০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

কাঠালিয়ায় জেলেদের হয়রানির অভিযোগে উপজেলা মৎস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানববনন্ধন

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় অবৈধ অভিযানের নামে জেলেদের হয়রানি, উৎকোচ দাবি, সুতার জাল জব্দ ও পোড়ানোর অভিযোগে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন উপজেলার অর্ধ শতাধিক পেশাজীবী জেলে। সোমবার(৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খালের পাড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে পেশাজীবী জেলে মো. সিদ্দিক খলিফা, মো. রবিউল ইসলাম, মো. মিরন জমাদ্দার, মজিবর হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আমরা সরকারি নির্দেশনা মেনে নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল এর পরিবর্তে সুতার জাল দিয়ে বৈধভাবে নদীতে ইলিশ ধরে কোন ভাবে জীবন জীবিকা চালাই। কিন্তু মৎস্য কর্মকর্তা অবৈধ অভিযানের নামে গত শনিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বড় কাঠালিয়া এলাকা থেকে আলমগীর খলিফা, মজিবর, মিজানুর, কালাম ও সোবাহানের ২ লাখ টাকার সুতার জাল জব্দ করে গোপনে পুড়িয়ে ফেলে এবং আমাদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় তিনি অভিযানের নামে হয়রানি ও উৎকোচ দাবি করে আসছেন।

পরে জেলেরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও কাঠালিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর একটি গণ স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্র দেন।

জেলেদের সব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, জেলারা আমার ব্যক্তিগত শত্রু না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অভিযান করে অবৈধ জাল জব্দ করে তা আগুন পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভীত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমার সম্মান নষ্ট করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

কাঠালিয়ায় জেলেদের হয়রানির অভিযোগে উপজেলা মৎস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানববনন্ধন

প্রকাশিত : ০৬:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২২

ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় অবৈধ অভিযানের নামে জেলেদের হয়রানি, উৎকোচ দাবি, সুতার জাল জব্দ ও পোড়ানোর অভিযোগে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন উপজেলার অর্ধ শতাধিক পেশাজীবী জেলে। সোমবার(৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন খালের পাড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে পেশাজীবী জেলে মো. সিদ্দিক খলিফা, মো. রবিউল ইসলাম, মো. মিরন জমাদ্দার, মজিবর হোসেন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আমরা সরকারি নির্দেশনা মেনে নদীতে অবৈধ কারেন্ট জাল এর পরিবর্তে সুতার জাল দিয়ে বৈধভাবে নদীতে ইলিশ ধরে কোন ভাবে জীবন জীবিকা চালাই। কিন্তু মৎস্য কর্মকর্তা অবৈধ অভিযানের নামে গত শনিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বড় কাঠালিয়া এলাকা থেকে আলমগীর খলিফা, মজিবর, মিজানুর, কালাম ও সোবাহানের ২ লাখ টাকার সুতার জাল জব্দ করে গোপনে পুড়িয়ে ফেলে এবং আমাদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় তিনি অভিযানের নামে হয়রানি ও উৎকোচ দাবি করে আসছেন।

পরে জেলেরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান ও কাঠালিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর একটি গণ স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্র দেন।

জেলেদের সব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, জেলারা আমার ব্যক্তিগত শত্রু না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অভিযান করে অবৈধ জাল জব্দ করে তা আগুন পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভীত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমার সম্মান নষ্ট করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ