০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

আড়াইশ বছর পরও সৌন্দর্য হারায়নি বরুড়ায় তিন গম্বুজ মসজিদ

কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার অর্জুনতলা গ্রামে বৃটিশ আমলের নান্দনিক তিন গোম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে ।

জানা গেছে, ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে জয়লাভ থেকেই ভারতে ইংরেজ শাসনের শুরু বলে ধরা হয়। সেই আমলে এ মসজিদটি নির্মান করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। প্রায় আড়াইশ বছর পার হলেও সুন্দর্য হারায়নি মসজিদটি। মসজিদটির উপরে বড় বড় তিনটি গোম্বুজ রয়েছে। ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নকশা ও কারুকাজ। রঞ্জন শিল্পীর হাতের জাদু করা নকশা যে কারোর নজর কারবে।

গত ১০ বছর পূর্বে মসজিদ পূনরায় সংস্কার করা হয়। মসজিদের জন্য জমি দান করে অর্জুনতলা গ্রামের মিয়ারা। মিয়া পরিবার অর্জুনতলা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পরিবার। যারা জমি দিয়েছেন তাঁদের বংশধরা এখনো সমাজ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখে আসছেন। মসজিদটির মিম্বরের সামনে সুয়ে আছেন পীরে সাহেব হাজী ফানাউল্লাহ। তাঁর মাজার ঘিরে এক বিশিষ্ট গোম্বুজসহ একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। মাজারটিও বেশ পুরনো বলে স্থানীয়রা জানান।

মো. হামিম দেওয়ান জানান, নান্দনিক মসজিদটি বৃটিশ আমলের ইতিহাস বহন করে। পাশাপাশি তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও বহন করে জানান। মসজিদের মুয়াজ্জিন অলি উল্লাহ জানান, তাঁরা মুরব্বিদের কাছ থেকে শুনেছেন। এ মসজিদটি তৎকালিন সময়ে প্রতিষ্ঠা করেন দেওয়ান এমডি ছমি মিয়া। এর থেকে বেশী কিছু তিনি জানেন না বলে জানান।

স্থানীয় মুসল্লি নাজমুল হোসেন জানান, মসজিদটি দেখার জন্য অনেক দূর থেকে মুসল্লিরা আসেন। নামাজ পড়েন । সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চান। সঠিক ইতিহাস অনেকেরই জানা নেই। যেহেতু মিয়া পরিবারের সাথে মসজিদের ইতিহাস জড়িত। তাঁদের সহযোগীতায় প্রত্নতাত্বিক অধিদপ্তর এ নান্দনিক মসজিদটির ইতিহাস সংরক্ষন করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

আড়াইশ বছর পরও সৌন্দর্য হারায়নি বরুড়ায় তিন গম্বুজ মসজিদ

প্রকাশিত : ০৯:১৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ নভেম্বর ২০২১

কুমিল্লার বরুড়া পৌরসভার অর্জুনতলা গ্রামে বৃটিশ আমলের নান্দনিক তিন গোম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে ।

জানা গেছে, ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে জয়লাভ থেকেই ভারতে ইংরেজ শাসনের শুরু বলে ধরা হয়। সেই আমলে এ মসজিদটি নির্মান করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান। প্রায় আড়াইশ বছর পার হলেও সুন্দর্য হারায়নি মসজিদটি। মসজিদটির উপরে বড় বড় তিনটি গোম্বুজ রয়েছে। ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নকশা ও কারুকাজ। রঞ্জন শিল্পীর হাতের জাদু করা নকশা যে কারোর নজর কারবে।

গত ১০ বছর পূর্বে মসজিদ পূনরায় সংস্কার করা হয়। মসজিদের জন্য জমি দান করে অর্জুনতলা গ্রামের মিয়ারা। মিয়া পরিবার অর্জুনতলা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পরিবার। যারা জমি দিয়েছেন তাঁদের বংশধরা এখনো সমাজ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখে আসছেন। মসজিদটির মিম্বরের সামনে সুয়ে আছেন পীরে সাহেব হাজী ফানাউল্লাহ। তাঁর মাজার ঘিরে এক বিশিষ্ট গোম্বুজসহ একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। মাজারটিও বেশ পুরনো বলে স্থানীয়রা জানান।

মো. হামিম দেওয়ান জানান, নান্দনিক মসজিদটি বৃটিশ আমলের ইতিহাস বহন করে। পাশাপাশি তাদের পারিবারিক ঐতিহ্য ও বহন করে জানান। মসজিদের মুয়াজ্জিন অলি উল্লাহ জানান, তাঁরা মুরব্বিদের কাছ থেকে শুনেছেন। এ মসজিদটি তৎকালিন সময়ে প্রতিষ্ঠা করেন দেওয়ান এমডি ছমি মিয়া। এর থেকে বেশী কিছু তিনি জানেন না বলে জানান।

স্থানীয় মুসল্লি নাজমুল হোসেন জানান, মসজিদটি দেখার জন্য অনেক দূর থেকে মুসল্লিরা আসেন। নামাজ পড়েন । সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চান। সঠিক ইতিহাস অনেকেরই জানা নেই। যেহেতু মিয়া পরিবারের সাথে মসজিদের ইতিহাস জড়িত। তাঁদের সহযোগীতায় প্রত্নতাত্বিক অধিদপ্তর এ নান্দনিক মসজিদটির ইতিহাস সংরক্ষন করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর