০৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় সব ফার্নিচারে বিশেষ ছাড়

বাণিজ্য মেলায় সব ফার্নিচারে রয়েছে বিশেষ অফার। সুদৃশ্য বিভিন্ন ডিজাইনের ফার্নিচার প্যাভিলিয়নে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের বেশ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আগ্রহ নিয়ে অনেকেই পছন্দের ফার্নিচার সংগ্রহ করছেন। আবার কেউ কেউ কোন প্রতিষ্ঠান কত ছাড় দিচ্ছে- সে বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। পরে এসে সংগ্রহ করবেন।
ক্রেতারা বলছেন, নান্দনিক ও আকর্ষণীয় করে ঘর সাজাতে ফার্নিচার বা আসবাবপত্র জরুরি। এছাড়া নতুন সংসারে নিত্যনতুন ডিজাইনের ফার্নিচারের প্রয়োজন হয়। সেটি পূরণ করে মেলা। এখানে সব প্রতিষ্ঠানের পণ্য দেখা ও যাচাইয়ের সুযোগ হয়। সঙ্গে যদি একটু ছাড় থাকে তাহলে কোনো কথাই নেই।
ক্রেতা-দর্শনার্থীর কথা বিবেচনা করে মেলা উপলক্ষে বিশেষ ছাড় দিয়েছে ফার্নিচার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। মেলা ঘুরে দেখা যায়, নতুন ডিজাইনের ফার্নিচার প্রদর্শনের পাশাপাশি মেলা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ ছাড় ও অফার রয়েছে।
আলীবাব ফার্নিচারের সব পণ্যে পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ ছাড় রয়েছে। মেলা চলাকালীন অর্ডার দিলে ক্রেতারা এ অফার নিতে পারবেন। এ প্যাভিলিয়নে জানাতি নামের এক দর্শনার্থী এসেছেন একটি খাট কিনতে। তিনি বলেন, দাম-দর মিলিয়ে দেখছি। পছন্দ হলে নিয়ে নেবো।

প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার (সেলস) ফারুক ইসলাম রাজা বলেন, মেলা উপলক্ষে নতুন ৬৫ ডিজাইনের ফার্নিচার আনা হয়েছে। আমাদের ফার্নিচারে সব সময় ভেরিয়েশন থাকে। এ কারণে মানুষের আগ্রহ বেশি। এখন পর্যন্ত অর্ডার তেমন না এলেও প্রচুর দর্শনার্থী আসছেন। আশা করি মেলার শেষের দিকে ভালো অর্ডার পাবো।

জনপ্রিয় ফার্নিচার প্রতিষ্ঠান ব্রাদার্স ও তাদের সব পণ্যে পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। মেলা চলাকালীন অর্ডার দিলে যে কোনো আউটলেট থেকে ফার্নিচার সংগ্রহ করা যাবে।

আকতার ফার্নিচারে চলছে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। কাঠের তৈরি ফার্নিচারে ৫ শতাংশ, বোর্ডে ৮ শতাংশ, স্টিল ফার্নিচারে ১০ শতাংশ ছাড় দেয়া হচ্ছে। চেয়ার-সোফা কিনলে ১০ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন ক্রেতারা।

হাতিল ফার্নিচারের স্টল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ‘বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে আমরা এ বছর অনেকগুলো নতুন ডিজাইনের আসবাব এনেছি। কিন্তু স্টলের আকার ছোট হওয়ায় সব ধরনের পণ্য প্রদর্শনীর জন্য রাখা যায়নি। এ ছাড়া সশরীর মেলা থেকে পণ্য কেনার মতো ক্রেতাও তুলনামূলকভাবে কম। তাই আমাদের মূল লক্ষ্য এখন পণ্যের অনলাইন প্রচারণা করা।’
ক্রেতাদের মধ্যে যাঁরা আসবাব ও ইলেকট্রনিক পণ্যের স্টল ঘুরে দেখছেন, তাঁদের মধ্যে কেনার আগ্রহ তেমন দেখা যায়নি। তাঁদের ভাষ্য, এত দূর থেকে আসবাব বা ইলেকট্রনিক পণ্য নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এতে খরচ যেমন অনেক বেশি পড়বে, তেমনি ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে পণ্য পরিবহন করাও ঝুঁকিপূর্ণ হবে। সে জন্য তাঁরা মেলা থেকে এসব পণ্য কেনায় বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে এসব যা কিছু বিক্রি হচ্ছে, আশপাশের মানুষেরাই তা কিনছেন।

বাণিজ্য মেলায় সব পণ্যে ১২ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে আলীবাবা ফার্নিচার। অন্যদিকে আরএফএল ফার্নিচার দিচ্ছে ৫ থেকে ১০ শতাংশ ছাড়। কোনাপাড়া থেকে মেলায় এসেছে রুমি ও নুর মোহাম্মদ দম্পতি। আরএফএল ফার্নিচারে কথা হয় তাদের সঙ্গে। রুমি বলেন, আজ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফার্নিচার দেখবো। দামে মিললে এবং পছন্দ হলে নিয়ে যাবো। নতুন ডিজাইনের ফার্নিচার দেখলাম। কিন্তু এবার ছাড় কম।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় সব ফার্নিচারে বিশেষ ছাড়

প্রকাশিত : ০৬:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২২

বাণিজ্য মেলায় সব ফার্নিচারে রয়েছে বিশেষ অফার। সুদৃশ্য বিভিন্ন ডিজাইনের ফার্নিচার প্যাভিলিয়নে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের বেশ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আগ্রহ নিয়ে অনেকেই পছন্দের ফার্নিচার সংগ্রহ করছেন। আবার কেউ কেউ কোন প্রতিষ্ঠান কত ছাড় দিচ্ছে- সে বিষয়ে খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। পরে এসে সংগ্রহ করবেন।
ক্রেতারা বলছেন, নান্দনিক ও আকর্ষণীয় করে ঘর সাজাতে ফার্নিচার বা আসবাবপত্র জরুরি। এছাড়া নতুন সংসারে নিত্যনতুন ডিজাইনের ফার্নিচারের প্রয়োজন হয়। সেটি পূরণ করে মেলা। এখানে সব প্রতিষ্ঠানের পণ্য দেখা ও যাচাইয়ের সুযোগ হয়। সঙ্গে যদি একটু ছাড় থাকে তাহলে কোনো কথাই নেই।
ক্রেতা-দর্শনার্থীর কথা বিবেচনা করে মেলা উপলক্ষে বিশেষ ছাড় দিয়েছে ফার্নিচার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। মেলা ঘুরে দেখা যায়, নতুন ডিজাইনের ফার্নিচার প্রদর্শনের পাশাপাশি মেলা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশেষ ছাড় ও অফার রয়েছে।
আলীবাব ফার্নিচারের সব পণ্যে পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ ছাড় রয়েছে। মেলা চলাকালীন অর্ডার দিলে ক্রেতারা এ অফার নিতে পারবেন। এ প্যাভিলিয়নে জানাতি নামের এক দর্শনার্থী এসেছেন একটি খাট কিনতে। তিনি বলেন, দাম-দর মিলিয়ে দেখছি। পছন্দ হলে নিয়ে নেবো।

প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার (সেলস) ফারুক ইসলাম রাজা বলেন, মেলা উপলক্ষে নতুন ৬৫ ডিজাইনের ফার্নিচার আনা হয়েছে। আমাদের ফার্নিচারে সব সময় ভেরিয়েশন থাকে। এ কারণে মানুষের আগ্রহ বেশি। এখন পর্যন্ত অর্ডার তেমন না এলেও প্রচুর দর্শনার্থী আসছেন। আশা করি মেলার শেষের দিকে ভালো অর্ডার পাবো।

জনপ্রিয় ফার্নিচার প্রতিষ্ঠান ব্রাদার্স ও তাদের সব পণ্যে পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। মেলা চলাকালীন অর্ডার দিলে যে কোনো আউটলেট থেকে ফার্নিচার সংগ্রহ করা যাবে।

আকতার ফার্নিচারে চলছে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। কাঠের তৈরি ফার্নিচারে ৫ শতাংশ, বোর্ডে ৮ শতাংশ, স্টিল ফার্নিচারে ১০ শতাংশ ছাড় দেয়া হচ্ছে। চেয়ার-সোফা কিনলে ১০ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন ক্রেতারা।

হাতিল ফার্নিচারের স্টল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা শাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ‘বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে আমরা এ বছর অনেকগুলো নতুন ডিজাইনের আসবাব এনেছি। কিন্তু স্টলের আকার ছোট হওয়ায় সব ধরনের পণ্য প্রদর্শনীর জন্য রাখা যায়নি। এ ছাড়া সশরীর মেলা থেকে পণ্য কেনার মতো ক্রেতাও তুলনামূলকভাবে কম। তাই আমাদের মূল লক্ষ্য এখন পণ্যের অনলাইন প্রচারণা করা।’
ক্রেতাদের মধ্যে যাঁরা আসবাব ও ইলেকট্রনিক পণ্যের স্টল ঘুরে দেখছেন, তাঁদের মধ্যে কেনার আগ্রহ তেমন দেখা যায়নি। তাঁদের ভাষ্য, এত দূর থেকে আসবাব বা ইলেকট্রনিক পণ্য নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এতে খরচ যেমন অনেক বেশি পড়বে, তেমনি ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে পণ্য পরিবহন করাও ঝুঁকিপূর্ণ হবে। সে জন্য তাঁরা মেলা থেকে এসব পণ্য কেনায় বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। ফলে এসব যা কিছু বিক্রি হচ্ছে, আশপাশের মানুষেরাই তা কিনছেন।

বাণিজ্য মেলায় সব পণ্যে ১২ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে আলীবাবা ফার্নিচার। অন্যদিকে আরএফএল ফার্নিচার দিচ্ছে ৫ থেকে ১০ শতাংশ ছাড়। কোনাপাড়া থেকে মেলায় এসেছে রুমি ও নুর মোহাম্মদ দম্পতি। আরএফএল ফার্নিচারে কথা হয় তাদের সঙ্গে। রুমি বলেন, আজ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফার্নিচার দেখবো। দামে মিললে এবং পছন্দ হলে নিয়ে যাবো। নতুন ডিজাইনের ফার্নিচার দেখলাম। কিন্তু এবার ছাড় কম।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ