০৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

পাটকেলঘাটার সিরাজ মোড়লের পায়ে পচন

জীবনে কে না বেঁচে থাকতে চাই।সে জীবন যদি হয় প্রতিক্ষণে প্রতিমূহুর্তে মৃত্যু যন্ত্রণার তাহলে কি বেঁচে থাকতে ইচ্ছে হয়! হ্যঁ বেঁচে থাকার সমাজের বিত্তবান সহ সামাজিক সংগঠন ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছেন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সিরাজুল মোড়ল (৫৫)।সে সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার বাইগুনি গ্রামের মৃত আবেদ আলি মোড়লের ছেলে।গত পাঁচবছর পূর্বে যখন ভ্যানগাড়ি চালিয়ে অতি দরিদ্র পারিবারের মুখে আহার যোগাতো।একদিন ভ্যানের প্যাডেল থেকে পা স্লিপ করে ভাগ্যের চাঁকা যে তাকে আজ সর্বশান্ত করবে তা কখনও ভাবতে পারিনি।সামান্য ডান পায়ের একটু আঘাতে আজ তাঁর পা টা কেঁটে বাদ দিতে হবে।

স্ত্রী মারা গেছে।২ টি কন্যা তাঁদের ও বিয়ে হয়েছে।এ দিকে নিজের ভিটাবাড়ি যা ছিল সব বিক্রি করে করে চিকিৎসার পিছনে ব্যয় হয়ে গেছে।বেশিরভাগ সময় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেঝেতে পড়ে থাকতো সিরাজুল।ফ্রি চিকিৎসা ও ২ মুঠো ভাতের জন্য।সেখানে তাঁর চিকিৎসার কোন উন্নতি না হওয়ায় অর্থোপেডিকস্ এর ডাঃ হাফিজুল্লাহ জানিয়েছেন তাঁর পা কেঁটে বাদ দিতে হবে।কেননা তাঁর পায়ে পচন ধরেছে।যদি পা কেঁটে বাদ না দেওয়া হয় তবে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সে জন্য টাকার দরকার।

যা অনেক রিস্ক। রিস্ক এড়াতে টাকার দরকার আছে। তাই বাড়িতে এসে নিজের থাকার যায়গা না থাকায় ছোট ভাইয়ের বারান্দায় থাকে।ছোটভাই ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে।বিত্তবান তথা সামাজিক সংগঠনগুলো আজ মানুষের জন্য কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।সে জন্য সিরাজ মোড়ল সামাজিক সংগঠন সহ বিত্তবানদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। যোগাযোগ- ০১৭১০১৮৩৮২১

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

পাটকেলঘাটার সিরাজ মোড়লের পায়ে পচন

প্রকাশিত : ০৬:০৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মে ২০২১

জীবনে কে না বেঁচে থাকতে চাই।সে জীবন যদি হয় প্রতিক্ষণে প্রতিমূহুর্তে মৃত্যু যন্ত্রণার তাহলে কি বেঁচে থাকতে ইচ্ছে হয়! হ্যঁ বেঁচে থাকার সমাজের বিত্তবান সহ সামাজিক সংগঠন ও জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছেন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সিরাজুল মোড়ল (৫৫)।সে সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার বাইগুনি গ্রামের মৃত আবেদ আলি মোড়লের ছেলে।গত পাঁচবছর পূর্বে যখন ভ্যানগাড়ি চালিয়ে অতি দরিদ্র পারিবারের মুখে আহার যোগাতো।একদিন ভ্যানের প্যাডেল থেকে পা স্লিপ করে ভাগ্যের চাঁকা যে তাকে আজ সর্বশান্ত করবে তা কখনও ভাবতে পারিনি।সামান্য ডান পায়ের একটু আঘাতে আজ তাঁর পা টা কেঁটে বাদ দিতে হবে।

স্ত্রী মারা গেছে।২ টি কন্যা তাঁদের ও বিয়ে হয়েছে।এ দিকে নিজের ভিটাবাড়ি যা ছিল সব বিক্রি করে করে চিকিৎসার পিছনে ব্যয় হয়ে গেছে।বেশিরভাগ সময় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেঝেতে পড়ে থাকতো সিরাজুল।ফ্রি চিকিৎসা ও ২ মুঠো ভাতের জন্য।সেখানে তাঁর চিকিৎসার কোন উন্নতি না হওয়ায় অর্থোপেডিকস্ এর ডাঃ হাফিজুল্লাহ জানিয়েছেন তাঁর পা কেঁটে বাদ দিতে হবে।কেননা তাঁর পায়ে পচন ধরেছে।যদি পা কেঁটে বাদ না দেওয়া হয় তবে তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। সে জন্য টাকার দরকার।

যা অনেক রিস্ক। রিস্ক এড়াতে টাকার দরকার আছে। তাই বাড়িতে এসে নিজের থাকার যায়গা না থাকায় ছোট ভাইয়ের বারান্দায় থাকে।ছোটভাই ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে।বিত্তবান তথা সামাজিক সংগঠনগুলো আজ মানুষের জন্য কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।সে জন্য সিরাজ মোড়ল সামাজিক সংগঠন সহ বিত্তবানদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। যোগাযোগ- ০১৭১০১৮৩৮২১

 

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ