০৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নেত্রকোনায় কিশোরীকে ধর্ষণ, মামলা দায়ের

নেত্রকোনায় বেড়াতে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কিশোরী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ধর্ষিতা বাদী হয়ে অটোচালক সাব্বিরকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার বরাপাড়া গ্রামের এক কিশোরী তার ভগ্নিপতির বাড়ি মদন উপজেলার কাওয়ালীবিন্নী গ্রামে বেড়াতে আসে। রোববার রাতে ওই কিশোরী তার বোন নাবিয়ার সঙ্গে রাগ করে ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি যাওয়ার জন্য দৌলুতপুর গ্রামের অটোরিকশা চালক সাব্বিরের গাড়িতে ওঠে। এরপর দৌলতপুর গ্রামের কয়েকজন বখাটে তাকে দৌলুতপুর তিয়শ্রী সড়কের স্লুইচ গেটের চিকনি হাওরের পাশে মল্লিক ফকিরের ভক্ত রফিকের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ৪ জন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে।

সোমবার সকালে তিয়শ্রী সড়কে তাকে ফেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে লোকলজ্জার ভয়ে ওই কিশোরী কেন্দুয়া উপজেলার আলমপুর গ্রামে এক বান্ধবীর বাড়িতে আশ্রয় নেয় ও পরে নিজ বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনের কাছে ঘটনা খুলে বলে। এতে অভিভাবকরা মদন থানায় এসে মঙ্গলবার এ মামলাটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানা পুলিশের ওসি মো. শওকত আলী জাগো নিউজকে জানান, এ ব্যাপারে ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ৪ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার একটি মামলা দায়ের করেছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

“বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্যই বাংলাদেশের শক্তি” :উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

নেত্রকোনায় কিশোরীকে ধর্ষণ, মামলা দায়ের

প্রকাশিত : ০৯:১৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

নেত্রকোনায় বেড়াতে এসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক কিশোরী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ধর্ষিতা বাদী হয়ে অটোচালক সাব্বিরকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কেন্দুয়া উপজেলার বরাপাড়া গ্রামের এক কিশোরী তার ভগ্নিপতির বাড়ি মদন উপজেলার কাওয়ালীবিন্নী গ্রামে বেড়াতে আসে। রোববার রাতে ওই কিশোরী তার বোন নাবিয়ার সঙ্গে রাগ করে ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি যাওয়ার জন্য দৌলুতপুর গ্রামের অটোরিকশা চালক সাব্বিরের গাড়িতে ওঠে। এরপর দৌলতপুর গ্রামের কয়েকজন বখাটে তাকে দৌলুতপুর তিয়শ্রী সড়কের স্লুইচ গেটের চিকনি হাওরের পাশে মল্লিক ফকিরের ভক্ত রফিকের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ৪ জন মিলে রাতভর ধর্ষণ করে।

সোমবার সকালে তিয়শ্রী সড়কে তাকে ফেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে লোকলজ্জার ভয়ে ওই কিশোরী কেন্দুয়া উপজেলার আলমপুর গ্রামে এক বান্ধবীর বাড়িতে আশ্রয় নেয় ও পরে নিজ বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনের কাছে ঘটনা খুলে বলে। এতে অভিভাবকরা মদন থানায় এসে মঙ্গলবার এ মামলাটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় কেন্দুয়া থানা পুলিশের ওসি মো. শওকত আলী জাগো নিউজকে জানান, এ ব্যাপারে ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ৪ ধর্ষকের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার একটি মামলা দায়ের করেছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।