কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সোনালী ব্যাংকে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ গত রবিবার তাদের ঈদ বোনাস ও মাসিক বেতনের টাকা উত্তোলন করতে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সকাল ১০.০০ঘটিকার আগেই গ্রাহকরা ব্যাংকে জমায়েত হতে থাকে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ টাকা লেনদেনের কাজ শুরু করলেও মাত্র একটি ক্যাশ কাউন্টারে ধীর গতিতে টাকা প্রদান করেন। মাত্র ১ঘন্টার মধ্যে ঘোষনা আসে ব্যাংকে টাকা নাই। উপস্থিত গ্রাহকবৃন্দ বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যান। এ সময় গ্রাহকগনকে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ অবস্থায় ভ্যাবসা গরমে চাপাচাপি করে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। মাঝে মধ্যেই পিয়ন রুবেল, এরশাদ ও নয়াকে গ্রাহকের নিকট থেকে টাকার বিনিময়ে চেক ভাঙ্গিয়ে ক্যাশ কাউন্টার থেকে টাকা এনে গ্রাহকের নিকট প্রদান করতে দেখা গেছে মর্মে অভিযোগ রয়েছে। অবশেষে সোয়া ১২ টার দিকে পূণরায় টাকা প্রদান শুরু করা হয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহকের স্বাস্থ্য বিধির তোয়াক্কা না করেই করোনাকালীন ব্যাংক পরিচালনা করছেন। গ্রাহক আনোয়ারুল ইসলাম জানান তাদের চেক ডেবিট হলেও সাড়ে তিন ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছেন বেতন বোনাসের টাকার উত্তোলনের জন্য। পুরাতন সাউন্ড বক্সের চেনচেনানি শব্দে ভিড়ের মাঝে ক্যাশ কাউন্টার থেকে কখন কার নাম ডাকে তা বোঝা যায় না। একজনের উপরে আর একজন হুমরি খেয়ে পড়ছেন। এমতাবস্থায় বিকেল ২.২৫মিনিটে গ্রাহকগণের মাথার উপরের ফ্যান ঝুলানো তারে আটকে গিয়ে পড়ার উপক্রম হয়। জনৈক্য শিক্ষিকা এ প্রতিনিধিকে জানান তার চেকটি একজন ব্যাংক কর্মকর্তার নিকট ডেবিটের জন্য দিলেও পরবর্তিতে চেকটি হারিয়ে গেছে মর্মে অভিযোগ করেন। লোন অফিসার রাজু মিয়ার বিরুদ্ধেও গ্রাহকের লোনের কিস্তির টাকা গোপনে সুবিধা নিয়ে না কাটার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া যায়। শিক্ষক গাফ্ফার, আনোয়ার, হারুনুর রশিদ প্রমুখ জানান ব্যাংকের সার্বিক অব্যবস্থাপনা এবং কর্মকর্তা কর্মচারীদের একগুয়েমির কারনে ব্যাংক গ্রাহকগণ চরম হয়রানীর স্বীকার হচ্ছেন। এ বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ




















