ভোলা সদর উপজেলার ঘুইংগারহাট বাজার যাত্রীবাহী বাসের সাথে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫ আহত অন্তত ২০ জন।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলা বাজার ভোলা টু চরফ্যাশন মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময আহত হন অনেকেই।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোলা থেকে ছেড়ে আসা বিসমিল্লাহ ঢাকা মেট্রো-ব (১১৩৮৪১) নম্বরের বাসটি চরফ্যাশনের উদ্দেশ্যে ঘুইংগারহাট বাজারের কাছাকাছি আসলে বেপরোয়া গতির ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভোলাগামী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়, এতেকরে ঘটনাস্থলে ৩ জন মারা যান, এবং পরে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর আরো ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
নিহতরা হলেন, মো. আজিজুল ইসলাম (৪০), মো. মিরাজ (৩০) ও মো. সোহাগ (১২)। তারা সবাই ভোলা সদর উপজেলার উক্তর দিঘলদী ইউনিয়নের কমরউদ্দিন গ্রামের বাসিন্দা।তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।
আহত বাকিদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
অপরদিকে ঘুইংগারহাট বাজারের সাধারণ মানুষ, বাজার ব্যবসায়ী ও অটো চালকদের দাবি ভোলার বাস মালিক সমিতি ভোলার শত শত সাধারণ মানুষ ও অটো চালকদের জিম্মি করে রেখেছে যুগ যুগ ধরে। তবে কেউ মুখ খুলছে না, প্রতিনিয়ত বাস ড্রাইবারদের উদাসিনতায় ঝড়ে যায় তাজা তাজা প্রান তবে ১০/১৫ হাজারের বিনিময় রফাদফা হয়, এমনকি সাম্প্রতিক কিছু এক্সিডেন্ট বাস মালিকরা পুলিশকে ম্যানেজ করেই লাশ হস্তান্তর করেছে।
স্হানীয় অটোরিক্সা ড্রাইবারদের দাবি তাদের ভোলা টু চরফ্যাশন মহাসড়কে এইভাবেই অনেক নির্যাতন করে! এই রোডে তাদের অটো চলতে দেওয়া হবে না এবং এইভাবেই বাস চাপা দিয়ে তাদের প্রতিনিয়ত হত্যা করার ভয় দেখায় যেন তারা এই রোডে আর অটো না চালায়।
কিছুসময় জনগন এই ঘাতক বাস ড্রাইভারের ফাঁশি চায়!এবং তাদের প্রতিটি পরিবার যেন ক্ষতি পুরন পায় এ জন্য ভোলা টু চরফ্যাশন মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে।পরে পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভোলার ওসি এনায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় ৫ জনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বাসটি জব্দ করা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















