কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে আইনের তোয়াক্কা না করেই গাড়ি চালাচ্ছে চালক। মহাসড়ক নিরাপত্তা সংরক্ষণ বিধিমালায় রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, নসিমন, করিমন ও ট্রাক্টর চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না ফলে ঘটছে অহরহ দূর্ঘটনা। প্রাণহানীসহ পঙ্গুগুত্ববরণের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিকারে নেই যথাযথ ব্যবস্থা।
সম্প্রতি এই আঞ্চলিক মহাসড়কের ১১ কিলোমিটারে তিন দিনে চারটি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩ডিসেস্বর) সকালে দেবিদ্বার জোবেদা খাতুন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বেপরোয়া গতির কারণে সকাল মিয়া (১৮) নামে এক মটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। এসময় তার সাথে থাকা আরেক আরোহী রুবেল (২৫) গুরুতর আহত হয়।
শনিবার (৪ ডিসেম্বর) ইউসুফপুর স্টেশনে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মহাসড়কের উপর ইউটার্ন নিয়ে রং সাইডে চলে যায়। এসময় বিপরীত দিক হতে আসা মটর সাইকেল আরোহী এক সাংবাদিক আহত হয়। এসময় তার বাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
রোববার (৫ ডিসেম্বর) দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ি এলাকায় পুলিশ দেখে ভয় পেয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ব্রেক দিলে তাকে বাঁচাতে গিয়ে মাটি বহনকারী ট্রাক্টর উল্টে তারু মোল্লা (৫৫) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়।
রোববার (৫ ডিসেম্বর) দেবিদ্বারের বেগমাবাদ এলাকায় আন্ত: জেলা ট্রাক ও ঢাকাগামী তিশা গোল্ডেন মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ট্রাক চালকের পা দুটি ছিন্ন হয়ে যায়।
একাধিক সূত্র জানাযায়, মহাসড়কের চালকরা বেশির ভাগই অদক্ষ । চলার সময় কাউকে সিগন্যাল দেয় না , আবার কেউ সিগন্যাল দিলে তা বুঝেও না।
এই সড়কে অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই গাড়ি, বেপরোয়া গতি ও অবৈধ ট্রাক্টরের অবাধ বিচরণসহ দায়িত্বশীলদের শিথিলতা অনেকাংশে দায়ী বলে জানায় স্থানীয়রা।
যানজট নিয়ন্ত্রণ নেই কোনো তদারকি। বাজার পয়েন্টগুলোর মূল সড়কের উপর গাড়ি পাকিং করে যাত্রী উঠা-নামা করা হয়।
মিরপুর হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মাসুদ আলম বলেন, আমাদের কাছে গাড়ির গতি শনাক্ত করণ মেশিন আছে। এগুলো নিয়ে ভালোভাবে কাজ শুরু করব। নিষিদ্ধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত আছে।




















