০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে জেলেদের শপথ

কলাপাড়ায় উপকূলের জেলেরা সাগরে কিংবা নদীতে প্লাষ্টিক বর্জ্য ও ঘন ফাঁসের জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে শপথ নিয়েছে। শনিবার শেষ বিকেলে চম্পাপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গা এলাকায় রাবনাবাদ নদীর পাড়ে এমন ব্যতিক্রমী আনুষ্ঠানের আয়োজন করে বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা পাথওয়ে। এর আগে ৫০ জন জেলের মাঝে বিতরন করা হয়েছে জীবন রক্ষাকারী উপকরন লাইফ জ্যাকেট। এছাড়া অরো হতদরিদ্র আসহায় ৫০ জন জেলেকে শীতের পোশাক ও তিন শতাধিক জেলে পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দেয়া হয়। এসময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্তকর্তা অপু সাহা, জেলা পরিষদের সদস্য এসএম মোশারেফ হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিন্টু তালুকদার, ইউ এস এইড ওয়ার্ল্ড ফিস ইকোফিস-২ এক্টিভিটি প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতিসহ পাথওয়ের স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন গনমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উপকূলের এক জেলে শফিউদ্দিন প্যাদা এ প্রতিনিধিকে বলেন, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘূর্নীঝড়-বন্যার সময় এ লাইফ জ্যাকেট আমাদের কাজে দাঁড়াবে। ট্রলারে জ্যাকেট থাকলে জীবনের ঝুকি অনেকটা কম থাকে। আরেক জেলে ছামেদুল হক বলেন, শীতের এ জ্যাকেট গায়ে দিয়ে তারা মাছ ধরতে পারবেন। এখন আর তাদের শীতে কষ্ট করতে হবেনা। দরিদ্র জেলে মো: বেল্লাল হোসেন ও তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই। কম্বল কেনার সাধ্য নাই। শীতে নাতিডারে লইয়া অনেক কষ্ট করতে হয়েছে এতোদিন। এ্যাহন আরামে ঘুমাইতে পারমু। পাথওয়ের পরিচালক মো: শাহিন সাংবাদিকদের জানান, জেলেরা অব্যবহৃত প্লাষ্টিক,পলিথিন ও ছেড়াজাল সাগর কিংবা নদীতে না ফেলে এ জন্য তাদেরকে শপথ করানো হয়েছে। এছাড়াও ৫ শতাধিক জেলে পরিবারের মাঝে লাইফ জ্যাকেট ও শীত বস্ত্র বিতরন করা হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নিরাপদ মাতৃত্বে উৎসাহ: কালীগঞ্জে স্বাভাবিক প্রসবে মা-নবজাতককে শুভেচ্ছা উপহার

অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে জেলেদের শপথ

প্রকাশিত : ০৭:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২২

কলাপাড়ায় উপকূলের জেলেরা সাগরে কিংবা নদীতে প্লাষ্টিক বর্জ্য ও ঘন ফাঁসের জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে শপথ নিয়েছে। শনিবার শেষ বিকেলে চম্পাপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গা এলাকায় রাবনাবাদ নদীর পাড়ে এমন ব্যতিক্রমী আনুষ্ঠানের আয়োজন করে বে-সরকারী উন্নয়ন সংস্থা পাথওয়ে। এর আগে ৫০ জন জেলের মাঝে বিতরন করা হয়েছে জীবন রক্ষাকারী উপকরন লাইফ জ্যাকেট। এছাড়া অরো হতদরিদ্র আসহায় ৫০ জন জেলেকে শীতের পোশাক ও তিন শতাধিক জেলে পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দেয়া হয়। এসময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্তকর্তা অপু সাহা, জেলা পরিষদের সদস্য এসএম মোশারেফ হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিন্টু তালুকদার, ইউ এস এইড ওয়ার্ল্ড ফিস ইকোফিস-২ এক্টিভিটি প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতিসহ পাথওয়ের স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন গনমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উপকূলের এক জেলে শফিউদ্দিন প্যাদা এ প্রতিনিধিকে বলেন, প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘূর্নীঝড়-বন্যার সময় এ লাইফ জ্যাকেট আমাদের কাজে দাঁড়াবে। ট্রলারে জ্যাকেট থাকলে জীবনের ঝুকি অনেকটা কম থাকে। আরেক জেলে ছামেদুল হক বলেন, শীতের এ জ্যাকেট গায়ে দিয়ে তারা মাছ ধরতে পারবেন। এখন আর তাদের শীতে কষ্ট করতে হবেনা। দরিদ্র জেলে মো: বেল্লাল হোসেন ও তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই। কম্বল কেনার সাধ্য নাই। শীতে নাতিডারে লইয়া অনেক কষ্ট করতে হয়েছে এতোদিন। এ্যাহন আরামে ঘুমাইতে পারমু। পাথওয়ের পরিচালক মো: শাহিন সাংবাদিকদের জানান, জেলেরা অব্যবহৃত প্লাষ্টিক,পলিথিন ও ছেড়াজাল সাগর কিংবা নদীতে না ফেলে এ জন্য তাদেরকে শপথ করানো হয়েছে। এছাড়াও ৫ শতাধিক জেলে পরিবারের মাঝে লাইফ জ্যাকেট ও শীত বস্ত্র বিতরন করা হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর