০২:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

কুয়াকাটায় বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে কাপলের মিলনমেলা

ফুল ফুটুক, আর নাই ফুটুক এলো হলুদ বসন্ত। ফাগুনকে বরন আর বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় বসেছে কাপলদের মিলন মেলা। রবিবার সকাল থেকে পর্যটকের আগমন ঘটে সৈকতে। আগত পর্যটকদের মধ্যে অধিকাংশই কাপল। এসব পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে মাঠে কাজ করছে কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ। এছাড়াও ট্যুরিষ্ট পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পরিবেশন ও ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক,পর্যটকদের ছবি তোলায় নিয়োজিত ক্যামেরা পার্সনদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে কুয়াকাটা সৈকত ঘুরে দেখা যায়, কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের পশ্চিম প্রান্তের লেম্বুরচর এবং পূর্ব প্রান্তের গঙ্গামতি সৈকত পর্যন্ত আগত পর্যটকদের পদচারনায় এখন মুখরিত। অনেকে আবার এসেছেন স্ব-পরিবারে। কেউ নেচে গেয়ে আনন্দ উন্মাদনায় মেতেছেন। আবার কেউ সৈকতের বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এ সকল পর্যটকদের ভীড়ে পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা দেখা গেছে।

ঘুরতে আসা পর্যটক দম্পতি বিশাল ও রেখা এ প্রতিনিধিকে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারনে দুইটি বছর ঘর কোনা হয়ে গেছি। তাই এবছর আর কোন বাঁধাই মানিনি। এখানে এসে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এবং সৈকতের রূপ বৈচিত্র উপভোগ করছি। আরেক পর্যটক জিসান গাজী বলেন, কুয়াকাটার দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকতের সর্বত্রই রয়েছে সোন্দার্য্যরে ভান্ডার। এখানে প্রকৃতি প্রেমীরা এসে খুব মজা পাবেন। ভালোবাসায় আবদ্ধ যুবক-যুবতী এবং নবদম্পতিদের দখলে এখন কুয়াকাটা।

হোটেল সমুদ্র বাড়ির ব্যবস্থাপক মো: জহিরুল ইসলাম মিরন এ প্রতিবেদককে জানান,করোনা পরিস্থিতির কারনে গতবছরের চেয়ে এবছর পর্যটকদের সংখ্যা খুবই কম। তবে সোমবার থেকে পর্যটকদের আগমন আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা আছে তারা বেশির ভাগই কাপল।

হোটেল গোল্ডেন ইন-এর পরিচালক কে এম জহির খাঁন সাংবাদিকদের বলেন, তাদের হোটেলে কাপলদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও বাহারী চকলেট দিয়ে বরন করা হবে। তবে পর্যটকদের করোনা ভাইরাসের টিকা কার্ড এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পর্যটকদের রুম বুকিং দিচ্ছি। অনেকেই এখন অনলাইনে রুম বুকিং নিচ্ছে। আশাকরি ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে হোটেলের সবকটি রুম বুকিং থাকবে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারি পুলিশ সুপার মো: আবদুল খালেক গনমাধ্যমকে জানায়, আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানতে পর্যটকদের সচেতনতায় প্রচার প্রচারনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুয়াকাটায় বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে কাপলের মিলনমেলা

প্রকাশিত : ১০:০৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ফুল ফুটুক, আর নাই ফুটুক এলো হলুদ বসন্ত। ফাগুনকে বরন আর বিশ্ব ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে পর্যটন নগরী কুয়াকাটায় বসেছে কাপলদের মিলন মেলা। রবিবার সকাল থেকে পর্যটকের আগমন ঘটে সৈকতে। আগত পর্যটকদের মধ্যে অধিকাংশই কাপল। এসব পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে মাঠে কাজ করছে কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ। এছাড়াও ট্যুরিষ্ট পুলিশের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় এবং স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পরিবেশন ও ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক,পর্যটকদের ছবি তোলায় নিয়োজিত ক্যামেরা পার্সনদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে কুয়াকাটা সৈকত ঘুরে দেখা যায়, কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের পশ্চিম প্রান্তের লেম্বুরচর এবং পূর্ব প্রান্তের গঙ্গামতি সৈকত পর্যন্ত আগত পর্যটকদের পদচারনায় এখন মুখরিত। অনেকে আবার এসেছেন স্ব-পরিবারে। কেউ নেচে গেয়ে আনন্দ উন্মাদনায় মেতেছেন। আবার কেউ সৈকতের বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এ সকল পর্যটকদের ভীড়ে পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা দেখা গেছে।

ঘুরতে আসা পর্যটক দম্পতি বিশাল ও রেখা এ প্রতিনিধিকে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারনে দুইটি বছর ঘর কোনা হয়ে গেছি। তাই এবছর আর কোন বাঁধাই মানিনি। এখানে এসে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য এবং সৈকতের রূপ বৈচিত্র উপভোগ করছি। আরেক পর্যটক জিসান গাজী বলেন, কুয়াকাটার দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকতের সর্বত্রই রয়েছে সোন্দার্য্যরে ভান্ডার। এখানে প্রকৃতি প্রেমীরা এসে খুব মজা পাবেন। ভালোবাসায় আবদ্ধ যুবক-যুবতী এবং নবদম্পতিদের দখলে এখন কুয়াকাটা।

হোটেল সমুদ্র বাড়ির ব্যবস্থাপক মো: জহিরুল ইসলাম মিরন এ প্রতিবেদককে জানান,করোনা পরিস্থিতির কারনে গতবছরের চেয়ে এবছর পর্যটকদের সংখ্যা খুবই কম। তবে সোমবার থেকে পর্যটকদের আগমন আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা আছে তারা বেশির ভাগই কাপল।

হোটেল গোল্ডেন ইন-এর পরিচালক কে এম জহির খাঁন সাংবাদিকদের বলেন, তাদের হোটেলে কাপলদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও বাহারী চকলেট দিয়ে বরন করা হবে। তবে পর্যটকদের করোনা ভাইরাসের টিকা কার্ড এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পর্যটকদের রুম বুকিং দিচ্ছি। অনেকেই এখন অনলাইনে রুম বুকিং নিচ্ছে। আশাকরি ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে হোটেলের সবকটি রুম বুকিং থাকবে।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারি পুলিশ সুপার মো: আবদুল খালেক গনমাধ্যমকে জানায়, আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানতে পর্যটকদের সচেতনতায় প্রচার প্রচারনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর