তৃতীয় ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ নভেম্বর, এই নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে এবার চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে মাঠে আছেন পাঁচ বিদ্রোহী। জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থীকেও লড়তে হবে দলের এক বিদ্রোহীর সঙ্গে। বিএনপির তাঁদের সঙ্গে মাঠে আছেন স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপির দুজনসহ আরও চার প্রার্থী।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরাইল উপজেলার ৯টি ইউপি নির্বাচনে মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ৬৮ জন। এর মধ্যে এক ইউপিতেই চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৩ জন। সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে এই পাকশিমুল ইউপিতেই সর্বোচ্চ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা।
৩১ হাজার ৭৪৫ জন ভোটারের এই ইউপিতে ভোটগ্রহণ করা হবে ১২টি কেন্দ্রে। চেয়ারম্যান প্রার্থী ১৩ জন, সংরক্ষিত মহিলা প্রার্থী ১৫ জন, সাধারণ সদস্যপ্রার্থী ৪৬ জন। এই ১৩ প্রার্থীকে এলাকার সব ভোট সমান ভাগে ভাগ করে দিলে প্রত্যেকের ভাগে জুটবে মাত্র ২ হাজার ৪৪১ ভোট করে। এখানে মোট ভোটার ২৯ হাজার ৫৮০ জন।
চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন-মো. সাইফুল ইসলাম (নৌকা), আব্দুল্লাহ সরকার (স্বতন্ত্র), ইমরান হোসেন (মোটরসাইকেল), কাউসার হোসেন (আনারস), কাজী ওবায়দুল হক (লাঙল), কুতুবুল আলম (দুটি পাতা), জিয়াউর রহমান (টেলিফোন), মো. আব্দুল্লাহ (চশমা), মো. আবুল কাশেম (অটোরিকশা), আব্দুল্লাহ ভুঁইয়া (ঢোল), ম. আলফু মিয়া (ঘোড়া), মো. ওয়ালীউল্লাহ (মিনার), মিন্নত আলী (হাতপাখা)।
পাকশিমুল ইউপির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ওই ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মোট ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে দুজনের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে। আর তিনজন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
নির্বাচন বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (সরাইল সার্কেল) আনিছুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দর ইউপি নির্বাচন উপহার দিতে কঠোর অবস্থানে থাকবে পুলিশ, নির্বাচনী আচরণ বিধি লংঘন এবং যে কোন ধরণের সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ভোটাররা ভোট দিয়ে ভোট কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে। নইতুবা কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা করলে তাকে ছাড় দেয়া হবে না।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















