বগুড়া শেরপুরে মোজাম্মেল হক ওরফে রানা (৩৫) নামে এক ভুয়া ব্যারিস্টার ও তার সহযোগী রঞ্জিত মন্ডল (৩৪) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।সে নিজেকে হাইকোর্টের ব্যারিস্টার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করত গ্রেপ্তারের পর তাঁরা পুলিশকে নিশ্চিত করেছে তাঁরা আসলে ব্যারিস্টার বা আইনজীবী নয়। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে জমিজমার কাজ করে দেওয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নিতেন।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে শেরপুর পৌরশহরের রেজিস্ট্রি অফিস বাজার এলাকা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারকৃত মোজাম্মেল হক ওরফে রানা নাটোর জেলার সিংড়া থানার সোযাইড় বালাল গ্রামের বাসিন্দা অপরজন রঞ্জু মিয়া শেরপুর উপজেলার জয়নগর গ্রামের বাসিন্দা।
শেরপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক সাচ্চু বিশ্বাস বলেন,গ্রেপ্তারকৃত ওই দুজনের মধ্যে মোজাম্মেল হক ওরফে রানা নিজেকে হাইকোর্টের ব্যারিস্টার পরিচয় দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের জমিজমার কাজ করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিতেন। তার সহযোগী রঞ্জু মন্ডল এই ভুয়া ব্যারিস্টার পরিচয়দানকারীকে সহযোগিতা করতে।গতকাল মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এই দুইজনের নামে শেরপুর থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের ধাওয়াপাড়া গ্রামের রুবেল হাসান। বাদীর জমিজমার কাগজপত্র নিয়ে সমস্যা থাকায় হাইকোর্টের মাধ্যমে করে দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করে তিন লাখ ৪০ হাজার টাকা নেয়। একইভাবে প্রতারণা করে বাদীর নিকটাত্মীয় কুসুম্বি ইউনিয়নের খিকিন্দা গ্রামের ফারুক হোসেনের কাছ থেকে ৫০ হাজার ও বাবলু মিয়ার কাছ থেকে ৪০ হাজার টাকা নেয়।
তিনি আরো জানান মোজাম্মেল হক এর গ্রেপ্তারের কথা শুনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের আরো পাঁচজন পুলিশের কাছে অবগত করেছে তারা এই ভুয়া ব্যারিস্টারের কাছ থেকে প্রতারিত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
শেরপুর থানা পুলিশ সূত্র জানায়,এই মোজাম্মেল হকের নামে নাটোরের সিংড়া থানায় একটি প্রতারণাসহ আরো তিনটি মারামারির ঘটনায় মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নাটোর সিংড়া থানায় দুইটি সাজাপ্রাপ্ত মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন,গতকাল মঙ্গলবাররাতে এই ভুয়া ব্যারিস্টারেরসহ তাঁর আরেক সহযোগী নামে মামলা করা হয়। আজ বুধবার এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে বগুড়ার কারাগারে পাঠানো হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















