০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বেড়েছে দৌলতপুরের কৃষকদের

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সূর্যমুখী চাষ প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম খরচে লাভ বেশী হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে কৃষকদেরও আগ্রহ বেড়েছে। কৃষকের আর্থিক চাহিদা পুরণের পাশাপাশি সূর্যমুখীর তেল পারিবারিক চাহিদাও মিটিয়ে থাকে। তামাক চাষ থেকে মুখ ফেরাতে কৃষকদের পরামর্শ ও বিভিন্ন ধরণের সহায়তা দিচ্ছেন কৃষি বিভাগ। কুষ্টিয়ায় চলতি মৌসুমে ৩৩ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ হেক্টর জমি। লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে বেশী চাষ হয়েছে যার অর্ধেকই দৌলতপুরে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সূর্যমুখীর চাষও ভাল হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের খরচ হয়েছে মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর প্রতিবিঘা জমি থেকে ৭-৮ মন সূর্যমুখীর বীজ সংগ্রহ হচ্ছে। মাত্র ৯০-১০৫ দিনের ব্যবধানে খরচ বাদ দিয়ে কৃষকদের বিঘা প্রতি আয় হয় ২০-২৫ হাজার টাকা। তাই ক্ষতিকর তামাক চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে কৃষকরা সূর্যমুখী চাষে ঝুকেছেন। ইতোমধ্যে কৃষকরা মাঠ থেকে সূর্যমুখীর বীজ সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন। ফলনও ভাল হওয়ায় খুশি তারা।

দৌলতপুরের সিরাজনগর সদরঘাট এলাকার কৃষক তোফাজ্জেল হোসেন জানান, এবছর সে ১০ বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছে। মাঠ থেকে সূর্যমুখীর বীজ সংগ্রহ শুরু হয়েছে তার। বিঘা প্রতি ফলন ৮ মন হারে হওয়ায় খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি গড়ে ২০ হাজার টাকা করে লাভ হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। গোয়াল গ্রামের কৃষক কামরুল জানান, তার দুই বিঘা জমি থেকে ১৬ মন সূর্যমুখীর বীজ সংগ্র হয়েছে। খরচ বাদ দিয়ে তার ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূর্যমুখী চাষ বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ সহ সর্বধরণের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বেড়েছে দৌলতপুরের কৃষকদের

প্রকাশিত : ০২:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সূর্যমুখী চাষ প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে। কম খরচে লাভ বেশী হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে কৃষকদেরও আগ্রহ বেড়েছে। কৃষকের আর্থিক চাহিদা পুরণের পাশাপাশি সূর্যমুখীর তেল পারিবারিক চাহিদাও মিটিয়ে থাকে। তামাক চাষ থেকে মুখ ফেরাতে কৃষকদের পরামর্শ ও বিভিন্ন ধরণের সহায়তা দিচ্ছেন কৃষি বিভাগ। কুষ্টিয়ায় চলতি মৌসুমে ৩৩ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০ হেক্টর জমি। লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে বেশী চাষ হয়েছে যার অর্ধেকই দৌলতপুরে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় সূর্যমুখীর চাষও ভাল হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের খরচ হয়েছে মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। আর প্রতিবিঘা জমি থেকে ৭-৮ মন সূর্যমুখীর বীজ সংগ্রহ হচ্ছে। মাত্র ৯০-১০৫ দিনের ব্যবধানে খরচ বাদ দিয়ে কৃষকদের বিঘা প্রতি আয় হয় ২০-২৫ হাজার টাকা। তাই ক্ষতিকর তামাক চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে কৃষকরা সূর্যমুখী চাষে ঝুকেছেন। ইতোমধ্যে কৃষকরা মাঠ থেকে সূর্যমুখীর বীজ সংগ্রহ করতে শুরু করেছেন। ফলনও ভাল হওয়ায় খুশি তারা।

দৌলতপুরের সিরাজনগর সদরঘাট এলাকার কৃষক তোফাজ্জেল হোসেন জানান, এবছর সে ১০ বিঘা জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করেছে। মাঠ থেকে সূর্যমুখীর বীজ সংগ্রহ শুরু হয়েছে তার। বিঘা প্রতি ফলন ৮ মন হারে হওয়ায় খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি গড়ে ২০ হাজার টাকা করে লাভ হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। গোয়াল গ্রামের কৃষক কামরুল জানান, তার দুই বিঘা জমি থেকে ১৬ মন সূর্যমুখীর বীজ সংগ্র হয়েছে। খরচ বাদ দিয়ে তার ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা লাভ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূর্যমুখী চাষ বৃদ্ধিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ সহ সর্বধরণের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম।