০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

 নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসবের  সর্বোচ্চ সংখ্যা রেকর্ড! তিন নার্সকে উপহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা   জেনারেল হাসপাতালে গত অক্টোবর মাসে ১০৮ জন অন্তঃসত্ত্বার নরমাল ডেলিভারি   হয়েছে। নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করায় তিন নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার দিয়েছে হাসপাতালের গাইনি বিভাগ। সোমবার ১ নভেম্বর  দুপুর সাড়ে এগারো টার দিকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে তাঁদের শুভেচ্ছা উপহার দেওয়া হয়। হাসপাতালের তিনজন নার্স হলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স স্মৃতি রানী রায়, নেহেরা আক্তার খাতুন ও মর্জিনা বেগম।
হাসপাতালের চিকিৎসক সূত্রে   জানা যায় , অক্টোবর মাসে এখানে ৮৭ জন অন্তঃসত্ত্বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করেন। আর ১০৮ জন অন্তঃসত্ত্বা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করেন। এটিই হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারিতে  সন্তান প্রসবের সর্বোচ্চ সংখ্যা। গাইনি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. ফৌজিয়া আখতারের নেতৃত্বে কয়েক জন নারী চিকিৎসকের একটি দলের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্সের মধ্যে যাঁরা অভিজ্ঞ, তাঁরা স্বাভবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের কাজটি করে থাকেন।
তবে অক্টোবর মাসে স্বাভাবিক প্রসব করানোর ক্ষেত্রে সিনিয়র নার্স স্মৃতি রানী প্রথম, নেহেরা আক্তার দ্বিতীয় ও মর্জিনা বেগম তৃতীয় হন।এছাড়া ও হাসপাতালের অন্য সিনিয়র স্টাফ নার্সরাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের দায়িত্ব পালন করেন।
হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা.ফৌজিয়া আখতার বলেন-হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির  মাধ্যমে সন্তান প্রসবের এটি ই সর্বোচ্চ সংখ্যা।এর আগে এতো বেশি হয়নি গেলো অক্টোবর মাসে তার সর্বোচ্চ রেকর্ড। করোনাকালীন সময়ে গর্ভবতী মহিলাদের বাসার মধ্যে নরমাল সন্তান প্রসবের হার টা বেশি ছিল কারণ তখন হাসপাতালে ঝুঁকি ছিল বেশি।করোনার প্রকোপ এখন কমে যাওয়ায় আমরা হাসপাতালে ইনডোর আউটডোরে রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছি।আমরা কয়েকজন  চিকিৎসকের একটি দল সমপরিমাণে  এই কাজ করে যাচ্ছি। সবাই সচেতন হলে নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসবের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে।  সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই কাজ গুলো করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি,রোগীদের সেবায় আমাদের এই কাজ সব সময় অব্যাহত থাকবে।
পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামানের কক্ষে তিন নার্সের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। এ সময়  উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হিমেল খান, ডা.  ফায়জুর রহমান (ফয়েজ) ,ডা.  তৌহিদ আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম সোহেল ,  আইরিন হক, শারমিন হক (দীপ্তি), শারমিন হক, শাহনেওয়াজ জাহান,ভারপ্রাপ্ত উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক গীতা রানী সাহা ও নার্সিং সুপারভাইজার নার্গিস আক্তার ও মমতাজ বেগম প্রমুখ।
ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

 নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসবের  সর্বোচ্চ সংখ্যা রেকর্ড! তিন নার্সকে উপহার

প্রকাশিত : ১২:২৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর ২০২১
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা   জেনারেল হাসপাতালে গত অক্টোবর মাসে ১০৮ জন অন্তঃসত্ত্বার নরমাল ডেলিভারি   হয়েছে। নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করায় তিন নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার দিয়েছে হাসপাতালের গাইনি বিভাগ। সোমবার ১ নভেম্বর  দুপুর সাড়ে এগারো টার দিকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে তাঁদের শুভেচ্ছা উপহার দেওয়া হয়। হাসপাতালের তিনজন নার্স হলেন সিনিয়র স্টাফ নার্স স্মৃতি রানী রায়, নেহেরা আক্তার খাতুন ও মর্জিনা বেগম।
হাসপাতালের চিকিৎসক সূত্রে   জানা যায় , অক্টোবর মাসে এখানে ৮৭ জন অন্তঃসত্ত্বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করেন। আর ১০৮ জন অন্তঃসত্ত্বা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করেন। এটিই হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারিতে  সন্তান প্রসবের সর্বোচ্চ সংখ্যা। গাইনি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. ফৌজিয়া আখতারের নেতৃত্বে কয়েক জন নারী চিকিৎসকের একটি দলের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্সের মধ্যে যাঁরা অভিজ্ঞ, তাঁরা স্বাভবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের কাজটি করে থাকেন।
তবে অক্টোবর মাসে স্বাভাবিক প্রসব করানোর ক্ষেত্রে সিনিয়র নার্স স্মৃতি রানী প্রথম, নেহেরা আক্তার দ্বিতীয় ও মর্জিনা বেগম তৃতীয় হন।এছাড়া ও হাসপাতালের অন্য সিনিয়র স্টাফ নার্সরাও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের দায়িত্ব পালন করেন।
হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা.ফৌজিয়া আখতার বলেন-হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির  মাধ্যমে সন্তান প্রসবের এটি ই সর্বোচ্চ সংখ্যা।এর আগে এতো বেশি হয়নি গেলো অক্টোবর মাসে তার সর্বোচ্চ রেকর্ড। করোনাকালীন সময়ে গর্ভবতী মহিলাদের বাসার মধ্যে নরমাল সন্তান প্রসবের হার টা বেশি ছিল কারণ তখন হাসপাতালে ঝুঁকি ছিল বেশি।করোনার প্রকোপ এখন কমে যাওয়ায় আমরা হাসপাতালে ইনডোর আউটডোরে রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দিচ্ছি।আমরা কয়েকজন  চিকিৎসকের একটি দল সমপরিমাণে  এই কাজ করে যাচ্ছি। সবাই সচেতন হলে নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান প্রসবের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে।  সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই কাজ গুলো করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি,রোগীদের সেবায় আমাদের এই কাজ সব সময় অব্যাহত থাকবে।
পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামানের কক্ষে তিন নার্সের হাতে শুভেচ্ছা উপহার তুলে দেওয়া হয়। এ সময়  উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান, আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হিমেল খান, ডা.  ফায়জুর রহমান (ফয়েজ) ,ডা.  তৌহিদ আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম সোহেল ,  আইরিন হক, শারমিন হক (দীপ্তি), শারমিন হক, শাহনেওয়াজ জাহান,ভারপ্রাপ্ত উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক গীতা রানী সাহা ও নার্সিং সুপারভাইজার নার্গিস আক্তার ও মমতাজ বেগম প্রমুখ।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ