০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

শীত উপেক্ষা করে চলছে বোরো রোপনের কাজ

কনকনে শীত উপেক্ষা করে বরেন্দ্র অঞ্চল নামে পরিচিত রাজশাহীর তানোর উপজেলাটি। এ উপজেলার মাটি কৃষি ফসল উৎপাদনে চমৎকার উর্বর হলেও এর মধ্যে ধান প্রধানত হলেও এর পরই হয় আলুর চাষ ।তবে উপজেলার বেশিরভাগ ভাগ মানুষ ধান চাষের উপর নির্ভর। বিশেষ করে গত সপ্তাহ থেকে এপর্যন্ত প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করে তানোরের পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে চলা বিলকুমারি বিলে যাদের জমি আছে তারা অনেকেই বোরো রোপন করে ফেলেছেন এবং চলছে পরিচর্যার কাজ ।আর উপরের দিগন্ত ধানী মাঠের জমিতে আলুর পরিচর্যার কাজ। হাড় কাপানো শীত হলেও উপজেলার শ্রমিকরা এখন চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন। এদুই ফসল রোপন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত চমৎকার অনুকুলে আবহাওয়া। ফলে সব কিছুই সময় মতই হচ্ছে বলে মনে করছেন চাষিরা।অবশ্য ইতিপূর্বেই বিলের বেশির ভাগ জমি রোপন হয়ে গেছে । আর মাঠের জমি তৈরি ও রোপনের কাজ চলছে জোরালো ভাবে। এদিকে আলুর ক্ষেত্রেও একই কনকনে শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকেই জমি পরিচর্যার কাজে লেগে পড়ছেন কৃষক শ্রমিকরা। কুয়াশায় ভেদ করে হাড় কাঁপানো শীত অপেক্ষা করে দেশকে খাদ্যে ভরপুর করছেন বাংলার নায়ক হিসেবে পরিচিত কৃষক শ্রমিকরা। পৌর সদর এলাকার কৃষক মফিজ জানান বিলে প্রায় আড়াই বিঘা জমি রোপন করা শেষ হয়েছে। শুধু আমার না বিলের জমি প্রায় রোপন শেষের দিকে।তবে গত কয়েকদিন প্রচুর ঠান্ডা ছিল।আবার গত রোববার গুড়িগুড়ি বৃষ্টি এবং সূর্যের কোন আলোই দেখা যায় নি।পুরো সপ্তাহ ছিল হাড় কাঁপানো শীত। যদিও শুক্রবারে দিনের আলো দেখা গেলে হিমেল বাতাসে ছিল ঠান্ডা। আর সন্ধা থেকে তো শরীরের যে টুকু অংশ বেরিয়ে থাকছে, তা প্রচন্ড ঠান্ডা হয়ে পড়ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে,উপজেলার চান্দুড়িয়া ব্রীজ ঘাট থেকে তানোর পৌর এলাকা হয়ে কামারগাঁ ইউপির বীজ দিয়ে শেষ প্রান্ত মালশিরা পর্যন্ত হাজার হাজার কৃষকের রয়েছে জমি। এসব জমিতে বোরো ধান চাষ হয় যেমন, তেমনি হয় বাম্পার ফলন। এগুলো নিচু জমি, এজন্য দ্রুত বোরো রোপন করে ফেলেন কৃষকরা।কারন ধান পাকার আগেই হয় টানা বৃষ্টি। মুলত এজন্যই বিলের জমি আগাম রোপন করে থাকেন। অবশ্য বিলের রোবো ধান ঘরে তোলা নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থাকেই।তাই বিলের বোরো ধান তোলা না মরার আশা এমন স্বপ্ন নিয়েই রোপিত হয় বোরো।অবশ্য গত মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকার কারনে পাকা ধান ঘরে তুলতে পেরেছিলেন কৃষকরা। পৌর সদর গুবিরপাড়া গ্রামের তরুন কৃষক সারোয়ার জানান প্রথমবারের মত বিলে দু বিঘা জমি রোপন শেষ হয়েছে। আরেক প্রবীন কৃষক এমাজউদ্দীন জানান বিলে ছয় বিঘা জমিতে বোরো লাগিয়েছি।এখন পরিচর্যার কাজ চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

শীত উপেক্ষা করে চলছে বোরো রোপনের কাজ

প্রকাশিত : ০৯:২০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২

কনকনে শীত উপেক্ষা করে বরেন্দ্র অঞ্চল নামে পরিচিত রাজশাহীর তানোর উপজেলাটি। এ উপজেলার মাটি কৃষি ফসল উৎপাদনে চমৎকার উর্বর হলেও এর মধ্যে ধান প্রধানত হলেও এর পরই হয় আলুর চাষ ।তবে উপজেলার বেশিরভাগ ভাগ মানুষ ধান চাষের উপর নির্ভর। বিশেষ করে গত সপ্তাহ থেকে এপর্যন্ত প্রচন্ড ঠান্ডা উপেক্ষা করে তানোরের পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে চলা বিলকুমারি বিলে যাদের জমি আছে তারা অনেকেই বোরো রোপন করে ফেলেছেন এবং চলছে পরিচর্যার কাজ ।আর উপরের দিগন্ত ধানী মাঠের জমিতে আলুর পরিচর্যার কাজ। হাড় কাপানো শীত হলেও উপজেলার শ্রমিকরা এখন চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন। এদুই ফসল রোপন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত চমৎকার অনুকুলে আবহাওয়া। ফলে সব কিছুই সময় মতই হচ্ছে বলে মনে করছেন চাষিরা।অবশ্য ইতিপূর্বেই বিলের বেশির ভাগ জমি রোপন হয়ে গেছে । আর মাঠের জমি তৈরি ও রোপনের কাজ চলছে জোরালো ভাবে। এদিকে আলুর ক্ষেত্রেও একই কনকনে শীত উপেক্ষা করে ভোর থেকেই জমি পরিচর্যার কাজে লেগে পড়ছেন কৃষক শ্রমিকরা। কুয়াশায় ভেদ করে হাড় কাঁপানো শীত অপেক্ষা করে দেশকে খাদ্যে ভরপুর করছেন বাংলার নায়ক হিসেবে পরিচিত কৃষক শ্রমিকরা। পৌর সদর এলাকার কৃষক মফিজ জানান বিলে প্রায় আড়াই বিঘা জমি রোপন করা শেষ হয়েছে। শুধু আমার না বিলের জমি প্রায় রোপন শেষের দিকে।তবে গত কয়েকদিন প্রচুর ঠান্ডা ছিল।আবার গত রোববার গুড়িগুড়ি বৃষ্টি এবং সূর্যের কোন আলোই দেখা যায় নি।পুরো সপ্তাহ ছিল হাড় কাঁপানো শীত। যদিও শুক্রবারে দিনের আলো দেখা গেলে হিমেল বাতাসে ছিল ঠান্ডা। আর সন্ধা থেকে তো শরীরের যে টুকু অংশ বেরিয়ে থাকছে, তা প্রচন্ড ঠান্ডা হয়ে পড়ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে,উপজেলার চান্দুড়িয়া ব্রীজ ঘাট থেকে তানোর পৌর এলাকা হয়ে কামারগাঁ ইউপির বীজ দিয়ে শেষ প্রান্ত মালশিরা পর্যন্ত হাজার হাজার কৃষকের রয়েছে জমি। এসব জমিতে বোরো ধান চাষ হয় যেমন, তেমনি হয় বাম্পার ফলন। এগুলো নিচু জমি, এজন্য দ্রুত বোরো রোপন করে ফেলেন কৃষকরা।কারন ধান পাকার আগেই হয় টানা বৃষ্টি। মুলত এজন্যই বিলের জমি আগাম রোপন করে থাকেন। অবশ্য বিলের রোবো ধান ঘরে তোলা নিয়ে কিছুটা শঙ্কা থাকেই।তাই বিলের বোরো ধান তোলা না মরার আশা এমন স্বপ্ন নিয়েই রোপিত হয় বোরো।অবশ্য গত মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকার কারনে পাকা ধান ঘরে তুলতে পেরেছিলেন কৃষকরা। পৌর সদর গুবিরপাড়া গ্রামের তরুন কৃষক সারোয়ার জানান প্রথমবারের মত বিলে দু বিঘা জমি রোপন শেষ হয়েছে। আরেক প্রবীন কৃষক এমাজউদ্দীন জানান বিলে ছয় বিঘা জমিতে বোরো লাগিয়েছি।এখন পরিচর্যার কাজ চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর