১০:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

শিবগঞ্জে মুরগীর খামারে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জে মুরগীর খামারে জন্য পরিবেশ দূষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। খামারের মুরগীর বিষ্টা/ময়লার দূর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠি হয়ে ওঠেছে। প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কতর্ৃৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে এলাকাবাসী। গত ১৩ অক্টোবর এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা বরাবর সাবান আলী ও আরো ৩০জন স্বাক্ষরিত আবেদন সূত্রে জানা গেছে, শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের উপরটোলা গ্রামের নুরুল হোদার ছেলে খাইরুল ইসলাম, তার নিজ বাড়ির পিছনে বিরাট আকারে একটি মুরগির খামার বসিয়েছেন। কিন্তু মুরগীর বিষ্টা/ময়লা ফেলার জন্য কোন নির্দিষ্ট জায়গা তৈরী না করে যত্রতত্র ময়লা/বিষ্ঠা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে। যার দূর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। এলাকাবাসী খাইরুল ইসলামকে কয়েকবার অনুরোধ করেও কোন লাভ হয়নি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিরাট আকারের খামারে প্রায় সাড়ে ২১’শ মুরগী আছে। মুরগীর বিষ্টা/ময়লার দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষনের চিত্র ফুটে উঠেছে। আইরিন বেগম, আলেপনুর বেগম, ডয়লী বেগম, সহকারী অধ্যাপক জুয়েল, কালু সহ এলাকার প্রায় ৫০/৬০জন নারী পুরুষের অভিযোগ তাদের খামারের বিষ্টার দূর্গন্ধে এলকায় বাসা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।

খামারের মালিক খাইরুল ইসলামরে সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ১১জন বেকার যুবক মিলে খামারটি বসিয়েছি। আমরা প্রথমত: নীতিমালা সস্পর্কে কিছু বুঝতাম না। আমরা খুব শীঘ্রই নীতিমালা অনুযায়ী প্রাণী সম্পদের অনুমোদন নিবো। পরিবেশ দূষনের ক্ষেত্রে তিনি সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, বর্ষার কারনে বিষ্টা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গ করা হয়নি। তবে বিষ্টা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা করার চেষ্টা করবো।

উপজেলাা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা রণজিৎ চন্দ্র কুমার বলেন, পূজার ছুটিতে আছি। অফিসে গিয়ে তাদের আবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে নীতিমালা বর্হিভূত খামার তুলে নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বী জানান, আবেদন এখনো পাইনি। আবেদন হাতে পেলেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

শিবগঞ্জে মুরগীর খামারে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ

প্রকাশিত : ০৯:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জে মুরগীর খামারে জন্য পরিবেশ দূষিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। খামারের মুরগীর বিষ্টা/ময়লার দূর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠি হয়ে ওঠেছে। প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কতর্ৃৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে এলাকাবাসী। গত ১৩ অক্টোবর এলাকাবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা বরাবর সাবান আলী ও আরো ৩০জন স্বাক্ষরিত আবেদন সূত্রে জানা গেছে, শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের উপরটোলা গ্রামের নুরুল হোদার ছেলে খাইরুল ইসলাম, তার নিজ বাড়ির পিছনে বিরাট আকারে একটি মুরগির খামার বসিয়েছেন। কিন্তু মুরগীর বিষ্টা/ময়লা ফেলার জন্য কোন নির্দিষ্ট জায়গা তৈরী না করে যত্রতত্র ময়লা/বিষ্ঠা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে। যার দূর্গন্ধে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে। এলাকাবাসী খাইরুল ইসলামকে কয়েকবার অনুরোধ করেও কোন লাভ হয়নি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিরাট আকারের খামারে প্রায় সাড়ে ২১’শ মুরগী আছে। মুরগীর বিষ্টা/ময়লার দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষনের চিত্র ফুটে উঠেছে। আইরিন বেগম, আলেপনুর বেগম, ডয়লী বেগম, সহকারী অধ্যাপক জুয়েল, কালু সহ এলাকার প্রায় ৫০/৬০জন নারী পুরুষের অভিযোগ তাদের খামারের বিষ্টার দূর্গন্ধে এলকায় বাসা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।

খামারের মালিক খাইরুল ইসলামরে সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ১১জন বেকার যুবক মিলে খামারটি বসিয়েছি। আমরা প্রথমত: নীতিমালা সস্পর্কে কিছু বুঝতাম না। আমরা খুব শীঘ্রই নীতিমালা অনুযায়ী প্রাণী সম্পদের অনুমোদন নিবো। পরিবেশ দূষনের ক্ষেত্রে তিনি সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, বর্ষার কারনে বিষ্টা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গ করা হয়নি। তবে বিষ্টা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা করার চেষ্টা করবো।

উপজেলাা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা রণজিৎ চন্দ্র কুমার বলেন, পূজার ছুটিতে আছি। অফিসে গিয়ে তাদের আবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে নীতিমালা বর্হিভূত খামার তুলে নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বী জানান, আবেদন এখনো পাইনি। আবেদন হাতে পেলেই সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর