জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার ডাঃ মুরাদ হাসান এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কুষ্টিয়া ইউনিট বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৫৩-ক/৫০৫-ক/৫০৯ পেলান কোড ১৮৬০ ধারায় সোমবার মামলা দায়ের করেন। মামলাটি শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক সেলিনা খাতুন মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১ডিসেম্বর ২০২১ ইং তারিখে সংসদ সদস্য ডাঃ মুরাদ হাসান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন ও ২ নং আসামী একজন ডিজিটাল মিডিয়া উপস্থাপক, যিনি ১নং আসামীর স্বাক্ষাতকার গ্রহন করেন। যা পরবর্তীতে ডাঃ মুরাদ হাসান তার ভেরিফাইড ফেইজবুকে (ঋধপবনড়ড়শ) পেইজে প্রচার ও প্রকাশ করেন। উক্ত ০১/১২/২১ ইং তারিখে ১নং আসামীর সাক্ষাৎকার প্রদানকালে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জিয়া পরিবার এবং ব্যারিস্টার জাইমা রহমান সম্পর্কে অত্যন্তকুরুচিপূর্ণ, নারী বিদ্বেষী এবং যে কোন নারীর জন্য মর্যাদা হানীকর ভাষা ব্যবহার করেছেন। এ ছাড়া উক্ত ভিডিও সাক্ষাৎকারটি লক্ষাধিকবার দেখা হয়েছে এবং অগনিত কমেন্টও করা হয়। উক্ত ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের ফলে সমাজে তথা রাষ্ট্রের সর্ব মহলে নেতীবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ফলশ্রæতিতে সমাজকর্মী খুশি করিব, পরিবেশ আইনবীদ সৈয়দা রিজাওয়ানা হাসান, বøাষ্টের নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় এর অধ্যাপিকা কাবেরী গায়েনসহ বিভিন্ন নারী অধিকার কর্মী ও সমাজের বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য দিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। পাশাপাশি সারা দেশে আপামর জনসাধারণ প্রচন্ড বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানায়সহ মামলার আরজীতে ১১টি পয়েন্ট উল্লেখ করা হয়।
মামলাটি দীর্ঘক্ষন শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামে কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাডভোকেট মাহাতাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি এ্যাডঃ আসাদুজ্জামন খান মিলন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এ্যাডঃ বুলবুল আহমেদ, এ্যাডঃ যুগ্ম সম্পাদকহাসান রাজ্জাক রাজু , এ্যাড নূরুল ইসলামসহ প্রায় ৫০জন আইনজীবী।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















