চত্বর, জাহাজ কোম্পানী, কৈলাশ রঞ্জন, কাচারী বাজার, বঙ্গবন্ধু চত্বর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মেডিক্যাল মোড় এলাকায় যানবহান ও পথচারীদের আটকাতে। কিন্তু ততক্ষণে অসংখ্য যানবাহন ও মানুষ ঢুকে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খায় আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী। মাইকিং, হ্যান্ড মাইকিং করে পুলিশ প্রচারণা চালায় পুরো নগরীতে। বেলা যতই বাড়ে, আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে ততই কঠোর হতে দেখা যায়। প্রতিটি যানবাহন আটকিয়ে যাত্রীদের বের হওয়ার কারণ জানতে চায় পুলিশ। তবে যে যার মতো করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বের হওয়ার। উত্তর সঠিক না হওয়ায় অনেক যানবাহন ও মানুষকে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এদিকে যানবাহন বের করার অপরাধে অনেক অটো ও রিকশা আটকিয়ে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত রাখা হয় জিলা স্কুল মোড়ের রাস্তার পাশে। শাপলা চত্বরে আসা দিনমজুর শফিকুল ইসলাম জানান, আমার পরিবারে সদস্য পাঁচজন । আমি অচল হলে পরিবারের পাঁচজনই অচল হয়ে যাবে। এ কারণে যদি করোনায় মৃত্যু হলেও আমাকে কাজে যেতে হবে। কারণ পাঁচজনকে তো আমার বাঁচাতে হবে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (ট্রাফিক বিভাগ) সার্জন বদরুল আলম জানান, আমরা সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। কারোর উত্তর সন্তোষজনক না হলে সেই যানবাহন ও যাত্রীকে নগরীতে ঢুকতে দিচ্ছি না।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ আবদুল আলীম মাহমুদ জানান, নগরীর প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশ কাজ করছে। বের হওয়া মানুষজনকে বোঝাচ্ছে। তারপরও যদি কেউ না মানে তাহলে পুলিশ আরো কঠোর হবে। তিনি করোনা প্রতিরোধে সবাইকে সহযোগিতা করার আহবান জানান। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না আসার কথা বলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ