১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

ঝাড়ু জুতা নিয়ে বালু শ্রমিকদের উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিছিল

হাওর অধ্যুষিত জেলা সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন বালু শ্রমিকরা।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার থানা ঘাট এলাকা থেকে বালু শ্রমিকরা একটি মিছিল বের করেন, মিছিলটি থানা পয়েন্ট হয়ে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রদক্ষিণ করে পাশের মাঠে মানবন্ধন করেন তারা। প্রতিবাদ মিছিলে শ্রমিকরা উপজেলা চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু বাবুলের অপসারণ ও মিছিলে ঝাড়ু ও জুতা প্রদর্শন করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলার বিন্নাকুলি গ্রামের বালু শ্রমিক আব্দুল আলী বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই, নদী থকি বালু তুললে আমরা ঘরের চুলা জ্বলে কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যানরে অবৈধ টাকা না দেয়ায় বেটায় হাইকোর্ট গিয়া মামলা দিসে আমরা নৌকা আটকাইছে, প্রতি নৌকা ছুটানির লাগি ১ লাখ টাকা লাগছে ইতা টাকা আমরা কই থকি পাইতাম।

বালু শ্রমিক মিজান আহমেদ বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানকে শ্রমিকরা কোন সুযোগ সুবিধা দিসে না করিয়া তাইন আমরারে বিজিবি পুলিশ দিয়া নৌকা আটকাইন আর তাইন মামলা দিসোইন আমরা বলে নদীর পাড় কাটিয়া বালু তুলি যা মিথ্যা আমরা বালু নদী থকি, যাদুকাটার বালু দেশের এক নাম্বার বালু ইটাত তাইনের চোখ পড়ছে, আমরা চাই দ্রুতই সরকার এ চেয়ারম্যানকে অপসারণ করুক।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

ঝাড়ু জুতা নিয়ে বালু শ্রমিকদের উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিছিল

প্রকাশিত : ০৫:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর ২০২১

হাওর অধ্যুষিত জেলা সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান বন্ধ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন বালু শ্রমিকরা।

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার থানা ঘাট এলাকা থেকে বালু শ্রমিকরা একটি মিছিল বের করেন, মিছিলটি থানা পয়েন্ট হয়ে তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রদক্ষিণ করে পাশের মাঠে মানবন্ধন করেন তারা। প্রতিবাদ মিছিলে শ্রমিকরা উপজেলা চেয়ারম্যান করুণা সিন্ধু বাবুলের অপসারণ ও মিছিলে ঝাড়ু ও জুতা প্রদর্শন করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলার বিন্নাকুলি গ্রামের বালু শ্রমিক আব্দুল আলী বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই, নদী থকি বালু তুললে আমরা ঘরের চুলা জ্বলে কিন্তু উপজেলা চেয়ারম্যানরে অবৈধ টাকা না দেয়ায় বেটায় হাইকোর্ট গিয়া মামলা দিসে আমরা নৌকা আটকাইছে, প্রতি নৌকা ছুটানির লাগি ১ লাখ টাকা লাগছে ইতা টাকা আমরা কই থকি পাইতাম।

বালু শ্রমিক মিজান আহমেদ বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানকে শ্রমিকরা কোন সুযোগ সুবিধা দিসে না করিয়া তাইন আমরারে বিজিবি পুলিশ দিয়া নৌকা আটকাইন আর তাইন মামলা দিসোইন আমরা বলে নদীর পাড় কাটিয়া বালু তুলি যা মিথ্যা আমরা বালু নদী থকি, যাদুকাটার বালু দেশের এক নাম্বার বালু ইটাত তাইনের চোখ পড়ছে, আমরা চাই দ্রুতই সরকার এ চেয়ারম্যানকে অপসারণ করুক।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ