০৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

হাজীগঞ্জে নামাজের সেজদারত অবস্থায় মুসুল্লীর মৃত্যু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে নামাজে সেজদারত অবস্থায় মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫) নামের একজন মুসুল্লী মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৮নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের কাজী বাড়ি জামে মসজিদে মাগরিবের ফরজ নামাজের সেজদারত অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত মো. জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামের মনির স্যারের বাড়ির মুকছুদ আলীর ছেলে। পেশায় তিনি সিএনজিচালিত স্কুটারের চালক। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ নাতি-নাতনি রয়েছে। জানা গেছে, তিনি একজন ধর্মভীরু ও পরহেজগার ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, মসজিদটি কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এলাকাবাসীর পাশাপাশি বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রী ও পথচারীরা নামাজ পড়ে থাকেন। এদিন মাগরিবের নামাজের সময় হলে একটি সিএনজিচালিত স্কুটারের চালক, যাত্রী ও পথচারীরা নামাজ পড়তে মসজিদে প্রবেশ করেন।

এরপর ইমামের সাথে মাগরিবের ফরজ নামাজ পড়াকালীন সময়ে এক ব্যক্তি নামাজের সেজদায় গিয়ে পড়ে থাকেন। সেজদা লম্বা হওয়ায় এবং ইমামের সাথে সালাম না ফেরানোর কারণে তার পাশের মুসল্লিরা লোকটিকে সামান্য নাড়া দিতেই তিনি ঢলে পড়ে যান। পরে তারা বুঝতে পারেন, সেজদারত অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর কাজী কবির হোসেন বলেন, মাগরিবের ফরজ তিন রাকাত নামাজ পড়াকালীন সময়ে সেজদারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন একজন মুসুল্লী। পরে খবর পেয়ে তার পরিবারের লোকজন ও নিকট আত্মীয়-স্বজন ঘটনাস্থলে এসে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায়।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

হাজীগঞ্জে নামাজের সেজদারত অবস্থায় মুসুল্লীর মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৫:২২:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অক্টোবর ২০২১

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে নামাজে সেজদারত অবস্থায় মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫) নামের একজন মুসুল্লী মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৮নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের কাজী বাড়ি জামে মসজিদে মাগরিবের ফরজ নামাজের সেজদারত অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত মো. জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের মালিগাঁও গ্রামের মনির স্যারের বাড়ির মুকছুদ আলীর ছেলে। পেশায় তিনি সিএনজিচালিত স্কুটারের চালক। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ নাতি-নাতনি রয়েছে। জানা গেছে, তিনি একজন ধর্মভীরু ও পরহেজগার ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, মসজিদটি কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে হওয়ায় এলাকাবাসীর পাশাপাশি বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রী ও পথচারীরা নামাজ পড়ে থাকেন। এদিন মাগরিবের নামাজের সময় হলে একটি সিএনজিচালিত স্কুটারের চালক, যাত্রী ও পথচারীরা নামাজ পড়তে মসজিদে প্রবেশ করেন।

এরপর ইমামের সাথে মাগরিবের ফরজ নামাজ পড়াকালীন সময়ে এক ব্যক্তি নামাজের সেজদায় গিয়ে পড়ে থাকেন। সেজদা লম্বা হওয়ায় এবং ইমামের সাথে সালাম না ফেরানোর কারণে তার পাশের মুসল্লিরা লোকটিকে সামান্য নাড়া দিতেই তিনি ঢলে পড়ে যান। পরে তারা বুঝতে পারেন, সেজদারত অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর কাজী কবির হোসেন বলেন, মাগরিবের ফরজ তিন রাকাত নামাজ পড়াকালীন সময়ে সেজদারত অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন একজন মুসুল্লী। পরে খবর পেয়ে তার পরিবারের লোকজন ও নিকট আত্মীয়-স্বজন ঘটনাস্থলে এসে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায়।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর