০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

সেতু আছে,সংযোগ সড়ক নেই, চলতে হয় শুকনো মৌসুমে হেঁটে বর্ষা মৌসুমে নৌকা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেতু থাকলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চার গ্রামের হাজারো মানুষ।

উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর এলাকার সেতুটি ২৭ বছর আগে নির্মাণ হলেও দু’পাশে মাটি না থাকায় সেতুটি জনসাধারণের চলাচলে কোন ভূমিকাতো রাখছেই না উল্টো ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে সেতুর ওপর দিয়ে কোনো ধরনের যানবাহন ও মানুষ চলাচল করতে পারছে না। এতে চার গ্রামের মানুষ এ সেতুর ওপর দিয়ে যেতে না পারায় নৌকা করে যাতায়াত করেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সেতুটির দু’পাশে কোনো সংযোগ সড়ক না থাকায় শুকনো মৌসুমে হেঁটে বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাফেরা করছে চার গ্রামের হাজারো মানুষ।

স্থানীয়দের মুখে জানা যায়, উপজেলার বরইচারা, ষাটবাড়িয়া, হরিপুর ও পরমানন্দপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। সেতুটি প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল বলে জানান ঠিকাদার মো. আব্দুল্লাহ। সেতুটির দু’পাশে কোনো সংযোগ সড়ক না থাকায় শুকনো মৌসুমে হেঁটে বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাফেরা।

পরমানন্দপুর সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর, শিকদার জানান, তিনি প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে স্কুলে যান। সংযোগ সড়কের অভাবে জায়গাটি নৌকায় পার হতে হয়।

উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, জনগণের জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষ সুফল পাচ্ছেন না।

এলজিইডির উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান বলেন, এখানে নতুন করে সেতু নির্মাণের জন্য সাংসদ আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া স্যারের প্রজেক্টের প্রধান প্রকৌশলী আবেদন পাঠানো হয়েছে। ইনশা আল্লাহ এখানে নতুন সেতু হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

সেতু আছে,সংযোগ সড়ক নেই, চলতে হয় শুকনো মৌসুমে হেঁটে বর্ষা মৌসুমে নৌকা

প্রকাশিত : ০৭:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সেতু থাকলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চার গ্রামের হাজারো মানুষ।

উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর এলাকার সেতুটি ২৭ বছর আগে নির্মাণ হলেও দু’পাশে মাটি না থাকায় সেতুটি জনসাধারণের চলাচলে কোন ভূমিকাতো রাখছেই না উল্টো ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফলে সেতুর ওপর দিয়ে কোনো ধরনের যানবাহন ও মানুষ চলাচল করতে পারছে না। এতে চার গ্রামের মানুষ এ সেতুর ওপর দিয়ে যেতে না পারায় নৌকা করে যাতায়াত করেন।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সেতুটির দু’পাশে কোনো সংযোগ সড়ক না থাকায় শুকনো মৌসুমে হেঁটে বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাফেরা করছে চার গ্রামের হাজারো মানুষ।

স্থানীয়দের মুখে জানা যায়, উপজেলার বরইচারা, ষাটবাড়িয়া, হরিপুর ও পরমানন্দপুরসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। সেতুটি প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল বলে জানান ঠিকাদার মো. আব্দুল্লাহ। সেতুটির দু’পাশে কোনো সংযোগ সড়ক না থাকায় শুকনো মৌসুমে হেঁটে বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে চলাফেরা।

পরমানন্দপুর সরকারি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর, শিকদার জানান, তিনি প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে স্কুলে যান। সংযোগ সড়কের অভাবে জায়গাটি নৌকায় পার হতে হয়।

উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, জনগণের জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষ সুফল পাচ্ছেন না।

এলজিইডির উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান বলেন, এখানে নতুন করে সেতু নির্মাণের জন্য সাংসদ আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া স্যারের প্রজেক্টের প্রধান প্রকৌশলী আবেদন পাঠানো হয়েছে। ইনশা আল্লাহ এখানে নতুন সেতু হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ