গাজীপুরের কালীগঞ্জে কলেজ শিক্ষক কর্তৃক সরকারী কর্মচারী প্রহৃতের ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই শিক্ষকের কর্মস্থল সরকারী কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের পক্ষ থেকে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরকারী কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফেরদৌস মিয়া।
অভিযুক্ত কলেজ শিক্ষক শরীফ হোসেন সরকারী কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ও উপজেলার বক্তারপুর এলাকার বাসিন্দা।
অধ্যক্ষ জানান, কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলেজের পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে কলেজের সিনিয়র শিক্ষক পদার্থ বিভাগের প্রভাষক চৌধুরী মো. মিজানুর রহমানকে আহবায়ক, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. ইসমাইল হোসেনকে সদস্য সচিব ও ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক মো. শহিদ হাসানকে সদস্য করা হয়। আর তদন্ত কমিটিকে দ্রæত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের কথা বলা হয়েছে বলেও জানান সরকারী কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের অধ্যক্ষ।
উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস ও স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ মাঠে উপস্থিত সকলকে মাস্ক দেওয়া হয়। এ সময় কলেজ শিক্ষক শরীফ হোসেন ইউএনও অফিসের অফিস সহকারী মিঠুন দত্তের কাছে মাস্ক চান এবং তিনি তাকে একটি মাস্ক দেন। পরে আরো ৫টি মাস্ক চাইলে মিঠুন দত্ত ওই শিক্ষককে তা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। আর তাতেই কলেজ শিক্ষক শরীফ হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে মিঠুনকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ শুরু করেন। এ ঘটনায় ইউএনও অফিসের জারিকারক তারেক ভূঁইয়া ঘটনার প্রতিবাদ করলে তার উপরও ওই শিক্ষক চড়াও হন এবং তারেককে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এ সময় ইউএনও অফিসের আরেক জারিকারক শামসুন্নাহার এগিয়ে আসলে তার গায়েও হাত তুলেন ওই শিক্ষক। ঘটনার পর বিষয়টি আমলে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসসাদিকজামান উপজেলা প্রশাসনে পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।






















