০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

শীত উপেক্ষা করে বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক

দেশের শস্য ভান্ডার খ্যাত দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে আমন ধান কাটা মাড়াই শেষে শীত উপেক্ষা করে শুরু হয়েছে বোরো চাষাবাদের প্রস্তুতি। বর্তমানে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি ও বীজ বপনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই এলাকার কৃষলকুল। এই এলাকায় বিগত বছরের চিত্র, আর এবছরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। এবার কুয়াশা কিছুটা কম থাকায় বোরো চাষিরা অত্যন্ত খুশি। তাইতো তারা এখন দলবেঁধে বোরো চাষের জমি ঠিক করাসহ বীজতলার পরিচর্যায় ব্যস্ত। উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের মোবারক আলী জানান,শীত পড়ার আগেই বীজ বপন করলে অধিক বীজের চারা গজায় এবং রোগবালাইহীন ভাবে চারা বেড়ে ওঠে। এতে বীজের অপচয় কম হয় এবং অল্প বীজে অধিক জমিতে চারা রোপণ করা সম্ভব হয়। তবে অনেক কৃষক আবার আমন ধান ঘরে তোলার সাথে সাথেই বীজতলায় বীজ বপন করেছেন। এবার আবওহাওয়া ভালো থাকায় তাদের বীজতলা গজিয়ে উঠা চারাগুলোও ভালো আছে এমনটি জানান এই এলাকার বেশীরভাগ কৃষক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ মোছাঃ রুম্মান আক্তার জানান,এবছর এই উপজেলার পৌর এলাকাসহ সাতটি ইউনিয়নে ১৪ হাজার ১৪২হেক্টর জমিতে বোরো রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বোরো আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষির মধ্যে বিনামূল্যে ৪ হাজার ৩১০ জনকে হাইব্রিড জাতের বীজ এবং এক হাজার ৬৬০ জনকে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার অনুযায়ী কৃষকরা ৬৮৮ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি এবং বীজ বপন করেছে। বপনকৃত বীজের মধ্যে রয়েছে ব্রি-২৮, ২৯, ৭৪, ৮১, ৮৯, ৯২, বিনা-১৮, জিরাশাইল ও বিভিন্ন প্রকার হাইব্রিড ধান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

শীত উপেক্ষা করে বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত কৃষক

প্রকাশিত : ০৭:২৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২

দেশের শস্য ভান্ডার খ্যাত দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে আমন ধান কাটা মাড়াই শেষে শীত উপেক্ষা করে শুরু হয়েছে বোরো চাষাবাদের প্রস্তুতি। বর্তমানে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি ও বীজ বপনের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই এলাকার কৃষলকুল। এই এলাকায় বিগত বছরের চিত্র, আর এবছরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। এবার কুয়াশা কিছুটা কম থাকায় বোরো চাষিরা অত্যন্ত খুশি। তাইতো তারা এখন দলবেঁধে বোরো চাষের জমি ঠিক করাসহ বীজতলার পরিচর্যায় ব্যস্ত। উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের মোবারক আলী জানান,শীত পড়ার আগেই বীজ বপন করলে অধিক বীজের চারা গজায় এবং রোগবালাইহীন ভাবে চারা বেড়ে ওঠে। এতে বীজের অপচয় কম হয় এবং অল্প বীজে অধিক জমিতে চারা রোপণ করা সম্ভব হয়। তবে অনেক কৃষক আবার আমন ধান ঘরে তোলার সাথে সাথেই বীজতলায় বীজ বপন করেছেন। এবার আবওহাওয়া ভালো থাকায় তাদের বীজতলা গজিয়ে উঠা চারাগুলোও ভালো আছে এমনটি জানান এই এলাকার বেশীরভাগ কৃষক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ মোছাঃ রুম্মান আক্তার জানান,এবছর এই উপজেলার পৌর এলাকাসহ সাতটি ইউনিয়নে ১৪ হাজার ১৪২হেক্টর জমিতে বোরো রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বোরো আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষির মধ্যে বিনামূল্যে ৪ হাজার ৩১০ জনকে হাইব্রিড জাতের বীজ এবং এক হাজার ৬৬০ জনকে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার অনুযায়ী কৃষকরা ৬৮৮ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি এবং বীজ বপন করেছে। বপনকৃত বীজের মধ্যে রয়েছে ব্রি-২৮, ২৯, ৭৪, ৮১, ৮৯, ৯২, বিনা-১৮, জিরাশাইল ও বিভিন্ন প্রকার হাইব্রিড ধান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর