আজ যারা বীজ-সার নেবেন, সেগুলি অবশ্যই কাজে লাগাবেন। একসময় শুধুমাত্র পুরুষেরা কৃষি কাজ করত, এখন মহিলারা কৃষি কাজে এগিয়ে এসেছেন। পুরুষ-নারীরা যার-যার যোগ্যতানুযায়ী কৃষি কাজে অংশ নিচ্ছেন। রবিবার অপরাহ্নে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা কৃষি পূণর্বাসন কমিটি আয়োজিত রবি(২০২১-২২) মৌসুমে গম, ভূট্রা, সরিষা, সূর্যমুখী, শীতকালীন পেয়াজ, এবং গ্রীষ্মকালীন মুগ আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরন কর্মসূচীর উদ্ধোধন এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সহায়তায় (ভর্তুকীর) মাধ্যমে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথি ও মৌলভীবাজার-রাজনগরের সাংসদ “নেছার আহমদ” উলেখিত বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে মৌলভীবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা “সাবরীনা রহমান” বলেন, বাংলাদেশের প্রাণ হলেন কৃষক ভাইয়েরা। প্রবাসী এলাকা সিলেটের কৃষক ভাইয়েরা বছরে মাত্র ১বার জমিতে ফসল ফলাচ্ছেন। আপনাদের-কে (কৃষক) বছরে একাধিকবার ফসল ফলানোর আহবান জানাই। তাহলে আপনাদের উৎপাদিত ফসল দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি হবে। আলোচনা সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ১৯৭১এর আগে এদেশে সয়াবীন আসত না। প্রতি বছর সয়াবীন আমদানিতে ১৬,৫০০ কোটি টাকা খরছ হয়। মাত্র ১০০টাকা দিয়ে ১কেজি সরিষার বীজ ক্রয় করে ৩০শতক জমিতে উৎপাদন করা যাবে। সরকার কর্তৃক ৭০% ভর্তুকী দিয়ে কৃষকদের মধ্যে কৃষি যন্ত্রপাতি দেয়া হচ্ছে। আজকে ১৯,৫০,০০০ টাকা দামের কৃষি যন্ত্রপাতি ৭০% ভর্তুকী দিয়ে কৃষকদের দেয়া হচ্ছে । উভয় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি “মোঃ কামাল হোসেন”, জেলা কৃষি কর্মকর্তা “লুৎফুল বারী”, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা “সুব্রত কান্তি দত্ত” প্রমুখ ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















