০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

নওগাঁয় আমনের বাম্পার ফলন: ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩শ’ ১ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা

নওগাঁয় শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াই।প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত হওয়া এবং অতিবৃষ্টি বা বন্যা না হওয়ায় এবং কৃষি বিভাগের প্রত্যক্ষ নিবিড় নজরদারীর ফলে জেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

ধান কাটার ধুম জেলার প্রতিটি কৃষক ঘরে। কাস্তের কচাকচ শব্দ কৃষকের হাঁকডাক আর মজুরের গানের সুমধুর আওয়াজ যেন এক অন্যরকমের আবহ সৃষ্টি করেছে।
চলতি মৌসুমে আমনের বাম্পার ফলনে কৃষকের চোখে মুখে যেন আনন্দের সোনালী হাঁসি। ধান কাটা-মাড়াই করে ঘরে তুলতে আনন্দ-উল্লাসে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষক-কৃষাণীদের।

জেলার রাণীনগর উপজেলার কৃষক আবুল মিঞা প্রতিবেদককে বলেন, এবার ৭ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম, ফসল চাষই আমার একমাত্র উপার্জন। এবারের ধানের বাম্পার ফলনে আমি খুশি। ধান কাটা-মাড়াই শুরু করে দিয়েছি, কয়েকদিনের মধ্যে ধান ঘরে উঠে যাবো।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শামসুল ওয়াদুদ জানান, চলতি বছর জেলায় ১ লাখ ৯৭ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এসব ধানের উন্নত ফলনশীল জাতের মধ্যে স্বর্না, ব্রি-ধান ৫১, ৫২, ৩৪, ৭১, ৭২, ৮০, ৮৭, বীনা ধান-৭, ১৪, ১৭, ২০, রনজিৎ, পাইজাম ও জিরাশাইল উল্লেখযোগ্য। হাইব্রীড জাতের মধ্যে তেজ, ধানীগোল্ড, এ্যারাইজ-৭০০৬ এবং সিনজেন্টা ১২০৩।

এ ছাড়াও স্থানীয় জাতের মধ্যে রয়েছে চিনিআতপ, বিন্নাফুল ও কাটারীভোগ। চলতি বছর আবাদকৃত জমি থেকে গড়ে হেক্টর প্রতি ৩ দশমিক ১ মেট্রিকটন হিসেবে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩শ’ ১ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগের প্রত্যাশা।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

নওগাঁয় আমনের বাম্পার ফলন: ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩শ’ ১ মেট্রিক টন চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ০৫:৩১:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর ২০২১

নওগাঁয় শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা-মাড়াই।প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত হওয়া এবং অতিবৃষ্টি বা বন্যা না হওয়ায় এবং কৃষি বিভাগের প্রত্যক্ষ নিবিড় নজরদারীর ফলে জেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

ধান কাটার ধুম জেলার প্রতিটি কৃষক ঘরে। কাস্তের কচাকচ শব্দ কৃষকের হাঁকডাক আর মজুরের গানের সুমধুর আওয়াজ যেন এক অন্যরকমের আবহ সৃষ্টি করেছে।
চলতি মৌসুমে আমনের বাম্পার ফলনে কৃষকের চোখে মুখে যেন আনন্দের সোনালী হাঁসি। ধান কাটা-মাড়াই করে ঘরে তুলতে আনন্দ-উল্লাসে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষক-কৃষাণীদের।

জেলার রাণীনগর উপজেলার কৃষক আবুল মিঞা প্রতিবেদককে বলেন, এবার ৭ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম, ফসল চাষই আমার একমাত্র উপার্জন। এবারের ধানের বাম্পার ফলনে আমি খুশি। ধান কাটা-মাড়াই শুরু করে দিয়েছি, কয়েকদিনের মধ্যে ধান ঘরে উঠে যাবো।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শামসুল ওয়াদুদ জানান, চলতি বছর জেলায় ১ লাখ ৯৭ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। এসব ধানের উন্নত ফলনশীল জাতের মধ্যে স্বর্না, ব্রি-ধান ৫১, ৫২, ৩৪, ৭১, ৭২, ৮০, ৮৭, বীনা ধান-৭, ১৪, ১৭, ২০, রনজিৎ, পাইজাম ও জিরাশাইল উল্লেখযোগ্য। হাইব্রীড জাতের মধ্যে তেজ, ধানীগোল্ড, এ্যারাইজ-৭০০৬ এবং সিনজেন্টা ১২০৩।

এ ছাড়াও স্থানীয় জাতের মধ্যে রয়েছে চিনিআতপ, বিন্নাফুল ও কাটারীভোগ। চলতি বছর আবাদকৃত জমি থেকে গড়ে হেক্টর প্রতি ৩ দশমিক ১ মেট্রিকটন হিসেবে ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩শ’ ১ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগের প্রত্যাশা।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ