০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের কাহারমুদাবাদ সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র অধিকারীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

সোমবার সকাল ১০ টায় কাহারমুদাবাদ গ্রামে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জমিদাতা বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আঃ মালেক ও মোসাঃ মরিয়াম এবং এলাকাবাসী আশ্রাফ খাঁন, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, রফেজ উদ্দিন, বশির খাঁন প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক সুনীল মাষ্টার একজন দুঃশ্চরিত্র লম্পট। বিদ্যালয়ের অনূকুলে বিগত বছরের সরকারী বরাদ্দকৃত অর্থ তিনি লোপাট করেছেন। বিদ্যালয়ে নতুন ভবন হওয়ার আগে পুরাতন একটি টিন শেড ভবন ছিলো, সেই ভবন বিক্রি করে তার অর্থ আত্মসাত করেন এই সুনিল মাষ্টার। নতুন ভবন নির্মানকালে রেন্ট্রি, চাম্বল, মেহগনি ও স্কুলের পুরোনো বেঞ্চ মেরামতের নামে বিক্রি করে সেই অর্থ তিনি আত্মসাত করেন।

এছাড়া সরকারী নিয়মানুযায়ী পৌনে ৪ টা পর্যন্ত ক্লাশ চলার কথা থাকলেও প্রতিদিন ১ টা থেকে ২ টার মধ্যে ক্লাশ ছুটি দিয়ে চলে যান তিনি। শিশু শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের সাথে সব সময় তিনি দুর্ব্যবহার করে আসছেন যা শিশু শিক্ষার ক্ষত্রে পরিপন্থি। অবিলম্বে কর্তৃপক্ষের কাছে এই দূর্নিতীবাজ প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবী করেন এলাকাবাসী।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

মায়ের মৃত্যুতে দেশে ফিরছেন ফ্রান্সের কোচ দেশম

প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৭:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ নভেম্বর ২০২১

বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের কাহারমুদাবাদ সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র অধিকারীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

সোমবার সকাল ১০ টায় কাহারমুদাবাদ গ্রামে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জমিদাতা বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আঃ মালেক ও মোসাঃ মরিয়াম এবং এলাকাবাসী আশ্রাফ খাঁন, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, রফেজ উদ্দিন, বশির খাঁন প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, প্রধান শিক্ষক সুনীল মাষ্টার একজন দুঃশ্চরিত্র লম্পট। বিদ্যালয়ের অনূকুলে বিগত বছরের সরকারী বরাদ্দকৃত অর্থ তিনি লোপাট করেছেন। বিদ্যালয়ে নতুন ভবন হওয়ার আগে পুরাতন একটি টিন শেড ভবন ছিলো, সেই ভবন বিক্রি করে তার অর্থ আত্মসাত করেন এই সুনিল মাষ্টার। নতুন ভবন নির্মানকালে রেন্ট্রি, চাম্বল, মেহগনি ও স্কুলের পুরোনো বেঞ্চ মেরামতের নামে বিক্রি করে সেই অর্থ তিনি আত্মসাত করেন।

এছাড়া সরকারী নিয়মানুযায়ী পৌনে ৪ টা পর্যন্ত ক্লাশ চলার কথা থাকলেও প্রতিদিন ১ টা থেকে ২ টার মধ্যে ক্লাশ ছুটি দিয়ে চলে যান তিনি। শিশু শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকদের সাথে সব সময় তিনি দুর্ব্যবহার করে আসছেন যা শিশু শিক্ষার ক্ষত্রে পরিপন্থি। অবিলম্বে কর্তৃপক্ষের কাছে এই দূর্নিতীবাজ প্রধান শিক্ষকের বিচার দাবী করেন এলাকাবাসী।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ