১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

নওগাঁয় শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে প্রতিকৃতিতে ফুলের শুভেচ্ছা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে আজ (১৮ অক্টোবর) সকালে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুপেরণার বাতি ঘরে শেখ রাসেল এর প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসকের আয়োজনে ফুলের শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক মো. হারুন-অর-রশীদ, জেলা পুলিশ সুপার প্রকশৌলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম সহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।

জেলা প্রশাসক মো.হারুন-অর-রশীদ বলেন, বঙ্গবন্ধু অনিশ্চয়তা ও অন্ধকারের মাঝে বাঙ্গালী জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের রাজনীতির উত্তাল সময় বঙ্গবন্ধুর ঘর আলোকিত করে ১৯৬৪ সালে ১৮ই অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক বাড়িতে জন্ম নিলেন একটি ছোট্ট শিশু শেখ রাসেল। শেখ রাসেলের জীবনের বেশিভাগ সময় কেটেছে বাবাকে ছাড়া। বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষে মুক্তির জন্য বৎসরের পর বৎসর কারাবরণ করেছে। বাঙ্গালী অধিকার আদায় ছাড়া বঙ্গবন্ধুর কাছে প্রধানমন্ত্রীত্ব বা ক্ষমতার কোন আকর্ষণ ছিল না। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর সেই আদর্শে বাবা মার উভয়ের ভালবাসা দিয়ে সন্তানদের গড়ে তোলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট এক অভিশপ্ত ভোরে শেখ রাসেলকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। চোখের সামনে বাবা-মা-ভাই-ভাবীদের রক্তাক্ত দেহ লুটিয়ে পড়তে দেখেছে শিশু রাসেল। এক পর্যায়ে তার বক্ষভেদ করেছে তপ্ত বুলেট।কলিতেই ঝরে গেল একটি ফুল। একটি সম্ভাবনাময় জীবন। ফুটতে পারলো না সে। তার আলোয় আলোকিত হতে পারতো বাংলাদেশ। হেমন্তে তার জন্ম, কিন্তু ঝরা পালকের মতো অন্তর্ধান ছিল তার নিয়তি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

নওগাঁয় শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে প্রতিকৃতিতে ফুলের শুভেচ্ছা

প্রকাশিত : ০৮:২৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে আজ (১৮ অক্টোবর) সকালে নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুপেরণার বাতি ঘরে শেখ রাসেল এর প্রতিকৃতিতে জেলা প্রশাসকের আয়োজনে ফুলের শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক মো. হারুন-অর-রশীদ, জেলা পুলিশ সুপার প্রকশৌলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম সহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।

জেলা প্রশাসক মো.হারুন-অর-রশীদ বলেন, বঙ্গবন্ধু অনিশ্চয়তা ও অন্ধকারের মাঝে বাঙ্গালী জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের রাজনীতির উত্তাল সময় বঙ্গবন্ধুর ঘর আলোকিত করে ১৯৬৪ সালে ১৮ই অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক বাড়িতে জন্ম নিলেন একটি ছোট্ট শিশু শেখ রাসেল। শেখ রাসেলের জীবনের বেশিভাগ সময় কেটেছে বাবাকে ছাড়া। বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষে মুক্তির জন্য বৎসরের পর বৎসর কারাবরণ করেছে। বাঙ্গালী অধিকার আদায় ছাড়া বঙ্গবন্ধুর কাছে প্রধানমন্ত্রীত্ব বা ক্ষমতার কোন আকর্ষণ ছিল না। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর সেই আদর্শে বাবা মার উভয়ের ভালবাসা দিয়ে সন্তানদের গড়ে তোলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট এক অভিশপ্ত ভোরে শেখ রাসেলকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। চোখের সামনে বাবা-মা-ভাই-ভাবীদের রক্তাক্ত দেহ লুটিয়ে পড়তে দেখেছে শিশু রাসেল। এক পর্যায়ে তার বক্ষভেদ করেছে তপ্ত বুলেট।কলিতেই ঝরে গেল একটি ফুল। একটি সম্ভাবনাময় জীবন। ফুটতে পারলো না সে। তার আলোয় আলোকিত হতে পারতো বাংলাদেশ। হেমন্তে তার জন্ম, কিন্তু ঝরা পালকের মতো অন্তর্ধান ছিল তার নিয়তি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর