০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

রাজৈরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে হুইলচেয়ারসহ উপহারসামগ্রী বিতরণ

“প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, প্রতিবন্ধীরা পাবে শিক্ষার সমঅধিকার এবং আমাদের দাবি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পাবে এমপিও স্বীকৃতি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষে মাদারীপুরের রাজৈরে প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ইউশিবপুর ইউনিয়নের শাখারপাড় প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থা ও বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপহারগুলো প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল- ৫টি হুইলচেয়ার, ২৫০টি ফলজ গাছ, ২৫০টি গিফট বক্স ও সাদা ছড়ি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের লালন-পালন করা অনেক বড় সোয়াবের কাজ। বাংলাদেশ সরকার প্রতিবন্ধীদের প্রতি আরো গুরুত্ব দিয়েছেন। আগে প্রতিবন্ধীদের বোঝা বলা হতো। কিন্তু এখন তারা বোঝা না, এখন এই প্রতিবন্ধীরাই সম্পদ। কারন কোনো না কোনো দিক থেকে তাদের দক্ষতা অনেক বেশি। এসময় এ ধরনের মহতী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য শাখারপাড় প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থা ও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভ্যানচালক সেলিম শরীফ ও তার স্ত্রী আখলিমা বেগমকে ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সাথে তাদের কাজে সহযোগিতা করে উৎসাহ দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সরকারিভাবে বিদ্যালয়টির রাস্তা ও ভবন বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

এ বিতরণী অনুষ্ঠানে রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক বাবুল, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা মোস্তফা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম.এইচ.এ.কে.এম রওনক আরা বেগম, প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা নয়ন মনি বিশ্বাস, শাখারপাড় প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থা ও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সেলিম শরীফ, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক মো. আরিফুর রহমান (অপু), গাইবান্দার ফাসীতলা দুত্যয় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বেল্লাল আহমেদ, মাদারীপুর শ্রবণ প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা অলিল খান প্রমুখ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

রাজৈরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে হুইলচেয়ারসহ উপহারসামগ্রী বিতরণ

প্রকাশিত : ০৭:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১

“প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, প্রতিবন্ধীরা পাবে শিক্ষার সমঅধিকার এবং আমাদের দাবি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পাবে এমপিও স্বীকৃতি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুজিব শতবর্ষে মাদারীপুরের রাজৈরে প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ইউশিবপুর ইউনিয়নের শাখারপাড় প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থা ও বিদ্যালয় মাঠে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপহারগুলো প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল- ৫টি হুইলচেয়ার, ২৫০টি ফলজ গাছ, ২৫০টি গিফট বক্স ও সাদা ছড়ি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের লালন-পালন করা অনেক বড় সোয়াবের কাজ। বাংলাদেশ সরকার প্রতিবন্ধীদের প্রতি আরো গুরুত্ব দিয়েছেন। আগে প্রতিবন্ধীদের বোঝা বলা হতো। কিন্তু এখন তারা বোঝা না, এখন এই প্রতিবন্ধীরাই সম্পদ। কারন কোনো না কোনো দিক থেকে তাদের দক্ষতা অনেক বেশি। এসময় এ ধরনের মহতী উদ্যোগ নেওয়ার জন্য শাখারপাড় প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থা ও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভ্যানচালক সেলিম শরীফ ও তার স্ত্রী আখলিমা বেগমকে ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সাথে তাদের কাজে সহযোগিতা করে উৎসাহ দেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে সরকারিভাবে বিদ্যালয়টির রাস্তা ও ভবন বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

এ বিতরণী অনুষ্ঠানে রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক বাবুল, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা মোস্তফা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফজলুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এম.এইচ.এ.কে.এম রওনক আরা বেগম, প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা নয়ন মনি বিশ্বাস, শাখারপাড় প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থা ও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সেলিম শরীফ, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক মো. আরিফুর রহমান (অপু), গাইবান্দার ফাসীতলা দুত্যয় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা বেল্লাল আহমেদ, মাদারীপুর শ্রবণ প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা অলিল খান প্রমুখ।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর