বলার মতো ভাষা নেই, বাকরুদ্র। অসময়ের বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে আমার ১৫৫ শতক জমির চিনিগুড়া চাল, সরিষার বীজ, রকমেলন ও স্কোয়াশ সবজি । এর মধ্যে বেশি ক্ষতি হয়েছে চিনিগুড়া চাল আর সরিষা। এভাবেই বৃষ্টি ভেজা শরীরে ফসলের মাঠে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন কৃষক শামসুল হক সামসু।
তিনি মুরাদনগর উপজেলার ভুবনঘর গ্রামের একজন আদর্শ কৃষক। প্রতিবছর দেশি-বিদেশি জাতের অনেক ফল মূল ও শাক- সবজি চাষ করে থাকেন।




















