ঝিনাইদহে গেল কয়েকদিনের টানা গুড়িগুড়ি বৃষ্টি শেষে প্রকৃতিতে বইছে হিমেল হাওয়া। শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও গেল রাত থেকে বেড়েছে তীব্র কুয়াশা। ঘন কুয়াশায় সকালের দিকে সড়ক-মহাসড়কের চলাচলকারী যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে। ধানের পাতায় জমেছে শিশির বিন্দু।
বুধবার (১৭নভেম্বর) সকালে দেখা যায়, ঘন কুয়াশায় ছেয়ে গেছে চারিপাশ যার ফলে ঝিনাইদহের সড়ক মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহনগুলো। এসব যানবাহনের গতিবেগ ছিল খুবই কম। ভ্যান, রিকশা ও অটোরিকশার চালকরা ঘন কুয়াশায় জবুথবু হয়ে পড়ে।
শহরের বায়পাস এলাকার বৃদ্ধ মাহাফুজ মিয়া জানান, কয়েক দিনের বৃষ্টির পর শীত একটু বেশী সেই সাথে কুয়াশাও অনেক। আর কয়েক দিনের মধ্যে শীত আরো বেশী পড়বে বলে মনে হচ্ছে।
ইজিবাইক চালক মোঃ শাহারিয়ার জানান, বৃষ্টির পর হঠাৎ করেই বুধবার ভোর থেকে তীব্র কুয়াশায় চারপাশ অন্ধকার নেমে এসেছে। রাস্তায় গাড়ি চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে।
ঢাকা থেকে আসা এক বাস চালক আরিফুল জানান, এতো কুয়াশা, রাস্তায় গাড়ি চলাতে বড় কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে। গোপালপুর থেকে ঝিনাইদহ শহরে গাড়ি নিয়ে আসতে ১৫ মিনিটের স্থলে আজ সময় লেগেছে আধা ঘণ্টা।
ঝিনাইদহ আরাপপুর থেকে কথা হয় বাস চালক মিজানুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা দিচ্ছি। কিন্তু কুয়াশার অবস্থা গাড়ি চালাবো কি ভাবে এটাই ভাবছি।
ভ্যানচালক আব্বাস হোসেনন বলেন, ভোরে ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছি। কুয়াশায় রাস্তায় কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। বসে আছি অনেকক্ষণ কিন্তু কোন যাত্রীও পাচ্ছি না।
শীতের মোটা কাপড় পড়ে কাধে কাজের সরঞ্জাম হেটে চলছেন ৫৫ বছরের আব্দুর রহিম, জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজের খোঁজে বের হয়েছি বাবা। কাজ না করলে সংসার চলবে কি করে। শীত কুয়াশাকে ভয় করলে কাজ পাওয়া যাবে না। এ জন্য ভোরে বের হয়েছি।




















