পল্লী বিদ্যুতের হাই ভোল্টেজের ৮টি খুঁটি ভেঙে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্ভিস লেনে পড়ে গিয়েছে। এতে করে আশে পাশের কয়েকটি এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এছাড়াও সার্ভিস লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে এলাকাবাসী। রোববার (১০ অক্টোবর) ভোর রাতে মহাসড়কের মির্জাপুর বংশাই রোড বাইপাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ মির্জাপুর জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের অবগত না করে মহাসড়কের পাশে ড্রেন নির্মাণ করায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। অপর দিকে সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে জানিয়েছে, নিম্নমানের কাজ করায় বিদ্যুতের খুটি ভেঙ্গে রাস্তায় পড়েছে। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ যোগাযোগ সচল হবে তা কেউ বলতে পারছেন না।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক জানান, বংশাই রোডের দুই পাসে ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেন সড়ক বিভাগ। মহাসড়কের উত্তর পাশে ড্রেন নির্মাণের জন্য মাটি কাটার খনন যন্ত্র (ভেকু) দিয়ে গত কয়েক দিন ধরে গর্ত করা হচ্ছে। খুঁটির আশপাশ থেকে মাটি সরানোর ফলে বিদ্যুতের খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। রোববার ভোরে ৮ টি খুঁটি ভেঙে পড়ে এবং খুঁটিতে আগুন ধরে যায়। আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ, হাইওয়ে ও থানা পুলিশকে খবর দেন। ঘটনার পর পুরো এলাকা বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ যোগাযোগ সচল হবে তা কেউ বলতে পারছেন না।
সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ড্রেন নির্মাণ এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ যে খুঁটি স্থাপন করেছে তা ৫-৬ ফুট গভীরে। খুঁটি স্থাপনের নিয়ম ১০-১১ ফুট গভীর। কিন্তু তারা নিয়ম না মেনে কম গর্ত করে খুঁটি স্থাপন করায় এমন ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ মির্জাপুর জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. জাকির হোসেন জানান, ড্রেন নির্মাণের জন্য মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ তাদের না জানিয়ে খুঁটির নিচ থেকে মাটি কেটে সরিয়ে নিয়েছে। ফলে খুঁটি গুলো ভেঙে পড়েছে। নতুন খুঁটির ব্যবস্থা করে লাইন সচল করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সংযোগ দেয়া হবে।




















