০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

উদ্বোধনের অপেক্ষায় জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়ক

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির বাস্তবায়নে ২৫কোটি টাকা ব্যায়ে পুন: নির্মিত জগন্নাথপুর-বিশ^নাথ-রশিদপুর সড়কের জগন্নাথপুর উপজেলার ১৩ কিলোমিটার দৃষ্ঠি নন্দন সড়কটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। বহুল প্রত্যাশিত সড়কটি পুন:নির্মিত হওয়ায় উপজেলাবাসীর মধ্যে অনেকটাই আনন্দের সৃষ্ঠি হয়েছে।
উপজেলাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবীর প্রেক্ষিতে জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে পুনর্বাসনকৃত সদ্য সমাপ্ত হওয়া জগন্নাথপুর-বিশ^নাথ-রশিদপুর সড়কের জগন্নাথপুর উপজেলার ১৩ কিলোমিটার অংশে দৃষ্টিনন্দন এই সড়কটি শীঘ্রই উদ্বোধন করা হবে বলে এলজিইডি অফিস সূত্রে জানাগেছে।

সূত্র আরো জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারনে সড়কটি উদ্বোধনে বিলম্বিত হচ্ছে। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ সড়কটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সড়কটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের তারিখ এবং নির্ধারনের কথা জানিয়েছেন এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার।
জগন্নাথপুর উপজেলাসহ আশ-পাশ উপজেলার জনসাধারন সিলেট বিভাগের সাথে যোগাযোগের একমাত্র এই সড়কটি প্রায় এক যুগ ধরে খানা খন্দকের ফলে যানচলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়ে। মাঝে মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্তৃক সড়কটির মেরামত কাজ করলেও বছর যেতে না যেতেই সড়কটি পুনরায় যান চলাচলে বিঘœ সৃষ্ঠি হত। এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, সড়কটি প্রকল্প পরিকল্পনায় অর্ন্তভূক্ত না থাকায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যায়ে পুন:নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে ২০১৯ সালে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো: খলিলুর রহমান, সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো: মহসিন এবং সুনামগঞ্জের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন এর প্রচেষ্ঠায় বিশ^ ব্যাংকের সম্মতিক্রমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটি ডিপিপিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

সেই মোতাবেক বাংলাদেশ সরকার ও বিশ^ ব্যাংক আইডিএ এর অর্থায়নে সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রোভমেন্ট প্রজেক্ট (আরটি আপি-২) প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ কোটি ৮ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৭৩ টাকা চুক্তিমূল্যে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সড়কটি পুনর্বাসন কাজের জন্য এলজিইডি কর্তৃক দরপত্র আহবান করা হয়। এতে মাদারিপুর সদরের কুলপাদ্দি হামীম-সালেহ (জেভি) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি পেয়ে থাকেন।

পরবর্তীতে ২০২০সালের ১০ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হয়ে ২০২১সালের ৩১ মার্চ সড়কটির কাজ সমাপ্তির তারিখ নির্ধারণ পূর্বক এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। কার্যাদেশ অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ১৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সড়কটির পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দক্ষ জনবল, গুনগত মানের মালামাল ব্যবহারের মাধ্যমে এবং এলজিইডি জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আমির হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাছ উদ্দিন আহমেদ এর যৌথ তদারকিতে সড়কটির ৫টি বক্্র কালভার্ট পুন:নির্মাণ, ১ কিলোমিটার সড়কের আরসিসি কাজ সহ সড়কটির কাজ সম্পন্ন করা হয়।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ^ ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রোভমেন্ট প্রজেক্টের এডিশনাল ফাইন্যান্সিং এর আওতায় জগন্নাথপুর উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জগন্নাথপুর-বিশ^নাথ সড়কের উপজেলা সদর থেকে কেউনবাড়ি এলাকা পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার অংশের পুনর্বাসন কাজ এলজিইডির তদারকি কর্মকর্তা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আমির হোসেন ও আব্বাছ উদ্দিন আহমদের সুষ্ঠু তদারকিতে কাজের প্রাক্কলন অনুযায়ি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হামীম-সালেহ (জেভি) সড়কের পুনর্বাসন কাজ সম্পন্ন করেন। সড়কটির কাজ সম্পন হওয়ার পর এটি একটি দৃষ্ঠি নন্দন সড়কে রূপ নেয়।

এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, সড়কটির পুনর্বাসন কাজ সমাপ্তির পর ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ঠিম সড়কটি পরিদর্শন শেষে সংস্কার কাজের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এদিকে দীর্ঘদিন পর সড়কটির পুনর্বাসন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় উপজেলার জনসাধারণ অনেকটাই আনন্দিত হয়ে দৃষ্ঠি নন্দন এই সড়কটির কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় হাওররত্ম পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এছাড়াও মিরপুর ইউনিয়নের সমাজসেবক বাবুল মিয়া জানান, সৌন্দর্য্য বর্ধনের মাধ্যমে সড়কটির কাজ বাস্তবায়ন হওয়ায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং সড়কের সংশ্লিষ্ঠ প্রকৌশলীদের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দরপত্রের প্রাক্কলন অনুযায়ি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কটির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। শীঘ্রই পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মহোদয় সড়কটি উদ্বোধন করবেন। সড়কটির কাজ সম্পন্ন হওয়ায় উপজেলাবাসী যাতায়াত ব্যবস্থায় উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মাহবুব আলম জানান, সড়কটির ১৩ কিলোমিটার অংশে পুনর্বাসন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। এছাড়াও স্বল্প সময়ে বিভাগীয় শহর সিলেটে যাতায়াতে উপজেলাবাসী সহ আশ-পাশ উপজেলার জনসাধারণ উপকৃত হয়েছে। তিনি আরো জানান এলজিইডির আওতাধীন অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ন সড়কগুলো পুন: নির্মাণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইউরেনিয়াম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

উদ্বোধনের অপেক্ষায় জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ সড়ক

প্রকাশিত : ০৬:০৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির বাস্তবায়নে ২৫কোটি টাকা ব্যায়ে পুন: নির্মিত জগন্নাথপুর-বিশ^নাথ-রশিদপুর সড়কের জগন্নাথপুর উপজেলার ১৩ কিলোমিটার দৃষ্ঠি নন্দন সড়কটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। বহুল প্রত্যাশিত সড়কটি পুন:নির্মিত হওয়ায় উপজেলাবাসীর মধ্যে অনেকটাই আনন্দের সৃষ্ঠি হয়েছে।
উপজেলাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবীর প্রেক্ষিতে জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২৫ কোটি টাকা ব্যায়ে পুনর্বাসনকৃত সদ্য সমাপ্ত হওয়া জগন্নাথপুর-বিশ^নাথ-রশিদপুর সড়কের জগন্নাথপুর উপজেলার ১৩ কিলোমিটার অংশে দৃষ্টিনন্দন এই সড়কটি শীঘ্রই উদ্বোধন করা হবে বলে এলজিইডি অফিস সূত্রে জানাগেছে।

সূত্র আরো জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারনে সড়কটি উদ্বোধনে বিলম্বিত হচ্ছে। পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ সড়কটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সড়কটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের তারিখ এবং নির্ধারনের কথা জানিয়েছেন এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার।
জগন্নাথপুর উপজেলাসহ আশ-পাশ উপজেলার জনসাধারন সিলেট বিভাগের সাথে যোগাযোগের একমাত্র এই সড়কটি প্রায় এক যুগ ধরে খানা খন্দকের ফলে যানচলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়ে। মাঝে মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি কর্তৃক সড়কটির মেরামত কাজ করলেও বছর যেতে না যেতেই সড়কটি পুনরায় যান চলাচলে বিঘœ সৃষ্ঠি হত। এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, সড়কটি প্রকল্প পরিকল্পনায় অর্ন্তভূক্ত না থাকায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যায়ে পুন:নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে ২০১৯ সালে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো: খলিলুর রহমান, সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো: মহসিন এবং সুনামগঞ্জের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন এর প্রচেষ্ঠায় বিশ^ ব্যাংকের সম্মতিক্রমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সড়কটি ডিপিপিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

সেই মোতাবেক বাংলাদেশ সরকার ও বিশ^ ব্যাংক আইডিএ এর অর্থায়নে সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রোভমেন্ট প্রজেক্ট (আরটি আপি-২) প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ কোটি ৮ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৭৩ টাকা চুক্তিমূল্যে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সড়কটি পুনর্বাসন কাজের জন্য এলজিইডি কর্তৃক দরপত্র আহবান করা হয়। এতে মাদারিপুর সদরের কুলপাদ্দি হামীম-সালেহ (জেভি) ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি পেয়ে থাকেন।

পরবর্তীতে ২০২০সালের ১০ ফেব্রুয়ারী থেকে শুরু হয়ে ২০২১সালের ৩১ মার্চ সড়কটির কাজ সমাপ্তির তারিখ নির্ধারণ পূর্বক এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। কার্যাদেশ অনুযায়ী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ১৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে সড়কটির পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেন।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দক্ষ জনবল, গুনগত মানের মালামাল ব্যবহারের মাধ্যমে এবং এলজিইডি জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আমির হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্বাছ উদ্দিন আহমেদ এর যৌথ তদারকিতে সড়কটির ৫টি বক্্র কালভার্ট পুন:নির্মাণ, ১ কিলোমিটার সড়কের আরসিসি কাজ সহ সড়কটির কাজ সম্পন্ন করা হয়।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ^ ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রোভমেন্ট প্রজেক্টের এডিশনাল ফাইন্যান্সিং এর আওতায় জগন্নাথপুর উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন জগন্নাথপুর-বিশ^নাথ সড়কের উপজেলা সদর থেকে কেউনবাড়ি এলাকা পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার অংশের পুনর্বাসন কাজ এলজিইডির তদারকি কর্মকর্তা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আমির হোসেন ও আব্বাছ উদ্দিন আহমদের সুষ্ঠু তদারকিতে কাজের প্রাক্কলন অনুযায়ি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হামীম-সালেহ (জেভি) সড়কের পুনর্বাসন কাজ সম্পন্ন করেন। সড়কটির কাজ সম্পন হওয়ার পর এটি একটি দৃষ্ঠি নন্দন সড়কে রূপ নেয়।

এলজিইডি সূত্রে জানাযায়, সড়কটির পুনর্বাসন কাজ সমাপ্তির পর ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ঠিম সড়কটি পরিদর্শন শেষে সংস্কার কাজের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এদিকে দীর্ঘদিন পর সড়কটির পুনর্বাসন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় উপজেলার জনসাধারণ অনেকটাই আনন্দিত হয়ে দৃষ্ঠি নন্দন এই সড়কটির কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় হাওররত্ম পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান।
এছাড়াও মিরপুর ইউনিয়নের সমাজসেবক বাবুল মিয়া জানান, সৌন্দর্য্য বর্ধনের মাধ্যমে সড়কটির কাজ বাস্তবায়ন হওয়ায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং সড়কের সংশ্লিষ্ঠ প্রকৌশলীদের প্রতি অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এলজিইডির জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দরপত্রের প্রাক্কলন অনুযায়ি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কটির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। শীঘ্রই পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মহোদয় সড়কটি উদ্বোধন করবেন। সড়কটির কাজ সম্পন্ন হওয়ায় উপজেলাবাসী যাতায়াত ব্যবস্থায় উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মাহবুব আলম জানান, সড়কটির ১৩ কিলোমিটার অংশে পুনর্বাসন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। এছাড়াও স্বল্প সময়ে বিভাগীয় শহর সিলেটে যাতায়াতে উপজেলাবাসী সহ আশ-পাশ উপজেলার জনসাধারণ উপকৃত হয়েছে। তিনি আরো জানান এলজিইডির আওতাধীন অন্যান্য জনগুরুত্বপূর্ন সড়কগুলো পুন: নির্মাণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ ইমরান মাসুদ