০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

সবুজের মাঝে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন , আমন চাষ ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ হেক্টর

শষ্য ভান্ডার খ্যাত যশোরের মাঠে মাঠে এখন আমন ধানের সবুজের সমারোহ। ভাল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বর্ষার পানি পাওয়ায় আমন ধানের ক্ষেত যেন এবার হাসছে। চারিদিক জুড়ে এখন শুধু সবুজ আর সবুজ। মাঠের পর মাঠে ঠিক যেন এক সবুজ দিগন্ত। মাঠ ভরে গেছে আমন ধানে। ধান দ্রুত বেড়ে উঠছে। হালকা বাতাসে দোল খাচ্ছে আমন ধান। দুলছে কৃষকদের মন । সবুজের মাঝে লুকিয়ে আছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। গাঢ় সবুজের মাঠ দেখে শুধু কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তা নয়, সবাই খুশি। আশায় দিন গুনছেন তারা কবে কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পারবে। নিজেদের স্বপ্ন সোনা হয়ে ফললে তবেই স্বস্তি কৃষককুলের।
যশোরে জেলা এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে এ মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। এ মধ্যে হাইব্রীড ৯ হাজার ১১৭, উফসী ১ লাখ ২৮হাজার ৪৪৩ ও দেশী ১৩৮৫ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। আর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই কৃষক তাদের কাঙ্খিত আমন ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবেন।
যশোর সদরের বিরামপুরের ধানচাষি ওয়াহিদ বলেন, আমার ৩ বিঘা জমি আছে। এবার ৩ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি। আশা করছি ভালো ফলন ও ভালো দাম পাবো।
যশোরে কেশবপুরে গোপসেনা গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি গরিব মানুষ, চার বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেছি। আমার জমিতে আমন চাষ ভাল হয়েছে। প্রতিদিন ধান ক্ষেতে আসি আর স্বপ্ন দেখি। সুখে দিন আসছে।
যশোরের মনিরামপুরের রোহিতা ইউনিয়নের মোহাম্মদ লিটন, বাবুল আক্তার, কেশবপুরের বাশবাড়িয়া গ্রামের সবুর সরদার, মিঠু, হায়দারসহ বেশ কয়েকজন কৃষক মাঠে ধান পরিচর্যার সময় অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানালেন আমন আবাদ পরিস্থিতি খুবই ভালো। অনেক মাঠে দেখা গেছে চাষিদের সাথে তাদের পরিবার-পরিজনও ধান পরিচর্যা করছেন এক বুক আশা নিয়ে।
কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, গতবারের চেয়ে এবার আমন চাষে কৃষকের আগ্রহ বেশি। জেলায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে । আবহাওয়া ভাল এবং বর্ষার পানিতে কোথাও ধান ডুবে যায়নি। আমন চাষের জন্য যে পরিমাণ বর্ষার পানি জমিতে থাকা দরকার তা রয়েছে। উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের পরামর্শসহ সকল সহযোগীতা করেছে। আশা করছি কৃষকরা ঘরে ভাল ফলন তুলতে পারবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

সবুজের মাঝে দুলছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন , আমন চাষ ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ হেক্টর

প্রকাশিত : ০৩:৫২:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অক্টোবর ২০২১

শষ্য ভান্ডার খ্যাত যশোরের মাঠে মাঠে এখন আমন ধানের সবুজের সমারোহ। ভাল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বর্ষার পানি পাওয়ায় আমন ধানের ক্ষেত যেন এবার হাসছে। চারিদিক জুড়ে এখন শুধু সবুজ আর সবুজ। মাঠের পর মাঠে ঠিক যেন এক সবুজ দিগন্ত। মাঠ ভরে গেছে আমন ধানে। ধান দ্রুত বেড়ে উঠছে। হালকা বাতাসে দোল খাচ্ছে আমন ধান। দুলছে কৃষকদের মন । সবুজের মাঝে লুকিয়ে আছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। গাঢ় সবুজের মাঠ দেখে শুধু কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তা নয়, সবাই খুশি। আশায় দিন গুনছেন তারা কবে কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পারবে। নিজেদের স্বপ্ন সোনা হয়ে ফললে তবেই স্বস্তি কৃষককুলের।
যশোরে জেলা এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে এ মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। এ মধ্যে হাইব্রীড ৯ হাজার ১১৭, উফসী ১ লাখ ২৮হাজার ৪৪৩ ও দেশী ১৩৮৫ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। আর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই কৃষক তাদের কাঙ্খিত আমন ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবেন।
যশোর সদরের বিরামপুরের ধানচাষি ওয়াহিদ বলেন, আমার ৩ বিঘা জমি আছে। এবার ৩ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি। আশা করছি ভালো ফলন ও ভালো দাম পাবো।
যশোরে কেশবপুরে গোপসেনা গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি গরিব মানুষ, চার বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেছি। আমার জমিতে আমন চাষ ভাল হয়েছে। প্রতিদিন ধান ক্ষেতে আসি আর স্বপ্ন দেখি। সুখে দিন আসছে।
যশোরের মনিরামপুরের রোহিতা ইউনিয়নের মোহাম্মদ লিটন, বাবুল আক্তার, কেশবপুরের বাশবাড়িয়া গ্রামের সবুর সরদার, মিঠু, হায়দারসহ বেশ কয়েকজন কৃষক মাঠে ধান পরিচর্যার সময় অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানালেন আমন আবাদ পরিস্থিতি খুবই ভালো। অনেক মাঠে দেখা গেছে চাষিদের সাথে তাদের পরিবার-পরিজনও ধান পরিচর্যা করছেন এক বুক আশা নিয়ে।
কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, গতবারের চেয়ে এবার আমন চাষে কৃষকের আগ্রহ বেশি। জেলায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৪৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে । আবহাওয়া ভাল এবং বর্ষার পানিতে কোথাও ধান ডুবে যায়নি। আমন চাষের জন্য যে পরিমাণ বর্ষার পানি জমিতে থাকা দরকার তা রয়েছে। উপজেলার কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের পরামর্শসহ সকল সহযোগীতা করেছে। আশা করছি কৃষকরা ঘরে ভাল ফলন তুলতে পারবেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ