০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

করোনায় প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, করোনা মহামারিতে বেশিরভাগ দেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনও প্রত্যাশিত আয়ু এক ধাক্কায় এতটা কমেনি। আজ সোমবার এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়। ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, চিলিসহ ২৯টি দেশের তথ্য নিয়ে এ গবেষণা করা হয়েছে।

ফলাফলে দেখা গেছে, যে ২৯টি দেশের তথ্য নিয়ে এ গবেষণা করা হয়েছে তার মধ্যে ২৭টি দেশেই প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে। এর মধ্যে ২২টি দেশে ২০২০ সালে প্রত্যাশিত গড় আয়ু ২০১৯ সালের তুলনায় কমে গেছে ছয় মাসের বেশি। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, এসবে দেশে প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমে আসার বিষয়টি কভিডে মৃত্যুর হিসাবের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদনের সহ লেখক ড. রিধি কাশ্যপ বলেন, কভিড-১৯ বিভিন্ন দেশে কতটা মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে, সে চিত্রই উঠে এসেছে আমাদের এই গবেষণার ফলাফলে।

বেশিরভাগ দেশের ক্ষেত্রে নারীদের তুলনায় পুরুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে বেশি মাত্রায়। যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু ২০১৯ সালের চেয়ে ২.২ বছর কমে গেছে, যা এ গবেষণার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ১৫টি দেশে পুরুষদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু মোটামুটি এক বছরের মত কমে গেছে। নারীদের ক্ষেত্রে একই ফলাফল পাওয়া গেছে ১১টি দেশে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, মৃত্যুহার কমিয়ে আনতে গত ৫.৬ বছরে যে অগ্রগতি হয়েছিল, কভিড মহামারি তা মুছে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ৬০ বছরের কম বয়সী এবং যে বয়সে মানুষ কাজ করে, সেই বয়স শ্রেণির মধ্যে। আবার ইউরোপে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুহার বেড়েছে।

সূত্র: ফাইনানশিয়াল টাইমস।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

করোনায় প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে

প্রকাশিত : ০৫:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, করোনা মহামারিতে বেশিরভাগ দেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কখনও প্রত্যাশিত আয়ু এক ধাক্কায় এতটা কমেনি। আজ সোমবার এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়। ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র, চিলিসহ ২৯টি দেশের তথ্য নিয়ে এ গবেষণা করা হয়েছে।

ফলাফলে দেখা গেছে, যে ২৯টি দেশের তথ্য নিয়ে এ গবেষণা করা হয়েছে তার মধ্যে ২৭টি দেশেই প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে। এর মধ্যে ২২টি দেশে ২০২০ সালে প্রত্যাশিত গড় আয়ু ২০১৯ সালের তুলনায় কমে গেছে ছয় মাসের বেশি। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, এসবে দেশে প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমে আসার বিষয়টি কভিডে মৃত্যুর হিসাবের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদনের সহ লেখক ড. রিধি কাশ্যপ বলেন, কভিড-১৯ বিভিন্ন দেশে কতটা মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে, সে চিত্রই উঠে এসেছে আমাদের এই গবেষণার ফলাফলে।

বেশিরভাগ দেশের ক্ষেত্রে নারীদের তুলনায় পুরুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু কমেছে বেশি মাত্রায়। যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু ২০১৯ সালের চেয়ে ২.২ বছর কমে গেছে, যা এ গবেষণার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ১৫টি দেশে পুরুষদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু মোটামুটি এক বছরের মত কমে গেছে। নারীদের ক্ষেত্রে একই ফলাফল পাওয়া গেছে ১১টি দেশে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, মৃত্যুহার কমিয়ে আনতে গত ৫.৬ বছরে যে অগ্রগতি হয়েছিল, কভিড মহামারি তা মুছে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ৬০ বছরের কম বয়সী এবং যে বয়সে মানুষ কাজ করে, সেই বয়স শ্রেণির মধ্যে। আবার ইউরোপে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুহার বেড়েছে।

সূত্র: ফাইনানশিয়াল টাইমস।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর