মৌলভীবাজার জেলার কৃষকরা আমন ধান ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। পাকা আমন ধানের সুভাষে মৌ মৌ গন্ধ বিরাজমান । আবহমান গ্রামীন জনপদে চলছে উৎসবের আমেজ। সোনালি ধানের মাঠ এখন হেমন্তের পাকা ধানে কৃষকদের মনে আনন্দে ভরপুর। মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে ধান কাটার মহা-উৎসব। কৃষানীরা ব্যাস্থ মাড়াইকৃত ধান সংগ্রহে। কৃষক-কৃষাণীরা এখন ধান কাটা, বাড়িতে আনা, মাড়াই দেওয়া,মাড়াইকৃত ধান শুকিয়ে গোলায় তুলতে ব্যাস্থ সময় পার করছেন। আবার কৃষকদের অনেকেই ধান তুলতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বছর আবহাওয়া আমন চাষাবাদের অনুকূলে থাকায় এবং বৃষ্টি পাত কম হওয়ায় জেলার কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওরের নিন্মাঞ্চলের অনাবাদি জমিতে আমনের চাষ বৃদ্ধি পেয়ে ধানের ফলন বেড়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায় এ বছর জেলায় আমন চাষাবাদ হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার মে. টন চাল ।
রাজনগর উপজেলার মহলাল গ্রামের কৃষক আজাদ মিয়া বলেন, এবার সাত একর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। বাজারের সঠিক মূল্য থাকলে ধানের ভর্তুকী দিতে হবে না। রাজনগরের চাষী মছদ্দর মিয়া বলেন,এ বছর আমন ধানের ফলন আন্যান্য বছরের চেয়ে অনেক ভাল হয়েছে। রাজনগর উপজেলার কুবজার গ্রামের আকলিছ মিয়া ,পশ্চিম ভাগ গ্রামের নানু মিয়া, রিপন সহ অনেকেই বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আমন ধানের ফলন ভাল হয়েছে। আশা করি সঠিক বাজার মূল্য থাকলে কিছু লাভবান হবো। মৌলভীবাজার কৃষি স¤প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী (কৃষিবিদ) জানান, এ-বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও সময় মত বৃষ্টি হওয়ার করনে রোগ বালাই থেকে ফসল মুক্ত ছিল । তাই আমনের ফলন ভাল হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় ৮% ধান কাটা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















