১০:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

বৃষ্টিপাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

নওগাঁর ধামইরহাটে হঠাৎ টানা বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষেতে পানি জমে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন কৃষকরা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে পরদিন শুক্রবার সারাদিন ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাতে ফসলি ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় এ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধান চাষের লক্ষমাত্রা ছিল ১৮ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে। ইতি মধ্যে প্রায় ১০হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি এবারে উপজেলায় ৫শত ৭০হেক্টর জমিতে কৃষক উচ্চ ফলনশীল সরিষার চাষ করেন। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি গ্রামের কৃষকরা পুরোদমে সরিষা কাটামাড়াই কাজ শুরু করবেন। অন্যদিকে চলতি মৌসুমে উপজেলায় আলুর অর্জন ছিল ২২শত ৭০হেক্টর জমিতে এর মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টিপাতে প্রায় ৪০টির মত গ্রামের রোপণকৃত ধান, আলু, সরষিাসহ শীতকালীন ফসলের ক্ষেতে পানি জমে গিয়েছে। ফসলী জমি থেকে পানি না সরাতে পারলে এসব ফসল নষ্ট হয়ে যাবে বলেও ধারণা করছেন কৃষকরা।

এবিষয়ে খেলনা ইউনিয়নের কৃষক আসলাম হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আমি প্রায় ১একর জমিতে সরিষা চাষ করেছি। হঠাৎ বৃষ্ঠিপাতে আমি আমার ফসলি মাঠে গিয়ে দেখি সরিষার গাছগুলো বাতাশে মাটিতে নুইয়ে পরেছে। এবং জমিতে পুরোদমে পানি জমে রয়েছে। কোন রকমে জমি থেকে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করেছি। যদি আকাশ খড়া না করে তাহলে ফসল ঘরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে নাহলে ফসলের খরচ নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব দেয়া সম্ভব না। এর মধ্যে দুদিনের টানা রোদ পাওয়া গেলে বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ আলুর ক্ষতিটা অনেক কম হবে। তবে বিরুপ আবহাওয়া থাকলে ডুবে যাওয়া ফসল বিশেষ করে আলুর ক্ষতি ব্যাপক হারে হতে পারে বলে জানান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

বৃষ্টিপাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা

প্রকাশিত : ০৪:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নওগাঁর ধামইরহাটে হঠাৎ টানা বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষেতে পানি জমে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন কৃষকরা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে পরদিন শুক্রবার সারাদিন ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাতে ফসলি ক্ষেতে পানি জমে যাওয়ায় এ ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভায় চলতি মৌসুমে ইরি বোরো ধান চাষের লক্ষমাত্রা ছিল ১৮ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে। ইতি মধ্যে প্রায় ১০হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি এবারে উপজেলায় ৫শত ৭০হেক্টর জমিতে কৃষক উচ্চ ফলনশীল সরিষার চাষ করেন। আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিটি গ্রামের কৃষকরা পুরোদমে সরিষা কাটামাড়াই কাজ শুরু করবেন। অন্যদিকে চলতি মৌসুমে উপজেলায় আলুর অর্জন ছিল ২২শত ৭০হেক্টর জমিতে এর মধ্যে হঠাৎ বৃষ্টিপাতে প্রায় ৪০টির মত গ্রামের রোপণকৃত ধান, আলু, সরষিাসহ শীতকালীন ফসলের ক্ষেতে পানি জমে গিয়েছে। ফসলী জমি থেকে পানি না সরাতে পারলে এসব ফসল নষ্ট হয়ে যাবে বলেও ধারণা করছেন কৃষকরা।

এবিষয়ে খেলনা ইউনিয়নের কৃষক আসলাম হোসেন বলেন, চলতি মৌসুমে আমি প্রায় ১একর জমিতে সরিষা চাষ করেছি। হঠাৎ বৃষ্ঠিপাতে আমি আমার ফসলি মাঠে গিয়ে দেখি সরিষার গাছগুলো বাতাশে মাটিতে নুইয়ে পরেছে। এবং জমিতে পুরোদমে পানি জমে রয়েছে। কোন রকমে জমি থেকে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করেছি। যদি আকাশ খড়া না করে তাহলে ফসল ঘরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে নাহলে ফসলের খরচ নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব দেয়া সম্ভব না। এর মধ্যে দুদিনের টানা রোদ পাওয়া গেলে বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ আলুর ক্ষতিটা অনেক কম হবে। তবে বিরুপ আবহাওয়া থাকলে ডুবে যাওয়া ফসল বিশেষ করে আলুর ক্ষতি ব্যাপক হারে হতে পারে বলে জানান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর