১০:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও ঠান্ডায় কটিয়াদীতে জবুথবু অবস্থা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ঠান্ডায় মানুষের জবুথবু অবস্থা হয়েছে। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শুক্রবার ভোররাত থেকে টানা বৃষ্টিতে সড়ক ও মাঠে-ময়দানে বৃষ্টি জমে পড়েছে। থেমে থেমে মেঘের গর্জনে বর্ষার আমেজ সৃষ্টি করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলা জুড়ে বৃষ্টির কারণে কর্মজীবী মানুষ কাজে বের হতে পারেনি। বিশেষ করে দিনমজুর, মিস্ত্রি ও নির্মাণ শ্রমিকরা ঘর থেকে বের হতে পারেনি। রাস্তাঘাটে যানবাহন ও লোক চলাচলও ছিল কম। বিপাকে পড়েছে দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল রিকশা ও ভ্যানচালকসহ নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

উপজেলার জালালপুর ইউপির চরঝাকালিয়া গ্রামের বিল্ডিং শ্রমিক মজিবুর রহমান জানান, বৃষ্টির কারণে শ্রমিকরা কাজে আসতে না পারায় আমার বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধ রয়েছে।

চান্দপুর ইউনিয়নের কৃষক কাসেম আলী জানান, এখন বোরো রোপনের ভরা মৌসুম। এতদিন শীত উপেক্ষা করে কাজে বের হয়েছিলাম। আজ বৃষ্টির কারণে যেতে পারেনি তার মতো অনেক দিনমজুর। ফেকামারা গ্রামের মান্নান ও শামসু জানান, মাঘের মাঝামাঝি বৃষ্টির কারণে রাস্তায় মিশুক রিকশা নিয়ে চলা যাচ্ছে না। যাত্রীও নেই।

পৌরসভার বেথৈর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, গত কয়েকদিনের টানা শৈত্যপ্রবাহের কারণে তার আলুখেতে মড়ক দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির কারণে মড়ক আরও বাড়ে কি-না এই নিয়ে চিন্তিত তিনি।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মুকশেদুল হক জানান, আলু চাষিদের এই বৈরী আবহাওয়া সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে এবং একসঙ্গে একাধিক ওষুধ স্প্রে করে ছত্রাকের আক্রমণ ঠেকাতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

টানা বৃষ্টি ও ঠান্ডায় কটিয়াদীতে জবুথবু অবস্থা

প্রকাশিত : ০৪:১৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর ঠান্ডায় মানুষের জবুথবু অবস্থা হয়েছে। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শুক্রবার ভোররাত থেকে টানা বৃষ্টিতে সড়ক ও মাঠে-ময়দানে বৃষ্টি জমে পড়েছে। থেমে থেমে মেঘের গর্জনে বর্ষার আমেজ সৃষ্টি করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলা জুড়ে বৃষ্টির কারণে কর্মজীবী মানুষ কাজে বের হতে পারেনি। বিশেষ করে দিনমজুর, মিস্ত্রি ও নির্মাণ শ্রমিকরা ঘর থেকে বের হতে পারেনি। রাস্তাঘাটে যানবাহন ও লোক চলাচলও ছিল কম। বিপাকে পড়েছে দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল রিকশা ও ভ্যানচালকসহ নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

উপজেলার জালালপুর ইউপির চরঝাকালিয়া গ্রামের বিল্ডিং শ্রমিক মজিবুর রহমান জানান, বৃষ্টির কারণে শ্রমিকরা কাজে আসতে না পারায় আমার বিল্ডিংয়ের কাজ বন্ধ রয়েছে।

চান্দপুর ইউনিয়নের কৃষক কাসেম আলী জানান, এখন বোরো রোপনের ভরা মৌসুম। এতদিন শীত উপেক্ষা করে কাজে বের হয়েছিলাম। আজ বৃষ্টির কারণে যেতে পারেনি তার মতো অনেক দিনমজুর। ফেকামারা গ্রামের মান্নান ও শামসু জানান, মাঘের মাঝামাঝি বৃষ্টির কারণে রাস্তায় মিশুক রিকশা নিয়ে চলা যাচ্ছে না। যাত্রীও নেই।

পৌরসভার বেথৈর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাক জানান, গত কয়েকদিনের টানা শৈত্যপ্রবাহের কারণে তার আলুখেতে মড়ক দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির কারণে মড়ক আরও বাড়ে কি-না এই নিয়ে চিন্তিত তিনি।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মুকশেদুল হক জানান, আলু চাষিদের এই বৈরী আবহাওয়া সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে এবং একসঙ্গে একাধিক ওষুধ স্প্রে করে ছত্রাকের আক্রমণ ঠেকাতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর